আজ , ।   
Home Blog Page 536

গোপালগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ১০ টি দোকান পুড়ে ছাই 

মোঃ শিহাব উদ্দিন:
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে অন্তত ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ২৫ এপ্রিল শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার কুশলা বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কোটালীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মী (বাবুল বিশ্বাস) জানান, রাত সাড়ে ৩টার দিকে কুশলা বাজারের একটি দোকান থেকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ওই বাজারের ১০টি দোকান পুড়ে যায়।
পরে খবর পেয়ে কোটালীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট স্থানীয়দের সহায়তায় ঘটনাস্থলে গিয়ে আড়াই ঘণ্টা পরং সকাল ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে ৪টি চায়ের দোকান এবং একটি করে মুদি, ফার্মেসি, অফিস, সেলুন, ফল এবং মোবাইলের দোকান পুড়ে যাওয়ায় অন্তত ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
আলোকিত প্রতিদিন/২৫ এপ্রিল ২০২৫/মওম

৮ মাসে ২৬ রাজনৈতিক দলের উত্থান, উদ্দেশ্য কী?

আলোকিত ডেস্ক : ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনা সরকার। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অতিবাহিত হয়েছে আট মাস। আর এই আট মাসেই নতুন ২৬টি রাজনৈতিক দলের উত্থান হয়েছে। এসব দলের উদ্দেশ্য কী? খবর বিবিসি বাংলার।

নিউক্লিয়াস পার্টি, জনপ্রিয় পার্টি, জাগ্রত পার্টি, আমজনতার দল, আ-আম জনতা পার্টি… গত আট মাসে এমন অন্তত ২৬টি নাম যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তারা সরব ।

গত বছরের পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর থেকে এসব রাজনৈতিক দল বা প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করেছে।

অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের দল এনসিপি ছাড়াও গত আটমাসে গণমাধ্যমে আসা রাজনৈতিক দল ও প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা দুই ডজনেরও বেশি।

এরইমধ্যে নতুন দল আনার ঘোষণা দিয়েছেন চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে নিয়ে কাজ করা ইলিয়াস কাঞ্চন।

 

তবে এত কম সময়ে এতগুলো দলের আত্মপ্রকাশ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে জনমনে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দল গঠনের এই প্রবণতা নতুন কিছু নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে এমন নতুন নতুন দল গঠন করতে দেখা গেছে।

আর নির্বাচনকেই এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তারা। বলছেন, নির্বাচনের সময় এগোলে ‘ব্যাঙের ছাতার মতো এমন অনেক দল গজিয়ে ওঠে’।

তবে নতুন নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশকে আপাতদৃষ্টিতে গণতান্ত্রিক চর্চার সাথে যুক্ত করা হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেকক্ষেত্রেই তা স্বার্থ ও ক্ষমতাচর্চার একটি রূপ বলেই মত বিশ্লেষকদের।

একইসঙ্গে ভোটের সময় জোট-রাজনীতিও এই প্রবণতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রভাব রাখে বলেও মনে করেন অনেকে।

‘ওনারা রাজনৈতিক লেবেল থাকলে ছেড়ে দেবে’

গত ১৭ই এপ্রিল আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি, যার প্রধান ডেসটিনির মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।

অর্থ পাচার ও ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশনের মামলায় ১২ বছর কারাভোগের পর গত ১৫ই জানুয়ারি জেল থেকে বের হওয়ার তিন মাসের মাথায় নতুন এই দল নিয়ে হাজির হন তিনি।

কিন্তু ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত মি. আমীনের হঠাৎ রাজনীতিতে নাম লেখানোর কারণ কী?

প্রশ্নের জবাবে বিবিসি বাংলাকে তিনি জানান, রাজনৈতিক পরিচয় না থাকার কারণে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর অন্য অনেকে জেল থেকে ছাড়া পেলেও তিনি তা পাননি।

‘যেদিন হাসিনা পালিয়ে গেল, পাঁচ তারিখ, ছয় তারিখ, সাত তারিখ, আট তারিখ, নয় তারিখ – এই কয়দিনে ঢাকা জেল খালি হয়ে গেছে। মানুষকে দিনরাত ছেড়ে দিছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এত লোকের জামিন কীভাবে হলো? বলে, না জামিন হয়নিতো। এদের রাজনৈতিক বিবেচনায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে’, বলেন মি. আমীন।

মি. আমীন জানান, এই রাজনৈতিক মঞ্চকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে তিনি তার ‘জুলুমের কথা তখন যে প্রশাসক থাকবে, যে রাষ্ট্রশাসন করবে তার কাছে” পৌঁছাবেন।

মাসে গড়ে তিনটি করে রাজনৈতিক দল ও সংগঠন

শেখ হাসিনার শাসনের পতনের পর অর্থাৎ ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৫’র ২৪শে এপ্রিল পর্যন্ত গত আটমাসে অন্তত ২২টি রাজনৈতিক দল ও ও চারটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশের খবর এসেছে গণমাধ্যমে।

যার মধ্যে গত বছর ১১টি আর চলতি বছরের প্রথম চার মাসে আরও ১১টি দল গঠিত হয়েছে। সেই হিসেবে প্রতি মাসে গড়ে তিনটি করে রাজনৈতিক দল ও সংগঠন হয়েছে।

আত্মপ্রকাশ করা দলগুলোর মধ্যে আছে, নিউক্লিয়াস পার্টি অব বাংলাদেশ (এনপিবি), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টি, ওয়ার্ল্ড মুসলিম কমিউনিটি, সমতা পার্টি, বাংলাদেশ জনপ্রিয় পার্টি (বিপিপি), সার্বভৌমত্ব আন্দোলন, বাংলাদেশ সংস্কারবাদী পার্টি (বিআরপি), বাংলাদেশ মুক্তির ডাক ৭১, বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি (বিজিপি), জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ, দেশ জনতা পার্টি, আমজনতার দল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শক্তি, বাংলাদেশ সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএসডিপি), বাংলাদেশ জন-অধিকার পার্টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি, জনতার বাংলাদেশ পার্টি, জনতার দল, গণতান্ত্রিক নাগরিক শক্তি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও আ-আম জনতা পার্টি (বিএজেপি)।

রাজনীতিতে আসা নতুন দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব নিয়ে আলোচনায় রয়েছে এনসিপি। দলটি এখনও নিবন্ধন পায়নি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি নামক যে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে দলটি তৈরি হয়েছে, সেগুলোও বর্তমানে সচল আছে।

রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’ তৈরি হয়েছে। এছাড়াও এনসিপি’র গঠন থেকে বেরিয়ে আসা শিবিরের সাবেক নেতাদের নতুন সংগঠন ‘ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ’ এরও এই মাসের মধ্যেই আত্মপ্রকাশের কথা রয়েছে।

‘এগুলো দল আমরা ভ্যানগাড়িয়ালারাও বানাইতে পারি’

প্রায় নিয়মিতই নতুন নতুন এসব দল আর প্ল্যাটফর্ম গঠনের খবর শোনা গেলেও, এগুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষ কতটা জানে?

এনিয়ে ঢাকার রাস্তায় কথা হয় ভ্যানচালক মোঃ হারুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মনে করেন ১০ জনেও দল করন যায়। যার যার মতো খালি দল বানাইতাছে আর করতাছে। এগিলির কোনো ইস্টিমেট আছে? এগিলা দল আমরা ভ্যান গাড়িয়ালারাও বানাইতে পারি’।

‘স্টুডেন্টদের সংগঠন বাদে ওইভাবে কোনো কিছু দেখা হয়নি’, বলেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী আসমা উল হুসনা সুপ্তি।

নতুন দলগুলোর নাম শোনা হয়েছে কিনা প্রশ্নের জবাবে চাকুরীজীবী সালমা আক্তার বলেন, ‘আমি আমজনতা বলে বাংলাদেশের সবাইকেই বুঝি। কিন্তু এটা আবার দল? জানি না’।

চা বিক্রেতা জোছনা জানান, প্রায়ই সেখানে মিছিল দেখলেও কারা তা করছে সে বিষয়ে তার কিছু জানা নেই।

বাংলাদেশে বর্তমানে ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থাকলেও এগুলোর বেশিরভাগের নামই কেউ জানে না। তার ওপর অভ্যুত্থানের পর হিড়িক লেগেছে নতুন দল গঠনের।

মূলত ভোটের সময় জোট-রাজনীতির সঙ্গে এই প্রবণতার সংযোগ রয়েছে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে নির্বাচন এগিয়ে এলে এই ধরনের দল গঠনের তোড়জোড় দেখা যায়।

এনিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এর আগেও আমরা দেখেছি যখন নির্বাচনের গন্ধ এসে নাকে লাগে, তখন হঠাৎ করেই এমন অনেক দল গজিয়ে ওঠে ব্যাঙের ছাতার মতো’।

এ ধরনের দল তৈরির প্রবণতা দেখা গিয়েছিল এরশাদের আমলেও।

‘এরশাদের আমলে বড় দলগুলো এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে সহযোগিতা করেনি বা করতে চায়নি, তখন এরশাদ দেখাতে চেয়েছিল যে দেশে প্রচুর রাজনৈতিক দল আছে। সুতরাং তারা নির্বাচনে এলেতো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে’, বলেন তিনি।

সেসময় ১২০টার বেশি দল গঠন হয়েছিল বলে জানান মি. আহমদ। পরবর্তী সময়ে ৯০টা দল নিয়ে জোট করার নজির আছে উল্লেখ করে ‘এরা জাস্ট সংখ্যা’ বলে মন্তব্য করেন এই বিশ্লেষক।

একইসঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যেও এসব দল তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এনিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘এখন একটা বদ্ধমূল ধারণা হয়ে গেছে সবার মধ্যে যে রাজনীতি করলে খুব দ্রুত লাভবান হওয়া যায়। রাজনীতি করলে খুব দ্রুত টাকাপয়সা কামানো যায়, আর ব্যক্তিগত প্রভাব খাটানো যায়- এটা ভেতরের উদ্দেশ্য আর কি’।

এর বাইরে এসব দলের রাজনীতিতে কতটুকু আদর্শ থাকে, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে বলেও মনে করেন তিনি। বলেন, ‘মূল যেটা সেটা হচ্ছে এটার পেছনে একটা রাজনৈতিক অর্থনীতির বিষয় জড়িত আছে।’

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

কাশ্মির সীমান্তে ভারত এবং পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারত-শাসিত কাশ্মিরে বন্দুকধারীদের হামলার পর পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। পাল্টপাল্টি পদক্ষেপে উত্তেজনা কার্যত চরমে পৌঁছেছে এবং এর মধ্যেই সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) জুড়ে উভয় দেশের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলির এই ঘটনা ঘটে। ২৫ এপ্রিল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

অবশ্য ভারতীয় গণমাধ্যমে গোলাগুলির এই খবর এলেও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বা দেশটির সংবাদমাধ্যমে এখনও এ বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মিরে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর বৃহস্পতিবার রাতের দিকে ভারতীয় সেনা চৌকির দিকে গুলি চালায় পাকিস্তানি সেনারা। জবাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীও পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। সেনা সূত্রে জানা গেছে, এই গোলাগুলিতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ভারতীয় সেনা কর্মকর্তাদের দাবি, “ছোট অস্ত্র দিয়ে কিছু জায়গায় গুলি চালানো হয়েছিল। আমরা ‘যথাযথভাবে জবাব’ দিয়েছি।”

এই ঘটনাটি ঘটল এমন এক সময়, যখন পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর ভয়াবহ হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। নিহতদের মধ্যে নেপালি নাগরিকও ছিলেন একজন।

এদিকে কাশ্মিরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলার পরে প্রথমে ভারত, আর তারপরে পাকিস্তান, একে অপরের বিরুদ্ধে এক গুচ্ছ কড়া ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে। এ সব পদক্ষেপগুলোর মধ্যে দুই দেশেরই ওয়াঘা-আটারি সমন্বিত সীমান্ত চৌকি বন্ধের ঘোষণার পাশাপাশি দুটি দেশই অপর দেশের সামরিক কর্মকর্তাদের বহিষ্কারের ঘোষণাও দিয়েছে।

ভারত বুধবার ঘোষণা করেছিল, “সার্ক দেশগুলোর জন্য ভিসা ছাড়” প্রকল্পের আওতায় যেসব পাকিস্তানি নাগরিক বিশেষ ভিসা পেয়েছেন, তা বাতিল করা হলো। জবাবে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানও ঠিক ওই একই ঘোষণা করেছে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য।

এছাড়া ভারত সিন্ধু নদের পানি চুক্তি স্থগিত করেছে। জবাবে পাকিস্তান আবার ভারতের সঙ্গে সব দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্থগিত করেছে। পাকিস্তানের আকাশ সীমাও ভারতীয় বিমান চলাচলের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান।

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ এপ্রিল ২০২৫/মওম

বিশ্লেষকদের ধারণা: পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে পাকিস্তান 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারত-শাসিত কাশ্মিরে বন্দুকধারীদের হামলার পর পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি হয়েছে। উভয় দেশই উভয়ের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে সিন্ধু নদের পানি চুক্তি বাতিল অন্যতম।

জবাবে পাকিস্তান পূর্ণ শক্তি দিয়ে এর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পাল্টাপাল্টি এসব পদক্ষেপে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান তার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।

২৫ এপ্রিল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভারতের জম্মু এবং কাশ্মিরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর ভয়াবহ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত একতরফাভাবে সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

পাকিস্তান হুঁশিয়ারি দিয়েছে—চুক্তি অনুযায়ী নিজেদের (পাকিস্তানের) পানির প্রবাহ বন্ধ বা সরিয়ে দেওয়ার যেকোনো চেষ্টা ‘যুদ্ধ ঘোষণার’ শামিল হবে এবং তার জবাব দেওয়া হবে “সকল ধরনের প্রচলিত এবং অপ্রচলিত (অর্থাৎ পরমাণু) শক্তি দিয়ে”।১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত সিন্ধু পানি চুক্তি দুই দেশের মধ্যে বিরল এক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে এতদিন ধরে টিকে ছিল। এই চুক্তির আওতায় পাকিস্তান সিন্ধু নদীর জলাধার ব্যবস্থার ওপর অধিকতর নির্ভরশীল, কারণ দেশটির কৃষি ব্যবস্থা প্রায় ৯০ শতাংশ এই পানির ওপর নির্ভর করে।

ভারতের ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (সিসিএস) গত বুধবার পেহেলগাম হামলার জেরে এই চুক্তি ‘স্থগিত’ করার ঘোষণা দেয়। তারা আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 এটি একটি গুরুতর বিষয়:

ভারত যদি চুক্তির আওতায় থাকা নদীগুলোর প্রবাহ নিয়ে তথ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পাকিস্তানে বন্যা পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ পাকিস্তানের, বাতিল সিমলা চুক্তি

পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এনএসসি) বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, পানি হচ্ছে দেশের “জীবনরেখা”, যা ২৪ কোটিরও বেশি মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। তাই পানির প্রবাহ বন্ধ করা হলে তা “যুদ্ধ” হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর জবাবে পাকিস্তান সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতেও দ্বিধা করবে না।

এনএসসি বৈঠকের পর জারি করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সিন্ধু পানি চুক্তি অনুসারে পাকিস্তানের পানিপ্রবাহ বন্ধ বা ভিন্ন দিকে সরানোর যে কোনও প্রচেষ্টা এবং নদীর নিচু তীরবর্তী অঞ্চলের অধিকার হরণকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং জাতীয় শক্তির সম্পূর্ণ পরিসরে পূর্ণ শক্তি দিয়ে তার জবাব দেওয়া হবে।”

পাকিস্তান বলেছে, এই চুক্তি বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং এটি একতরফাভাবে বাতিল করা সম্ভব নয়। এর প্রবাহ রক্ষা করা আমাদের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার:

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত যদি পাকিস্তানের পানির প্রবাহ থামাতে কোনও জলাধার বা বাঁধ নির্মাণ করে, তাহলে পাকিস্তান সেই স্থাপনাগুলো “পুরো যুদ্ধ শক্তি দিয়ে ধ্বংস করে দেবে”। কেউ কেউ বলছেন, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বিবৃতিতে “সম্পূর্ণ জাতীয় শক্তির ব্যবহার” কথাটির অর্থ—পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

একজন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক বলছেন, “যদি ভারত কোনও জলাধার বা বাঁধ তৈরি করে যা পাকিস্তানের পানির অধিকার হরণ করে, তাহলে পাকিস্তান সামরিক শক্তি দিয়ে তা ধ্বংস করবে—এমনকি তা পরমাণু হামলা করে হলেও।”

আরেকজন বিশ্লেষক আরও স্পষ্ট করে বলেন, “যেহেতু পানি আমাদের জাতীয় স্বার্থের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতৃত্ব এক মুহূর্ত দেরি না করেই পদক্ষেপ নেবে এবং সেই স্থানে হামলা করবে না যা পাকিস্তানের পানি সরবরাহকে বিপন্ন করে।”

ভারতের রাজনৈতিক চাল:

পাকিস্তানের সাবেক সিন্ধু পানি কমিশনার জামাত আলী শাহ মনে করেন, ভারতের এই সিদ্ধান্ত “রাজনৈতিক কৌশল ও জনমত শান্ত করার একটি প্রচেষ্টা”। কারণ চুক্তি অনুযায়ী, এটি একতরফাভাবে বাতিল বা স্থগিত করা সম্ভব নয়। যেকোনও পরিবর্তনের জন্য দুই দেশের পারস্পরিক সম্মতি প্রয়োজন। তিনি বলেন, “এই চুক্তি স্থায়ী এবং কোনও একপক্ষের সিদ্ধান্তে এর অবসান ঘটানো যাবে না।”

তবে ভারতীয় কর্মকর্তারা বলছেন, তারা “স্থগিত” শব্দটি ব্যবহার করেছে “বাতিল” নয়—যা ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাংকের সামনে একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ভারতের দাবি, পাকিস্তান যদি তাদের নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান করে, তাহলে চুক্তি আবার কার্যকর হতে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ এপ্রিল ২০২৫/মওম

জিসাস এর প্রতিষ্ঠাতা আবুল হাশেম রানার সিরাজগঞ্জে ৫ম মৃত্য বার্ষিকী পালন 

প্রতিনিধি,সিরাজগঞ্জ:

জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাস সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির আয়োজনে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ পৌর নিউ সুপার মার্কেটে এক স্বরন সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

সহ-সভাপতি মো, আতিকুর রহমান খন্দকারের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল হকের উপস্থাপনায় উক্ত দোয়া মাহফিলে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাস এর সকল নেতাকর্মী বক্তব্য রাখেন, তারা বলেন, মরহুম আবুল হাশেম রানা ছিলেন একজন প্রকৃত জিয়ার সৈনিক,শহীদ জিয়ার আদর্শ নিয়েই তিনি গড়ে তুলেছেন জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাস,হাটি হাটি পা পা করে ৩৩ টি বছর অতিক্রম করেছে জিসাস। মানুষের ভালোবাসার একটি সংগঠন জিসাস অথচ যে মানুষের জন্য আমরা জিসাস পেয়েছি তিনি আর আমাদের মাঝে নেই,অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে চাই তাকে ছাড়া জিসাস সত্যিই একটা শুন্য জায়গায় রয়েছে। তাকে হারানোর শুন্যতা কখনোই পুরন হবার নয়। তার দেখানো পথেই আজ আমরা জিসাস কে নিয়ে চলেছি,  সিরাজগঞ্জের বুকে জিসাস একটি আস্থার সংগঠন, একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন যা মানুষের বেচে থাকবে সারা জীবন, আর সংগঠনের মাঝেই আমাদের প্রিয় নেতা আবুল হাশেম রানা ভাই থাকবে সকলের মনে,তার দীর্ঘ আয়ু কামনা করছি মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতে উচ্চ মাকামে দান করেন।

এছাড়াও সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন, , সহ- সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ, আখি সরকার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মারুফ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আপন আহমেদসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম

অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে ডা. তাসনিম জারার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ!

আলোকিত ডেস্ক : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারার বিরুদ্ধে অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী। একই সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধেও।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এ নোটিশ পাঠান তিনি।

আইনি নোটিশে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, লাইকিসহ সব অনলাইন মাধ্যমে অশ্লীল ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও, বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা বন্ধে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

এতে অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশের নামিদামি সেলিব্রেটি এবং শোবিজ মডেল ও তারকা তাদের নিজস্ব ফেসবুক পেজ এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্টে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন অশ্লীল ভিডিও ও বিজ্ঞাপন প্রমোট করছেন। অনেক ডাক্তার নিজেদের ভিউ বাড়ানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ওষুধ এবং সামগ্রীর বিক্রয়ের জন্য অশ্লীল ভিডিও এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করেন তারা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন 

মো:ওমর ফারুক ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : আওয়ামী সরকারের দোসর মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের অপকর্ম তুলে ধরায় আমার দেশ পত্রিকার সাহসী সম্পাদক ও প্রকাশক মাহমুদুর রহমানসহ পত্রিকার চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে আমার দেশ পাঠকমেলা কিশোরগঞ্জ উপজেলা শাখা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ছাত্রসহ সর্বস্তরের জনগণ।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বেলা তিন টায় প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপি স্থানীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার আমার দেশ পত্রিকার ছাপাখানা নষ্ট ও পত্রিকাটি বন্ধ করে কন্ঠরোধ করে রেখেছিল।  যাতে আমার দেশ সত্য লিখতে না পারে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে একশোর অধিক মামলা দিয়েই ছাড়েননি, সন্ত্রাসী দিয়ে তাকে কোর্টে হত্যার চেষ্টাও করেছে।
এরপরও আমার দেশ পত্রিকার সাহসী সম্পাদক মাহমুদুর রহমান অন্যায়ের সাথে কোনদিন আপোষ করেননি। সেই আওয়ামী সরকারের দোসর মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের অপকর্ম তুলে ধরায় আমার দেশ পত্রিকার সাহসী সম্পাদক ও প্রকাশক মাহমুদুর রহমানসহ পত্রিকার চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করা হয়েছে। যাতে পত্রিকাটি সত্য লিখতে না পারে। সেটা এই নতুন বাংলাদেশে সম্ভব নয়। আমার দেশ’র সাথে গোটা বাংলাদেশের মানুষ রয়েছে। তাই অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারসহ আওয়ামী সরকারের দোসর মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের অপকর্মের বিচারের দাবী করা হয় মানববন্ধন ও সমাবেশে।
মানববন্ধন ও সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন আমার দেশ পত্রিকার কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি আবু হাসান শেখ। আমার দেশ পাঠকমেলার মঞ্জুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রশিদ শাহ, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আখতারুজ্জামান বাদল, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী ফেরদৌস আলম, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম রতন, শিক্ষক ও পাঠকমেলার সদস্য শিক্ষক শহিদুল ইসলাম,  কিশোরগঞ্জ উপজেলা দোকান মালিক সমিতির সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শিব্বির আহম্মেদ, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন বাবু, নয়া দিগন্তের উপজেলা প্রতিনিধি শাহজাহান সিরাজ,দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি মাফি মহিউদ্দিন প্রমুখ।
আমার দেশ পাঠকমেলা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, প্রেস ক্লাবসহ সাংবাদিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন, সুশীল সমাজ, শিক্ষক, ছাত্রসহ সর্বস্তরের জনগণ মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী,কয়েকটি চুক্তি সই হতে পারে 

আলোকিত ডেস্ক:  

আগামী রবিবার দুই দিনের সরকারি সফরে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। ইসহাক দারের সফরকালে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিষয় চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ‘কয়টি চুক্তি সই হবে- তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।’ এই সফরকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যা বিগত ১৩ বছরের মধ্যে কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম সফর। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দুই দেশের সম্পর্কের অচলাবস্থা নিরসনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার জন্য এই সফরকে কূটনীতিকরা একটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইলে এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর হওয়া অপরিহার্য।’ তিনি আরও বলেন, পুনরায় একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কার্যকরী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য ঢাকা এবং ইসলামাবাদ উভয়ই এখন গভীর আগ্রহ দেখাচ্ছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ শাসনামলে দক্ষিণ এশীয় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তীব্র অবনতি ঘটেছিল। এ সময় উভয় দেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনমন হয়েছিল এবং এক দেশ অপর দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা দেওয়া উল্লেখযোগ্য হারে সীমিত করেছিল।

স্বাধীনতা-পূর্ব সম্পদের বিভাজন থেকে উদ্ভূত আর্থিক পাওনা নিষ্পত্তিসহ দীর্ঘকাল ধরে বেশ কয়েকটি অমীমাংসিত ঐতিহাসিক ইস্যুগুলোর সমাধান ইসলামাবাদ করবে- এমনটাই আশা করে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, ‘ভাগ করা সম্পদের কোন অংশ কে পাবে সেটি সমাধান করা দরকার।’

সফরসূচি অনুযায়ী, ইসহাক দার রোববার বিকালে একটি বিশেষ বিমানে ঢাকায় পৌঁছবেন এবং সোমবার সন্ধ্যায় দেশের পথে রওনা হবেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং দার সোমবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ‘তিনি (দার) বিকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।’  তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের ফরেন অফিস কনসালটেশন বা এফওসি অনুষ্ঠানে এই সফরের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়। এই এফওসি ছিল ১৫ বছরের মধ্যে দুটি দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠক।

এফওসি-পরবর্তী এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের প্রত্যাশায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। গ্রুপটির কাজ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করা।’

এফওসি-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা ইসলামাবাদকে ঐতিহাসিক অভিযোগগুলো সমাধান করতে ‘দৃঢ় দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি’ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত গণহত্যার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়া এবং স্বাধীনতা-পূর্ব সম্পদের সঙ্গে সম্পর্কিত বকেয়া ও আর্থিক সমস্যার সমাধান।

উত্থাপিত মূল বিষয়গুলোর মধ্যে আরও ছিল- আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসন, অবিভক্ত সম্পদের সুষম বণ্টন, ১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রাপ্ত বিদেশি সাহায্য হস্তান্তর এবং ১৯৭১ সালে তৎকালীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত নৃশংসতার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়া।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দকৃত ২০ কোটি মার্কিন মার্কিন ডলার, অপরিশোধিত বৈদেশিক অনুদানের পাশাপাশি বাংলাদেশ স্বাধীনতা-পূর্ব সাধারণ সম্পদের ৪.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত দেওয়ার দাবি করেছে।

উচ্চপর্যায়ের সফর সম্পর্কে ঢাকার পররাষ্ট্রবিষয়ক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক এফওসির রাজনৈতিক ফলোআপের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে।বিশেষ করে ১৯৭১ সালের গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং সম্পদ নিষ্পত্তির বিষয়ে ইসলামাবাদের অবস্থান কী হতে পারে সে সম্পর্কে।

সাবেক কূটনীতিক এবং বৈদেশিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীর বলেন, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সফরের সময় এফওসিতে উত্থাপিত বিষয়গুলো কিছু ফলাফল বয়ে আনতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি এফওসিতে উঠে এসেছে এবং যদি ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে পুরোনো ক্ষত দূর করা সম্ভব হয়, তাহলে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য ইসলামাবাদের এই ব্যাপারে আপত্তি থাকার কোনো কারণ নেই।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান বলেন, ইসহাক দারের ঢাকা সফরের সময় এফওসি পর্যায়ে আলোচনার ফলোআপ রাজনৈতিক পর্যায়ের আলোচনায় দিকনির্দেশনা পেতে পারে। ‘আমরা পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে যে আলোচনা হয়েছিল তার ফলোআপ দেখতে পাব বলে আশা করছি। সাবেক রাষ্ট্রদূত রহমান ইসলামাবাদে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম

ভয়াবহ অপরাধী আ.লীগ নেতাদের জামাই আদরে আদালতে হাজির করা হচ্ছে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ভয়াবহ অপরাধী আওয়ামী নেতাদের জামাই আদরে আদালতে হাজির করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার দাবি, গণহত্যাকারী হাসিনার বাহিনীর নেতারা দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের ভয়াবহ অপশাসনের জন্য ক্ষমা চাওয়া তো দূরে থাক, উল্টো আদালতে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। হাজারও শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আরও বড় ফ্যাসিস্ট হয়ে ফিরে আসার হুমকি দিচ্ছে।

২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। রিজভী বলেন, দীর্ঘ রক্তঝরা আন্দোলনের অব্যবহিত পর থেকে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দেশের গণতান্ত্রিক শক্তির প্রত্যাশার প্রতিফলন খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। হয়ত কিছু কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি থাকলেও গণতন্ত্রকে মজবুত কাঠামো তৈরির প্রস্তুতির অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। পতিত স্বৈরাচারের খুনের আসামিরা প্রকাশ্যে আদালতে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়ার বিচার চেয়ে বক্তব্য রাখে।

জুলাই-আগস্টের শাজাহান খান গংরা আদালতে এসে সরকারকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, আদালতকে ভেংচি কাটছে, পুলিশকে থোড়াই কেয়ার করছে। হাসিনার দোসররা আসামি হয়েও আদালতে যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে তা মূলত অন্তর্বতী সরকারকে ‘অকার্যকর’ প্রমাণের এক গভীর চক্রান্ত।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ প্রশাসন নীরবতায় তারা এমন আচরণ করছে বলে মনে করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাসিনার অলিগার্করা ‘সর্ষের ভেতর ভূত’ হয়ে থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পথে-ঘাটে, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের কোনো কমতি নেই মন্তব্য করে রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার একটি ভরসা হচ্ছে পাচার করা টাকা, সেই টাকার জোরে দেশে নানা ঘটনা ঘটিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে।

প্রশাসনের কতিপয় ব্যক্তির সহযোগিতায় আওয়ামী লীগ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে ঝটিকা মিছিল করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে বলে দাবি রিজভীর। তিনি আরও বলেন, আঘাত করছে বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঘর-বাড়িতে। ভাস্কর মানবেন্দ্র ঘোষের মানিকগঞ্জের বাড়ি আগুন দিয়ে ভস্মীভূত করা হয়েছে। আওয়ামী দুঃশাসনের ২৮ লাখ কোটি টাকা পাচারের সঙ্গে যুক্তরা আজও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে বলেও উল্লেখ করেন রিজভী। তিনি বলেন, সুতরাং হাট-বাজার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সেক্টরে ফ্যাসিস্টদের সিন্ডিকেট তৎপরতা বহাল তবিয়তে কাজ করে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম

কৃষকদেরকে হয়রানি বরদাস্ত করা হবে না: ডিজি

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোনায় অভ্যন্তরীন বোরো সংগ্রহ (ধান ও চাল) ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মোহনগঞ্জ এলএসডি খাদ্য গোদামে জেলা প্রশাসন এবং খাদ্য বিভাগ, নেত্রকোনা এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধান অতিথি হিসেবে অভ্যন্তরীন বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর। জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইমরুল কায়েস এর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম।
অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক ) রাফিকুজ্জামান, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মোয়েতাছেমুর রহমান, মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর শাকুর সাদী,মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম (পিপিএম), মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপির আহবায়ক ফজলুল হক মাসুমসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, এলাকার ব্যাক্তিবর্গ ও কৃষকবৃন্দ। প্রধান অতিথি হিসেবে মহাপরিচালক মোঃ আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর বলেন, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলা ও বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ করে। কৃষকরা যাথে সরকারি বিধি বিধান মেনে সরাসরি খাদ্য গোদামে ধান দিতে পারে তার জন্য খাদ্য কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা সহিত কাজ করার আহবান জানান। খাদ্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কৃষকদের হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি হুসিয়ারি উচ্চারন করেন বলেন, কৃষকদেরকে হয়রানি করা হলে তা কিছুতেই বরদাস্ত করা হবে না।জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মোয়েতাছেমুর রহমান জানান, চলতি বোরো মওসুমে নেত্রকোনায় ৩৬ টাকা কেজি দরে মোট ১৩ হাজার ৪ শত ৩২ মেট্রিক টন ধান এবং ৪৯ টাকা কেজি দরে ৬১ হাজার ১ শত ৬১ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরে উপজেলা পরিষদ মাল্টি পারপাস হল রুমে স্থানীয় কৃষকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/২৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম