আজ মঙ্গলবার, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 55

আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না : প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনোভাবেই ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না। অতীতের মতো এখনও সরকার এই অবস্থানেই অটল রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পৃথিবীতে নানা ধর্ম থাকলেও প্রতিটি ধর্মই মানবকল্যাণের বার্তা দেয় এবং মানুষের জন্য কল্যাণকর জীবনব্যবস্থা নির্ধারণ করে।

বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, গৌতম বুদ্ধের প্রদত্ত পঞ্চশীল নীতিতে প্রাণী হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা বলা ও মাদক থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রেম, অহিংসা ও সর্বজীবে দয়ার শিক্ষা বৌদ্ধধর্মের মূল ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে একটি মানবিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। রাষ্ট্রীয় আইনের পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ ধর্মীয় মূল্যবোধও সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে চায় যেখানে সব নাগরিক নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে। দল, মত, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারে—এটাই সরকারের মূল নীতি।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য একটি নিরাপদ দেশ গড়ার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। সেই চেতনা থেকেই বর্তমান সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ” এমন একটি ধারণা যা দেশের সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম। তাই কাউকে নিজেকে সংখ্যালঘু মনে করার প্রয়োজন নেই—সবাই এই দেশের সমান নাগরিক।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শেষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

ইরান যু*দ্ধ : ট্রাম্পকে ‘অত্যন্ত বি*ধ্বংসী পরিণতির’ হুঁশিয়ারি দিলেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরান যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্বাগত জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যদি এ যুদ্ধবিরতি কোনো কারণে লঙ্ঘিত হয়, তাহলে তা সবার জন্য ‘অত্যন্ত বিধ্বংসী পরিণতি’ বয়ে আনতে পারে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ এবং ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর চলমান সামরিক অভিযান ইস্যুতে গতকাল বুধবার টেলিফোনে ৯০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সে সময়েই এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন পুতিন।

রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি দপ্তর এবং বাসস্থান ক্রেমলিনের কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনের অন্যতম মুখপাত্র ইউরি উশাকভ মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, উভয় প্রেসিডেন্টের এই ফোনালাপ ছিল ‘স্পষ্ট এবং নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু সংশ্লিষ্ট।’

সংবাদ সম্মেলনে উশাকভ বলেন, “টেলিফোন আলোচনায় উভয় দেশের প্রেসিডেন্ট ইরান এবং পারস্য উপসাগরের বর্তমান পরিস্থিতিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে করেন তিনি। কারণ, এটি দুই দেশের মধ্যে  সার্বিকভাবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সহায়ক হবে।”

“পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন যে যদি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল বিরতি ভেঙে ফের ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে, তাহলে শুধু ইরান কিংবা তার প্রতিবেশীদের জন্যই নয়— বরং পুরো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য তা মারাত্মক বিধ্বংসী পরিণতি বয়ে আনবে।”

“যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যে মতপার্থক্যগুলো আছে— সেসব সমাধানে কূটনৈতিক পন্থা অবলম্বন করা সবদিক থেকে সবার জন্য ভালো বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি শান্তিপূর্ণ উপায়ে ইরানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব নিরসন করতে চায়— তাহলে সবরকম কূটনৈতিক সহায়তা দিতে রাশিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বুধবারের ফোনালাপে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও কথা হয়েছে মার্কিন ও রুশ প্রেসিডেন্টের মধ্যে। ক্রেমলিনের সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে ইউরি উশাকভ বলেছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুরোধে তাকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, রুশ বাহিনী ইউক্রেনে আর নতুন কোনো অঞ্চল দখলের অভিযানে নামছে না— বরং যে অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ আগে নিয়েছিল— সেখান থেকে শত্রু বাহিনীকে বিতাড়িত করায় মনোযোগ দিয়েছে।”

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড

আলোকিত প্রতিদিন /৩০ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

আশুলিয়া আউকপাড়া ছায়াকুঞ্জে এক বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকা স্বর্ণালঙ্কার লুট

শহিদুল্লাহ সরকার:

আশুলিয়া আউকপাড়া একটি বাড়িতে ডাকাতি হওয়ার ঘটনার দুদিন পরে আবারও একটি বাড়িতে আজ ডাকাতি হয়েছে। এসময় ডাকাতরা বাড়ির সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত পা বেঁধে নগদ টাকা,স্বর্ণালঙ্কার সহ মূল্যবান মালামাল লুটে নিয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার ভোররাতে আশুলিয়ার আউকপাড়া এলাকার ছায়াকুঞ্জর আব্দুল্লাহর বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

ডাকাতি হওয়া ওই বাড়ির সদস্যরা জানায়, ভোররাতে একতলা বাড়িতে ১০ থেকে ১৫ সদস্যের একদল মুখোশধারী ডাকাত দেওয়াল টপকে ভিতরে প্রবেশ করে বাড়ির দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। এসময় ঘরে প্রবেশ করে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ৩৫ হাজার টাকা, একটি আংটি, দুইটা রৌপ্যর চেইন,একটি স্বর্ণের চেইন,একজোড়া কানের দুল, ও আসবাবপত্রসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল লুটে নিয়ে যায়। এসময় ডাকাতরা চলে যাওয়ার সময় বাড়ির মালিক আব্দুল্লাহকে কুপিয়ে ও তার স্ত্রীর দুটি কান ছিঁড়ে নেয়।

এসময় বাড়ির ভাড়াটিয়া আজিজুল ও তার স্ত্রীর নাকের ফুল ও নুপুর নিয়ে যায় তারা। এসময় ডাকাতরা চলে যাওয়ার সময় ওই ভাড়াটিয়ার স্ত্রী পপিকে তুলে নিয়ে যায় পরে ডাকাতরা তাকে রাস্তার ফেলে রেখে চলে যায়। সকালে খবর পেয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত দুই জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এবিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এর আগে গত সোমবার আশুলিয়ার চাকলগ্রামে একটি বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। পুলিশ এখন পর্যন্ত ওই ডাকাতির সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি। স্থানীয়রা আইন শৃঙ্খলা অবনতি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

বিপৎসীমার ওপরে ৫ নদীর পানি, ৫ জেলায় বন্যার আভাস

আলোকিত প্রতিবেদক:

টানা ভারী বর্ষণের ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, এবং বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী তিন দিনের মধ্যে আরও পাঁচটি জেলায় বন্যা হতে পারে। এই জেলাগুলো হলো- নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট এবং মৌলভীবাজার।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহান এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত কয়েকদিনে প্রাক-মৌসুমি বর্ষণে ৫টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যার মধ্যে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদী, সোমেশ্বরী নদী, মগরা নদী এবং মৌলভীবাজারের মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এছাড়া, সিলেট এবং সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিনদিনে বাড়তে পারে, যার ফলে হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষত, কুশিয়ারা নদীর পানি তৃতীয় দিনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলার মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানি সমতল আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিপৎসীমার ওপর যেতে পারে, ফলে ওই এলাকায় বন্যার পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হতে পারে।

এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে, ১৬১ মিলিমিটার। এছাড়া ভোলায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫১ মিলিমিটার এবং ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, এই বৃষ্টির কারণে নদীজল বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকায়, পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

 

প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৩ মাসের বিশেষ সহায়তা ঘোষণা

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিন জেলায় ত্রাণ ও পুনর্বাসনে জোর,
প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

বিশেষ প্রতিবেদক:

প্রবল বর্ষণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কৃষিখাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য টানা তিন মাস সরকারি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কয়েকদিন আগেই আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসনকে আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে টানা বৃষ্টিতে যেসব কৃষকের ফসল নষ্ট হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে আগামী তিন মাস নিয়মিত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো কৃষক যেন সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

দাম বাড়ল বোতলজাত সয়াবিন তেলের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারে চার টাকা বাড়িয়ে ১৯৫ টাকা থেকে ১৯৯ টাকা করা হয়েছে । বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেলের বাজারমূল্য নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বোতলজাত তেলের পাশাপাশি খোলা তেলেও লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি করে ১৭৫ টাকা থেকে ১৭৯ টাকায় বিক্রি হবে।বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বেই পণ্যের উৎসমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি ভোক্তারা বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি দেখবেন। এতে বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতি আগের চেয়ে স্বাভাবিক হবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

‘নারী ট্রফি নয়’—কটূক্তির জবাবে দৃঢ় বার্তা প্রীতি জিনতার

বিনোদন ডেস্ক:

আইপিএলের মৌসুম এলেই গ্যালারিতে পাঞ্জাব কিংস-এর মালকিন প্রীতি জিনতা-র সরব উপস্থিতি চোখে পড়ে। দলের জয়ে উচ্ছ্বাস আর পরাজয়ে হতাশা—সবই খোলামেলাভাবে প্রকাশ করেন তিনি। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ‘ট্রফি’ বলে কটাক্ষ করা হলে সেই মন্তব্যের জবাবে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ভক্তদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে প্রীতি স্পষ্ট করে জানান, নারীদের ‘ট্রফি’ হিসেবে দেখার ধারণা কতটা অস্বস্তিকর ও অসম্মানজনক। তার ভাষায়, ‘এটা শুনতে মিষ্টি লাগতে পারে, কিন্তু বাস্তবে কোনো নারীই ট্রফি হতে চায় না। ট্রফি কেনা যায়, নারীদের নয়। ট্রফি কাঁচের আলমারিতে রাখা হয়—কিন্তু একজন নারীর জায়গা সেখানে নয়, বরং আপনার জীবনে ও হৃদয়ে।’

নারীর মর্যাদা নিয়ে তার এই বক্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। অনেকেই তার অবস্থানকে সময়োপযোগী ও শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা বিনোদন জগতের বাইরেও সামাজিক সচেতনতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

একই আলোচনায় নিজের কাজ নিয়েও কথা বলেন প্রীতি। দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় ফেরার প্রসঙ্গে তিনি জানান, লাহোর ১৯৪৭-এ কাজ করতে পেরে তিনি দারুণ উচ্ছ্বসিত। ছবিটি পরিচালনা করছেন রাজ কুমার সন্তোষী, আর সহ-অভিনেতা হিসেবে রয়েছেন সানি দেওল—যা তার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা।

এছাড়া ‘ভাইব’ নামের আরেকটি হালকা মেজাজের ছবির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। গম্ভীর ধারার কাজের পর এমন একটি প্রজেক্টে অংশ নিতে পেরে তিনি বেশ আনন্দ পেয়েছেন বলেও জানান।

ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ারের ব্যস্ততার মাঝেও নারীর সম্মান নিয়ে প্রীতির এই দৃঢ় অবস্থান নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তার বার্তা স্পষ্ট—নারী কোনো প্রদর্শনের বস্তু নয়, বরং সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে মূল্যায়নের যোগ্য।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

নেত্রকোনায় বজ্র*পাতে ৬ বছরে ৬২ জনের মৃ*ত্যু

শহীদুল ইসলাম রুবেল:

বাংলাদেশের দুর্যোগের ইতিহাসে বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ের কথা যতটা গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হয়, ‘বজ্রপাত’ ঠিক ততটাই অবহেলিত থেকে গেছে দীর্ঘকাল। অথচ পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। বর্তমানে দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল জলবায়ু-সম্পর্কিত দুর্যোগের নাম বজ্রপাত। বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ের চেয়েও প্রতিবছর এই ‘নীরব ঘাতকে’র আঘাতে মানুষের প্রাণহানি ঘটছে।বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বজ্রপাত প্রবণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল।

নাসা ও মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বজ্রপাতের তীব্রতা বাড়লেও এখানকার কৃষকদের সুরক্ষায় নেয়া পদক্ষেপগুলো এখনো কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। ৬ বছরে ৬২ জনের মৃত্যুতেও যেন টনক নড়েনি প্রশাসনের। অকার্যকর লাইটনিং অ্যারেস্টার আর অস্তিত্বহীন তালগাছ প্রকল্পের আড়ালে অরক্ষিতই থেকে গেছে এ জনপদ।ফলে প্রায় প্রতিদিনেই কোনো না কোনো হাওরে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটছে। মাঠজুড়ে পাকা বোরো ধান থাকলেও জীবনঝুঁকির কারণে কৃষি শ্রমিকেরা মাঠে নামতে ভয় পাচ্ছেন। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই ধান কাটতে যাচ্ছেন, আর তাতেই ঘটছে হতাহতের ঘটনা।

তথ্য বলছে, সোমবার (২৭এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে খালিয়াজুরী উপজেলার জগন্নাথপুর ধনু নদীতে বর্শি দিয়ে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে আব্দুল মোতালিব (৫৫) নামে ১ মৎস্য শিকারীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত আব্দুল মোতালিবের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাঘবেড় গ্রামে। এদিকে খালিয়াজুরী উপজেলার সাতগাঁও গ্রামের কৃষক হালান মিয়া (৫০) সোমবার (২৭এপ্রিল) দুপুরের দিকে বৃষ্টিপাত শুরু হলে বাড়ির সামনে থেকে গরু আনতে গেলে হঠাৎ বজ্রপাতে মারা যায়। তিনি সাতগাঁও গ্রামের নেকবর খার পুত্র। অপরদিকে (২৭এপ্রিল) সোমবার দুপুর ৩ টার দিকে খালিয়াজুরীর কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ছায়ার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে শুভ মন্ডল নামে আরও ১জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত শুভ মন্ডল সিরাজগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার আকনাদিগীর চর গ্রামের অফিকুল মন্ডলের পুত্র। সে সিরাজগঞ্জ থেকে অন্যান্য শ্রমিকদের সাথে নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় ধান কাটতে এসেছিল।

এ ছাড়া ও মদন, মোহনগঞ্জ, কেন্দুয়া,আটপাড়া, কলমাকান্দা,দুর্গাপুর হাওরের কোনো না কোনো স্থানে বজ্রপাতের কারণে আহত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। যদিও জেলায় হাওর পাড়ের মানুষদের সুরক্ষায় সরকার বজ্রনিরোধক প্রকল্প হাতে নেয়। এসব বজ্রনিরোধক দণ্ড অপরিকল্পিত স্থাপন ও মানহীন যন্ত্রাংশ ব্যবহারের কারণে তা অল্পদিনেই বিকল হয়ে গেছে। মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রকল্পটি।প্রশাসন ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, নেত্রকোনায় বজ্রপাতে ২০২০ সালে ৮ জন, ২০২১ সালে ১৫ জন, ২০২২ সালে ৩ জন, ২০২৩ সালে ১২জন, ২০২৪ সালে ৮ জন ও ২০২৫ সালে ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আর চলতি বছরের এপ্রিলে মারা গেছেন আরো ৬ জন। তবে সরকারি হিসাবের চেয়ে সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি বলে দাবি স্থানীয়দের। এসব এলাকায় ধান কাটার মৌসুমে এপ্রিল ও মে মাসেই বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে।

নেত্রকোনা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরে বজ্রপাতজনিত মৃত্যু কমাতে ২০২২ সালে নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি ‘লাইটনিং অ্যারেস্টার’ (বজ্রনিরোধক দণ্ড) স্থাপন করা হয়। প্রতিটি দণ্ড স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছিল তিন-চার লাখ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী দণ্ডগুলো হাওরে বা খোলা প্রান্তরে স্থাপন করার কথা। এছাড়া বজ্রপাত প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে সরকার দেশজুড়ে তালগাছ রোপণের প্রকল্প গ্রহণ করে। এ প্রকল্পের আওতায় নেত্রকোনায়ও তালগাছ রোপণ করা হয়।

নেত্রকোনার মদন উপজেলার মাঘান গ্রামের কৃষক খন্দকার সোহাগ, গোবিন্দশ্রী গ্রামের আবুল হোসেন, খালিয়াজুরী উপজেলান বোয়ালী গ্রামের আবুল কালাম, ইছাপুরের সুরঞ্জন সরকারসহ অনেকের সঙ্গে কথা হয়। তারা বলেন,খালিয়াজুরীর প্রবেশমুখ উচিতপুরে একটি বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করার কথা হাওরের ফাঁকা জায়গায়। কিন্তু অধিকাংশ বজ্রনিরোধক দণ্ড বসানো হয়েছে বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন কিংবা জনবসতিপূর্ণ এলাকায়। এগুলো স্থাপনের মাত্র ২ বছরের মধ্যেই রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অধিকাংশ যন্ত্রই এখন অকার্যকর হয়ে পড়ে আছে। অনেক স্থানে স্থাপিত দণ্ডগুলোর যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে অথবা বিকল হয়ে স্রেফ খুঁটি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’তালগাছ রোপণ প্রকল্পের বিষয়ে তারা আরো বলেন, ‘রোপণকৃত চারাগুলোর বেশির ভাগই পরিচর্যার অভাবে মারা গেছে। ফলে কয়েক কোটি টাকার এ উদ্যোগও মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সরকারের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

বেসরকারি সংস্থা বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী অহিদুর রহমান বলেন, ‘মানুষের জীবন রক্ষায় স্থাপিত বজ্রনিরোধক দণ্ডগুলো সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তা না হলে বজ্রপাতে প্রাণহানির সংখ্যা দিন দিন বাড়তেই থাকবে।কৃষিবিদ ড.শওকত আকবর বলেন, তালগাছের উচ্চতা ও গঠনগত দিক বজ্রপাত থেকে রক্ষায় সহায়ক বলে মনে করা হয়। তালগাছে কার্বনের স্তর বেশি থাকায় তা বজ্রপাত নিরোধে সহায়তা করে। তালগাছের বাকলে পুরু কার্বনের স্তর থাকে। এ কারণে বজ্রপাত থেকে রক্ষায় তালগাছ রোপণে উৎসাহিত করা হয়ে থাকে।

২০১৮ সালে সারা দেশের সঙ্গে নেত্রকোনায়ও সরকারিভাবে তালগাছ রোপণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন এসব তালগাছের কোনো অস্তিত্ব নেই। এগুলো রোপণের পর আর কোনো পরিচর্যা করা হয়নি। ফলে এ প্রকল্পের কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন জানান, বজ্রনিরোধক দণ্ডে বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় না,ফলে এটি সাধারণত নষ্ট হয় না। দাঁড়িয়ে থাকলেই হয়। বজ্রনিরোধক দণ্ডে ম্যাগনেট থাকে যার মাধ্যমে ৩০০ ফুট এরিয়া কভার করে। নেত্রকোনা সদর, খালিয়াজুরী ও কলমাকান্দা উপজেলায় বেশ কয়েকটি ফাঁকা জায়গায় তা নির্মাণ করা হয়েছে।তবে সরকারিভাবে তালগাছ রোপণের প্রকল্প নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

৮ বছরেও উৎপাদনে যেতে পারেনি সিরাজগঞ্জের বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র

ওয়াসিম সেখ:

দীর্ঘ আট বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি সিরাজগঞ্জের বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পটি কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এখনো প্রকল্পটি সম্পন্ন করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কাছে হস্তান্তর করেনি, ফলে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

সিরাজগঞ্জ শহরের মালশাপাড়া এলাকায় যমুনা নদীর পশ্চিমপাড় সংলগ্ন ক্রসবার-৩ এ ২০১৮ সালে ২ মেগাওয়াট ক্ষমতার বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৯ সালের এপ্রিলেই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও স্থান পরিবর্তন, জাতীয় নির্বাচন ও করোনা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে।

প্রকল্প এলাকায় ৮টি টাওয়ার নির্মাণ করে টারবাইন বসানো হলেও এখন পর্যন্ত সেগুলো সচল হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, তারা কখনো টারবাইনের পাখা ঘুরতে দেখেননি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও শুরু হয়নি। নির্মাণ জটিলতা ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন আটকে আছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, এটি একটি অপরিকল্পিত প্রকল্প। বায়ুর প্রবাহ যাচাই না করেই এ ধরনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্যান এশিয়া পাওয়ার সার্ভিস লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী ইঞ্জিনিয়ার ফজলুর রহমান জানান, করোনাসহ বিভিন্ন কারণে কাজ বিলম্বিত হয়েছে। টাওয়ারের উচ্চতা সংক্রান্ত কিছু সমস্যাও ছিল। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে চালু করা যাবে। তবে এখানে ২ মেগাওয়াট নয়, ১ মেগাওয়াট বা তার কম বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতে পারে। এ বিষয়ে পিডিবি সিরাজগঞ্জ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ প্রকল্পটি পরিকল্পনাহীনভাবে নেওয়া হয়েছে এবং বিগত সময়ে দুর্নীতির উদ্দেশ্যে এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়েছিল। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রকল্পটি চালুর দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন সঠিক পরিকল্পনা, স্থান নির্বাচন ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশেও বায়ু বিদ্যুৎ হতে পারে টেকসই জ্বালানির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তবে সিরাজগঞ্জের এই প্রকল্পটি দ্রুত চালু না হলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ অপচয়ের ঝুঁকি থেকেই যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

নেতানিয়াহুকে ক্ষমা প্রশ্নে নতুন শর্ত, সময় বেঁধে দিলেন প্রেসিডেন্ট হারজগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর চলমান দুর্নীতি মামলায় সম্ভাব্য ক্ষমা নিয়ে নতুন অবস্থান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। তিনি জানিয়েছেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমঝোতার পথে আসার সুযোগ দিতে চান। এ লক্ষ্যে আগামী রবিবারের মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে পাঠানো আমন্ত্রণে বলা হয়েছে, ক্ষমার আবেদন বিবেচনার আগে বিরোধ নিষ্পত্তির সব পথ শেষ হওয়া জরুরি। অর্থাৎ, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সম্ভাবনা থাকলে সেটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এর আগে হারজগ স্পষ্ট করেছিলেন, নেতানিয়াহুর ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়ে তিনি তড়িঘড়ি করে সিদ্ধান্ত নেবেন না। বরং একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর জন্য সব পক্ষকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানাবেন।

উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে নেতানিয়াহু তার বিরুদ্ধে চলা বিচার কার্যক্রম বাতিলের জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে আবেদন করেন। তার দাবি, মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হলে জাতীয় ঐক্য জোরদার হবে। এই প্রেক্ষাপটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-ও একাধিকবার হারজগের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আস্থাভঙ্গ, জালিয়াতি এবং ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। তিনটি পৃথক মামলায় প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সুবিধা বিনিময়ের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। যদিও এসব অভিযোগ তিনি বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

প্রায় ছয় বছর ধরে চলমান এই বিচার ইসরায়েলের রাজনীতি ও জনমতকে গভীরভাবে বিভক্ত করেছে। নেতানিয়াহু ও তার সমর্থকদের দাবি, তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্রের শিকার।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম