আজ , ।   
Home Blog Page 393

হাতিয়াতে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজের দুই দিন পর মেঘনার পাড়ে মিলল পুলিশ সদস্যের মরদেহ

প্রতিনিধি,নোয়াখালী:
নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির দুই দিন পর নিখোঁজ পুলিশ সদস্য মো. সাইফুল ইসলামের (২৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২ জুন) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের দরবেশ বাজার সংলগ্ন মেঘনার পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাইফুল লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার চরশাহী গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি নোয়াখালী জেলা পুলিশ লাইনসে কর্মরত ছিলেন। পেশাগত দায়িত্বে গত তিন বছর ধরে নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কর্মরত ছিলেন সাইফুল।
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের দরবেশ বাজারের দক্ষিণে চরের সঙ্গে মেঘনা নদীর পাড়ে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে ছবি উঠিয়ে পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা পরিচয় নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় সাইফুলের সহকর্মী ও পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে ভাসানচর থেকে ৪জন পুলিশ সদস্য, রোহিঙ্গা রোগী, আনসার সদস্য ও বিভিন্ন এনজি সংস্থার লোকসহ  ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার হরণী ইউনিয়নের আলী বাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। যাত্রা পথে ভাসানচর থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে গিয়ে করিমবাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, বিকেলে মরদেহটি ঢেউয়ের সঙ্গে কিনারায় ভেসে উঠে। সাইফুলের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ৩৯জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এর মধ্যে ৩৫জনকে জীবিত উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মোট তিনজন মারা যায়। এখনো তামিম নামে এক রোহিঙ্গা শিশু নিখোঁজ রয়েছে। কোস্টগার্ড বর্তমানে নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০২জুন ২০২৫/মওম

নির্বাচন ডিসেম্বরের পরে যাওয়ার কোন কারণ নেই: সালাহউদ্দিন

আলোকিত ডেস্ক:

নির্বাচন ডিসেম্বরের পরে যাওয়ার একটিও কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ২ জুন সোমবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা খুবই সম্ভব। এর আগে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ করে নির্বাচনমুখী সংস্কারগুলো চিহ্নিত করে আমরা বাস্তবায়ন করি। এমন কোনো সংস্কার নেই যেগুলো এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। আমরা ইতোমধ্যে খবর পেয়েছি, আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেকগুলো সংশোধনী এসেছে। যেগুলো বাস্তবায়ন হয়েছে। কিছু কিছু অফিস আদেশেও করা সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন ডিসেম্বরের পরে যাওয়ার একটিও কারণ নেই। রাজনৈতিক দলের প্রায় সবাই ডিসেম্বরের আগে নির্বাচনের প্রস্তাব করেছে।’

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা সংস্কার কমশিনের বিস্তারিত রিপোর্টের ওপর বিস্তারিত মতামত দিয়েছি। আমরা আলাপ করতে গিয়েছি। আমরা আমাদের মতমত দিয়েছি। সংবিধান সংক্রান্ত কিছু কিছু বিষয় তারা হয়তো একমত পোষণ করতে পারে। সবাই একমত পোষণ করবে না, এটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’

আলোকিত প্রতিদিন/০২জুন ২০২৫/মওম

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে মানিকগঞ্জে ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠিত

মো: মহিদ:
ক্রীড়া পরিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৪-২৫ এর আওতায় আজ মানিকগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে অটস্টিক এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া উৎসব। জেলা ক্রীড়া সংস্থার মিলনায়তনে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমধর্মী উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড.মানোয়ার হোসেন মোল্লা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন,অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার আক্তার বন্যা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, এমডিপিওডির প্রধান মোঃ এন্তাজ আলী, ডি আর আর এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন এবং সুইট বাংলাদেশের শারমিন আরা। ক্রীড়া উৎসবে মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি বিশেষায়িত বিদ্যালয়ের মোট ৬০ জন শিশু প্রতিযোগী বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করে। উৎসবটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মাঝে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে উৎসাহ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অনুষ্ঠানের শেষে প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং অতিথিরা সবাই এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/০২জুন ২০২৫/মওম

ভবিষ্যতে পুরোদমে কৃষি কাজ করব: শবনম বুবলী

বিনোদন ডেস্ক, ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। বর্তমানে তিনি ব্যস্ত আছেন নতুন সিনেমার শুটিংয়ে। রাশেদা আক্তার লাজুকের পরিচালনায় এর প্রাথমিক নাম ‘শাপলা শালুক’। এতে বুবলীর বিপরীতে অভিনয় করছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল।

এদিক আজ রবিবার নায়িকা তার ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিগুলোতে বুবলীকে পাওয়া গেছে সবুজে ঘেরা প্রকৃতির মাঝে। আর তিনিও জানালেন, ভবিষ্যতে কৃষি কাজ করবেন তিনি!

ফেসবুক পোস্ট বুবলী লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে পুরোদমে কৃষি কাজ করব। ফুল, ফলমূল, শাক সবজি চাষ করব। হাঁস মুরগি, গরু ছাগল পালব। কারণ প্রকৃতি একটু বেশিই সুন্দর, তাই প্রকৃতির খুব কাছে থাকতে চাই আমি।

বুবলীর এমন পোস্টে তার অনুসারীরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। অধিকাংশই মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, খুব ভালো উদ্যোগ আপনার।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

অফিস বন্ধের আগে প্রিপেইড মিটারে রির্চাজ এবং জুনের মধ্যে বকেয়া বিল আদায়ের আহ্বান 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
চলমান জুন মাসে বকেয়া বিদ্যুৎ পরিশোধ ও আসছে পবিত্র ঈদুল আজহার অফিস বন্ধের মধ্যে অনাকাঙ্খিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়াতে বন্ধের পূর্বে প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ করার জন্য গ্রাহকদের অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী  মোঃ কাদের গণি।
তিনি জানান, নিয়মিত বিদ্যুৎ সেবা পেতে ও ঈদুল আজহার সময়  অফিস বন্ধ থাকার কারণে প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ সমস্যা হতে পারে । তাই অফিস খোলা থাকাকালিন মিটারে পর্যাপ্ত রির্চাজ করে বিদ্যুৎ বিভ্রাট থেকে যেন রক্ষা পায় সেজন্য সকল গ্রাহকের নিকট মিটারে রিচার্জ এবং বকেয়া বিল পরিশোধের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজার অফিস সূত্রে জানা যায়,  বাড়ি, অফিস, বা ব্যবসা প্রতিষ্টান যেকোন জায়গার বিদ্যুৎ সংযোগ সচল রাখতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা অতীব জরুরি।
 বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের  জন্য বিউবোর বিধি মোতাবেক  বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান  অফিস কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে প্রিপেইড গ্রাহকগণের পূর্বের বকেয়া থাকায় বর্তমান প্রিপেইড মিটার সংযোগ সংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে । রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে  বকেয়া পরিশোধ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী কাদের গণি।
আলোকিত প্রতিদিন/০২জুন ২০২৫/মওম

লিপস্টিক থেকে ফেসওয়াশ, দাম বাড়ছে যেসব প্রসাধনীর!

আলোকিত ডেস্ক, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে লিপস্টিক, ফেসওয়াশসহ বেশ কিছু প্রসাধনী পণ্যের আমদানির ন্যূনতম মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে করে বিদেশি প্রসাধনী পণ্যে শুল্কায়ন মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে এখন থেকে।

সোমবার (০২ জুন) বিকেল ৩টায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম বাজেট এবং দেশের ইতিহাসে ৫৪তম জাতীয় বাজেট। সংসদ না থাকায় অর্থ উপদেষ্টার বাজেট বক্তৃতা বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার করা হয়েছে।

নারীদের ব্যবহৃত লিপস্টিক, লিপ লাইনার, লিপগ্লস, লিপজেল, আইশ্যাডো, আইলাইনার, আইব্রো পেন্সিল, মাশকারা, মেনিকিউর-পেডিকিউরে ব্যবহৃত জেল, ফেস ক্রিম, ময়েশ্চার লোশন, ফাউন্ডেশন, ফেসওয়াশ, মেহেদি এবং মেকআপ কিট-যা বর্তমানে মূলত আমদানি নির্ভর।

এ ছাড়াও এবারের বাজেটে সিগারেট, এসি-ফ্রিজ, মোটরসাইকেল ও সাইকেলের যন্ত্রাংশ, রড ও স্টিলসহ অনেক পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কাঁচা বাজারে অস্থিরতা

মোঃ আনোয়ার হোসেন: 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গত ২৯ মে থেকে  ২ জুন রবিবার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৃষ্টি হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সদর বাজারে কিছু পণ্য সরবরাহে ঘারতি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সবজি বাজারে পণ্য সরবরাহ পরিস্থিতির কারণে হুট করে কোন কোন সবজির দাম বাড়তে দেখা যায়। সবজি ছাড়া প্রায় সব পণ্য বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।
 ২ জুন সোমবার সদর বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। নবীনগর সদর বাজারে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এর আগের  পটল, ঢেড়স ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি সবজি প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকার মধ্যে ছিল, দাম বেড়ে তা এখন বিক্রি হচ্ছে  ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে । এ ছাড়া কাকরোল, বরবটি, কচুর লতি, উস্তা, বেগুন বিক্রিহত ৬০-৭০ টাকার মধ্যে,বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। কাঁচা মরিচের ঝাজ একটু বেড়েছে আগে প্রতি কেজি বিক্রি হতো ৭৫- ৮০ টাকায়। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। অবশ্য মুরগির দাম একটু কমেছে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় যা গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে দাম কমেছে ১০ টাকা। সোনালি মুরগির দামও কেজিতে ২০ টাকা কমে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৬০ টাকায়। তবে দেশি মুরগির দাম আগের মতই প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে। একজন মুরগি বিক্রেতা জানান- “ব্রয়লারের চাহিদা এখন সবচেয়ে বেশি। অনেকে বেশি করে কিনে ফ্রিজে রেখে দিচ্ছেন। তবে ঈদের আগে দাম একটু বাড়বে নিশ্চিত”।
মুরগির দাম কম কমলেও ডিমের দাম সামান্য বেড়েছ। বিক্রি হচ্ছে- প্রতি ডজন  ১৩৫-১৪৫ টাকায়। বাজারের একজন পাইকারি ডিম বিক্রেতা বলেন-“বর্ষার এই সিজনে অন্যান্য বছর ডিমের দাম আরো বেশি থাকত”।
নবীনগর বাজারে মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকায়। খাসির মাংসের দাম ১ হাজার থেকে ১১০০ টাকায়। মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কোন কোন মাছ ধরতে না পারায় মাছের দাম সামান্য বেড়েছে। আজকে বাজারে- প্রতি কেজি রুই মাছ (মাঝারী সাইজ) বিক্রি হচ্ছে ৩০০–৩৫০ টাকায়, কাতল ৩৫০–৪০০ টাকা, পাবদা ৩০০–৪০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০–৮০০ টাকা, টেংরা ৬০০–৭০০ টাকা, শিং ৩০০–৩৫০ টাকা, কৈ ২৫০–২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০–২২০ টাকা ও পাঙাশ ১৮০–২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি শিং ও কৈ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে ১২০০ ও ১০০০ টাকায়। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয় – আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মুরগিসহ সব ধরনের মাংস ও মাছের দাম কিছুটা বাড়তে পারে। বাজারে সরকারি ভাবে নজরদারি না বাড়ালে এর প্রভাব পড়বে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর।
আলোকিত প্রতিদিন/০২জুন ২০২৫/মওম

গোয়ালন্দে কৃষকের মাঝে গাছ এবং কৃষি উপকরণ বিতরণ 

সোহেল রানা চৌধুরী:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের অংশ হিসেবে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ১৫১ জন উপকার ভোগি কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
২রা জুন সোমবার সকালে গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে এ উপকরণ বিতরণ করে। উপকরণের মধ্যে ছিলো,৪টি ফলজ চাঁরা,৬ কেজি  রাসায়নিক সার, ১টি নেটের বেড়া, তিন মৌসুমের জন্য ২২ ধরনের সবজি বীজ ও পুন স্থাপন সাইনবোর্ড।
এবিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ খোকন উজ্জামান জানান,এই ধরনের প্রকল্পের মাধ্যমে  সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রতিটি পরিবারের জন্যে বিষমুক্ত সবজি চাষ এবং পুষ্টি চাহিদা পুরন করা সম্ভব।
আলোকিত প্রতিদিন/০২জুন ২০২৫/মওম

বাড়ছে সিগারেট, জর্দা ও গুলের দাম!

বিশেষ প্রতিনিধি, তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো এবং এই খাত থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেট, জর্দা ও গুলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এবার তামাক বীজ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি আরোপ ও কিছু কাঁচামাল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো প্রস্তাব করায় এবার সিগারেট, জর্দা ও গুলের দাম আবার বাড়ছে।

সোমবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় এ প্রস্তাব করা হয়।

এতে বলা হয়, সিগারেট, জর্দা, গুল ইত্যাদি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে উচ্চহারে শুল্ক আরোপিত আছে। অন্যদিকে তামাক বীজ আমদানিতে প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি ০%, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিবেচনায় তামাক চাষকে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে আগের এইচএস কোড বিভাজন করে তামাক বীজের জন্য নতুন এইচএস কোড সৃজন করা হবে, যা আমদানিতে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি আরোপ করা যায়।

অন্যদিকে আরেক প্রস্তাবে বলা হয়, তামাকজাতীয় পণ্যের শুল্ক ফাঁকি সংক্রান্ত বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। প্রতিবেদনে সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত উপকরণ বা কাঁচামাল বাণিজ্যিকভাবে আমদানি নিরুৎসাহিত করার বিষয়ে বলা হয়েছে।

ওই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সিগারেট উৎপাদনের মূল্য কাঁচামাল পেপার আমদানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সে ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য পেপার আমদানিতে ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা যেতে পারে। একই সঙ্গে অন্য একটি কাঁচামাল অ্যাসিটেট টো এবং অ্যাসিটেট ফিল্টার রড আমদানির ক্ষেত্রে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো সম্পূরক শুল্ক আরোপিত নেই।

তাই কেবল বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে এই পণ্য আমদানিতে ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণ করা যেতে পারে। এ লক্ষ্যে এসআরও সংশোধনী আনা যায়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পাকিস্তানের কাছে যুদ্ধবিমান হারানোর স্বীকারোক্তিতে চাপে মোদি সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল কিনা, এ নিয়ে এতদিন জল্পনা চলছিল ভারতে। আর সেটিরই ইতি টেনেছেন দেশটির সেনা সর্বাধিনায়ক অনিল চৌহান। এতে বিরোধীদের সমালোচনায় বিদ্ধ হচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

কাশ্মিরের পেহেলগামে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে এপ্রিলে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ভারতের অপারেশন ‘সিঁদুরের পর’ পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের সামরিক বাহিনী সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।

পাকিস্তান জানায়, ভারতীয় বিমান বাহিনীর রাফাল যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে তারা। এ নিয়ে নয়াদিল্লি এতদিন নীরব থাকলেও মুখ খুলেছেন ভারতের সেনা সর্বাধিনায়ক।

গত ১০ মে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি ঘোষিত হয়। তারপর তিন সপ্তাহ কেটে গেলেও ভারত সরকার এ ব্যাপারে কিছু বলেনি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও কিছু বলা হয়নি। অবশেষে মুখ খুললেন ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বা সর্বাধিনায়ক অনিল চৌহান।

সিঙ্গাপুরে সাংগ্রিলা ডায়লগে অংশগ্রহণ করার ফাঁকে বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। ব্লুমবার্গ টিভির প্রশ্নে চৌহান কার্যত স্বীকার করেন, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের আঘাতে ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে।সর্বাধিনায়ককে প্রশ্ন করা হয়, পাকিস্তান কি ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল? এক বা একাধিক? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি চৌহান। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়া বা তার সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কেন সেটা ধ্বংস হল, সেটা গুরুত্বপূর্ণ।”

সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, তার মানে অন্তত একটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান পাকিস্তানের হামলায় ধ্বংস হয়েছিল? এর জবাবে সংক্ষেপে ‘হ্যাঁ’ বলেন চৌহান। তার ভাষায়, “গোটা ঘটনার ইতিবাচক দিক, আমরা কৌশলগত ভুলটা দ্রুত ধরে ফেলেছি। ভুল শুধরে নিয়ে দুদিনের মধ্যে আবার নতুন কৌশল প্রয়োগ করেছি।”

সাংবাদিক সরাসরি প্রশ্ন করেন, “পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের হামলায় ভারতের অন্তত ছয়টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। এটা সত্যি?” এই প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে দেন চৌহান।

সেনা সর্বাধিনায়কের মন্তব্য সামনে আসার পরে বিরোধীরা নিশানা করেছে মোদি সরকারকে। তারা প্রশ্ন তুলেছে গোপনীয়তা নিয়ে। দেশবাসীকে এই বিষয়ে না জানানোর উদ্দেশ্য নিয়েও সমালোচনা করেছে তারা।

দেশের মানুষের আগে বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে তা কেন জানানো হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। তিনি সমাজমাধ্যমে প্রশ্ন করেন, “বিদেশি সংবাদমাধ্যম কেন প্রথমে এই খবর বের করবে? এই তথ্যগুলো কেন প্রথমে ভারতীয়দের, দেশের সংসদকে এবং জনপ্রতিনিধিদের জানানো হয়নি?”

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বক্তব্য, “সর্বাধিনায়কের মন্তব্য নিয়ে আলোচনা করা উচিত সংসদের বিশেষ অধিবেশনে। কেন্দ্রীয় সরকার গোটা দেশকে বিভ্রান্ত করেছে। যুদ্ধ নিয়ে ধোঁয়াশা এখন অনেকটাই স্পষ্ট।”

কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “আমাদের পাইলটরা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। আমাদেরও কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা পাইলটদের সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই।”

কংগ্রেসের দাবি, কারগিল যুদ্ধের পরে যেভাবে পর্যালোচনা কমিটি তৈরি করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে হবে। তারা যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি তদন্ত করে দেখবে।

এছাড়াও কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের প্রশ্ন রয়েছে যুদ্ধবিরতি ঘিরে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি হয়েছে কিনা, এ নিয়েও সরকারের জবাব চাইছে তারা। এ বিষয়েও ব্লুমবার্গ টিভি সেনা সর্বাধিনায়ককে প্রশ্ন করলেও সরাসরি জবাব দেননি চৌহান।

খাড়গে বলেন, “যুদ্ধবিরতির শর্ত কী ছিল? তাহলে কি কোথাও সমঝোতা হয়েছে? আমাদের কি আপস করতে হয়েছে?”

শুক্রবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি বাণিজ্য বন্ধের কথা বলে দুই দেশকে সংঘর্ষবিরতির পথে নিয়ে এসেছেন। তার বক্তব্য, “আমি স্পষ্ট বলে দিয়েছিলাম, এমন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চালাতে পারবো না, যারা পরস্পরের দিকে গুলি ছুঁড়ছে। পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের পথে হাঁটছে। এটা বুঝতে পেরে ওরা সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়েছে।”

ট্রাম্পের বক্তব্য, “যুদ্ধ থামাতে সক্ষম হওয়া আমার কাছে গর্বের। ওরা যেটা বুলেট দিয়ে করতে চেয়েছে, আমরা বাণিজ্য দিয়ে করেছি”। তবে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে পরমাণু যুদ্ধের কোনো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে সেনা সর্বাধিনায়ক মানতে চাননি।

তিনি বলেন, “পারমাণবিক যুদ্ধ ও সাধারণ সংঘর্ষের মধ্যে অনেক তফাৎ। পরমাণু যুদ্ধ পর্যন্ত পৌঁছাতে অনেকগুলো পর্যায় অতিক্রম করতে হয়। পরমাণু যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি আদতে তৈরি হয়নি।”

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রধান, অধ্যাপক রাজাগোপাল ধর চক্রবর্তী বলেন, “আমাদের বিমান বাহিনীর যিনি প্রধান, তিনি বারবার বলেছেন- যে সমস্ত বিমানের অর্ডার দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো সময় মতো আসেনি।  এরপরই অনিল চৌহানের এই স্বীকারোক্তিতে বোঝা যাচ্ছে, ভারতের প্রতিরক্ষা কাঠামো যতটা সুরক্ষিত ভাবা হচ্ছিল, ততটা হয়তো সুরক্ষিত নয়। আমাদের ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে- পাকিস্তানের চীনা বিমান প্রতিরক্ষা সিস্টেম কাজ করেনি। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে চীনা যুদ্ধবিমান খুবই কার্যকরী। সেগুলো আমাদের যুদ্ধবিমান ভেঙে দিয়েছে। এখনো স্পষ্ট নয় যে কোন বিমান ভেঙে পড়েছে, অত্যাধুনিক রাফাল নাকি প্রাচীন মিগ।”

তবে এই তথ্য প্রকাশ্যে না এনে কি কেন্দ্র ঠিক কাজ করেছে? সমর-সাংবাদিক সুমন ভট্টাচার্য বলেন, “যতদিন অপারেশন সিঁদুর চলছিল, ততদিন এটা নিয়ে সেনাবাহিনীর তরফে বিবৃতি দেওয়া কোনো উচিত কাজ নয় বলেই মনে হয়। যতদিন অপারেশন চলে বা সেনাবাহিনী এ ধরনের কাজ করে, ততদিন তারা এসব বিষয় নিয়ে জানায় না। ফলে অনিল চৌহান যে দেরিতে মুখ খুলেছেন, এটা অস্বাভাবিক নয়।”

রাজাগোপালের বক্তব্য, “যুদ্ধ যেহেতু শেষ হয়নি, তাই সরকারের কাছে আমরা এ ব্যাপারে বিশদ তথ্য দাবি করতে পারি না। জাতীয় সুরক্ষা বা সেনাবাহিনীর নৈতিক বলের কথা ভেবে সরকার এসব তথ্য নাও দিয়ে থাকতে পারে।”

দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মইদুল ইসলাম বলেন, “যুদ্ধের সময় এসব বলা যায় না, সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে যেতে পারে। জনগণের মধ্যেও একটা অন্যরকম প্রতিক্রিয়া হতে পারে, তারা উদ্বিগ্ন হতে পারে এটা ভেবে যে, আমাদের যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হলো, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে না। এখন সংঘর্ষবিরতি হয়ে গিয়ে, তারপরে বিষয়টি বলা হয়েছে।”

রাজাগোপাল বলেন, “সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে প্রতিরক্ষা কর্তার বক্তব্যের পার্থক্য আছে। বিমান কেন ধ্বংস হয়েছে, সরকার সেটা সময় মতো মানুষকে জানাবে। ভারত সরকারের উচিত, দেশের মানুষকে এ সব বলা অথবা কাউকে না বলা। দেশের মানুষ ভাবতেই পারেন যে, বিদেশি সংবাদমাধ্যম সরকারের কাছে যতটা আপন, ততটা দেশের মানুষ নন। এ ধরনের চিন্তাধারা মানুষকে অনেক সময়ে বিভ্রান্ত করতে পারে। বিরোধীরা সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন এটাকে ব্যবহার করার।”

রাজাগোপাল বলেন, “২০১৯ সালে বালাকোট অভিযান করেই বিজেপি জিতেছিল। রাজনীতিতে সরকারের বীরত্বের একটা ভূমিকা আছে। মানুষ খেতে পাক বা না পাক, চাকরি পাক বা না পাক, দেশ অনেকটা এগিয়েছে, এটা মানুষকে গর্বিত করে। যারা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ভোটের সুফল পায়, তাদের ক্ষেত্রে মানুষের এই চিন্তাভাবনা অনেক ভোট এনে দেয়। এবার যদি দেখা যায় এটা অনেকটাই ফাঁপা চিন্তাভাবনা, তাহলে ভোটবাক্সে তার প্রভাব পড়বে।”

সুমন ভট্টাচার্যের বক্তব্য, “বিরোধীদের এই প্রশ্নের যৌক্তিকতা আছে যে, এত দাম দিয়ে রাফাল কিনে কতটা যুদ্ধে কাজে লাগলো। রাফাল নিয়ে কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন করে আসছে। ২০১৯ সালের নির্বাচনের সময়ে তাদের বক্তব্য ছিল, রাফাল নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। রাফাল কেনাটা খুব উপযুক্ত সিদ্ধান্ত ছিল না। ফলে অনিল চৌহানের বক্তব্য রাফাল নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিতে পারে বা কংগ্রেসের প্রশ্নচিহ্নকে আরো সংগঠিত করতে পারে।”

মইদুল বলেন, “উত্তর ও পশ্চিম ভারতের ক্ষেত্রে পাকিস্তান নিয়ে একটা উদ্বেগের জায়গা আছে। পাকিস্তানের আক্রমণে তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাদের সমাজ হিন্দু–মুসলমানে অনেকটাই বিভাজিত। পশ্চিমবঙ্গ পূর্ব ভারতে হওয়ায় যুদ্ধের জিগির এখানে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়। বিহারের ক্ষেত্রে নীতীশ কুমার ফ্যাক্টর। সেখানে বিজেপি তার জোটসঙ্গী। পাকিস্তানকে প্রত্যাঘাত ও অনিল চৌহানের স্বীকারোক্তির ফলে নীতীশের নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট বিধানসভা নির্বাচনে কতটা সুফল পাবে, সেটা বলা মুশকিল।”

আলোকিত প্রতিদিন/০২জুন ২০২৫/মওম