আজ , ।   
Home Blog Page 353

রাজশাহীর বাঘায় ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় গ্রে*প্তার-০১

আব্দুল আলিম, রাজশাহীর বাঘায় উপজেলা আহ্বায়ক বিএনপির বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় গোলাম মোস্তফাকে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেল ৩ টায় বাঘা পৌরসভার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানা-পুলিশ। গোলাম মোস্তফা উপজেলার দক্ষিন মিলিক বাঘা গ্রামের  বাসিন্দা মৃত জাকাতুল্লাহ ছেলে ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল হাসান বাবুল  এর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের বাড়িতে শুক্রবার (১৭জানুয়ারি২৫) রাত আনুমানিক রাত ৯ টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণ হামলায় হয়। এ ঘটনা ১৮ জানুয়ারি ফখরুল হাসান বাবুল  বাদি হয়ে ১১২ জন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মিদের আসামী করে নামে মামলা করেন। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)আ ফ ম আছাদুজ্জামান জানান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল হাসান বাবুলের  দায়ের করা মামলায় এজারভ’ক্ত আসামী গোলাম মোস্তফা পালাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইপিজেড বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ!

জোবায়দুর রহমান জুয়েল ক্রাইম রিপোর্টার গাইবান্ধা : রংপুর ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রংপর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচিতে আধিবাসী সাঁওতাল সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেয়।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই)দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শহরের থানা মোড় চারমাথা এলাকায় ২ ঘন্টার বেশি সময় অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। গোবিন্দগঞ্জ সবস্তরের জনতার ব্যানারে আয়োজিত এই অবস্থান কমসুচি চলাকালে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ায় দুভোগে পড়েন যাত্রীসাধারণ। পরে খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জেম হোসেন, থানা পুলিশ ও সেনাবাহীনির হস্তপেক্ষে অবস্থানকারীরা সড়ক থেকে সড়ে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের জায়গায় রংপুর রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রংপুর ইপিজেড) করার সিদ্ধান্ত নেয় বেপজা। সে অনুযায়ী প্রস্তাবিত এলাকার ২৫৪ একর জমি অধিগ্রহণ কাজ চলছে। এই ইপিজেডটি চালু হলে তা হবে দেশের দশম ইপিজেড। কিন্তু কতিপয় স্বার্থন্বেশী মহল ইপিজেড বাস্তবায়ন বাঁধাগ্রস্ত করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণসহ ইপিজেড বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু না হলে আগামিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলে হুশিয়ারি দেন বক্তারা।
অপরদিকে, এই কমসূচি চলাকালে গোবিন্দগঞ্জের কাটামোড় এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কমসূচি করেছে ইপিজেড বিরোধি কতিপয়  সাঁওতালরা। এসময় সাঁওতালরা তীর ধনুক ও ঢোল নিয়ে সড়কে অবস্থান করে তিন ফসলী জমিতে ইপিজেড না করার দাবি জানান।  একই সঙ্গে তিন সাঁওতাল হত্যার বিচারসহ বাপ-দাদার জমি ফেরতের দাবি জানান তারা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আজ ১০ জুলাই ২০২৫, বৃহস্পতিবার জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের সভাপতি কবি ও সাংবাদিক শাহীন রেজা  এবং সাধারণ সম্পাদক কবি ও শিক্ষাবিদ ড. অধ্যাপক শহিদ আজাদ  নির্বাচিত হয়েছেন।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকাঃ

সভাপতিঃ শাহীন রেজা।

সহ সভাপতিঃ নাসরীন নঈম, ফেরদৌস সালাম, শামীমা চৌধুরী, জামাল উদ্দিন জামাল, শাহীন চৌধুরী, জামাল উদ্দিন বারী, কামরুজ্জামান, জামসেদ ওয়াজেদ, মনসুর আজিজ, এ বি এম সোহেল রশীদ, আতিক হেলাল, ক্যামেলিয়া আহমেদ।

সাধারণ সম্পাদকঃ ড. শহিদ আজাদ।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ মিতা আলী, আবু হেনা আব্দুল আউয়াল, ফরিদ ভূইঁয়া, কাজী রহিম শাহরিয়ার, সৈয়দ রনো, আদিত্য নজরুল, আবিদ আজম, আবীর বাঙ্গালী, রুনা আক্তার স্বপ্না।

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মোসলেহ উদ্দিন।

যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদকঃ জালাল খান ইউসুফী, মুস্তফা হাবীব, গাজী গিয়াস উদ্দিন, ফারুক জাহাঙ্গীর, সিকান্দার কবীর, আনসার উদ্দিন ভূইঁয়া, তানভীর জাহান চৌধুরী, জেসমিন দীপা, দেলোয়ার হোসেন, সাহেদ বিপ্লব।

দপ্তর সম্পাদকঃ সৈয়দ জাহিদ মাহমুদ। যুগ্ম দপ্তর সম্পাদকঃ নূরুল আবছার। প্রচার সম্পাদকঃ উমর ফারুক। যুগ্ম প্রচার সম্পাদকঃ জাবেদ পাটোয়ারী। যোগাযোগ ও মিডিয়া সম্পাদকঃ নুরুল হোসেন কাইয়ুম। যুগ্ম যোগাযোগ ও মিডিয়া সম্পাদকঃ রাজু আহমেদ। অর্থ সম্পাদকঃ জুলফিকার আলী। যুগ্ম অর্থ সম্পাদকঃ জাফর আলম। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ শান্তা মারিয়া। যুগ্ম আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ সাবিত সারওয়ার। প্রকাশনা সম্পাদকঃ মঈন মুরসালিন। যুগ্ম প্রকাশনা সম্পাদকঃ আবুল খায়ের। তথ্য সম্পাদকঃ এনামুল কবীর রূপম। যুগ্ম তথ্য সম্পাদকঃ মাহমুদুন নবী জ্যোতি। গবেষনা সম্পাদকঃ পলি রহমান। যুগ্ম গবেষনা সম্পাদকঃ শারমিন আহমেদ, নিয়াজ মাহমুদ। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ কুতুব উদ্দিন। যুগ্ম ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ জহুরুল হক বিপ্লব। সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ শাওন আশরাফ। যুগ্ম সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ বিপাশ আনোয়ার ও দীপাস আনোয়ার। আপ্যায়ন সম্পাদকঃ খালেদা সরদার। যুগ্ম আপ্যায়ন সম্পাদকঃ আলমগীর সরকার লিটন।

আবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদকঃ আলম বাঙ্গালী। যুগ্ম আবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন। স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকঃ ডা. এজাজ আলী। যুগ্ম স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকঃ ডা. মোহসিনা। শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকঃ অধ্যাপক ড. শহীদুল জাহিদ। যুগ্ম শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকঃ অধ্যাপক ড. আলী কাউসার। আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ এ্যাডভোকেট ইকবাল সেলিম। যুগ্ম আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ এ্যাডভোকেট মাকসুদুল হাসান সবুজ। আইটি সম্পাদকঃ অধ্যাপক রুমানা পারভীন। যুগ্ম আইটি সম্পাদকঃ মঞ্জুর ইসলাম। শৃঙ্খলা বিষয়ক সম্পাদকঃ হাসান কামরুল। যুগ্ম শৃঙ্খলা বিষয়ক সম্পাদকঃ এম এম শাহানূর। সমাজ কল্যাণ সম্পাদকঃ মো. আবু তাহের। যুগ্ম সমাজ কল্যাণ সম্পাদকঃ কবিপ্রাণ সঞ্চয় কবীর। পরিকল্পনা সম্পাদকঃ জাকির হোসেন। যুগ্ম পরিকল্পনা সম্পাদকঃ জহিরুল হক বিপ্লব।

গণসংযোগ সম্পাদকঃ মাহবুব শওকত। যুগ্ম গণসংযোগ সম্পাদকঃ মালেক মাহমুদ। মহিলা বিষয়ক সম্পাদকঃ পারভীন শাহনাজ। যুগ্ম মহিলা বিষয়ক সম্পাদকঃ নাসরিন ইসলাম ও আফিয়া রুবি। শিল্প বিষয়ক সম্পাদকঃ রি হোসাইন। যুগ্ম শিল্প বিষয়ক সম্পাদকঃ ইলোরা সোমা। পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদকঃ সরদার আব্বাস উদ্দিন। যুগ্ম পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদকঃ মুক্তা পারভীন।

কার্যকরী সদস্য:

 ১/ আসাদুল করিম শাহীন ২/কামার ফরিদ ৩/ রহিমা আক্তার কল্পনা ৪/ মির্জা আমিন আহমেদ ৫/ সরকার হুমায়ুন ৬/ কামরুল হাসান দর্পন ৭/শাহীন রিজভী।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি মামুন কি ক্ষমা পেতে পারেন!

বিশেষ প্রতিনিধি, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছে।

আজ আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন করেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

আদালতে পুলিশের সাবেক এ প্রধান বলেন, মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত আমার জ্ঞানের মধ্যে থাকা সমস্ত পরিস্থিতির বিস্তারিত ও সত্য ঘটনা স্বেচ্ছায় প্রকাশ করতে ইচ্ছুক। জুলাই-আগস্টে আন্দোলন চলাকালে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ আমি আদালতে তুলে ধরতে চাই। রহস্য উন্মোচনে আদালতকে সহায়তা করতে চাই।

কোনো আসামি দায় স্বীকার করে এ ধরনের স্বীকারোক্তি দিলে তাকে রাজসাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই হিসেবে সাবেক আইজিপিকে এ মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে ধরা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সাবেক এই আইজিপি তার দোষ স্বীকার করেছেন এবং তিনি বলেছেন জুলাই-আগস্টে হওয়া হত্যাকাণ্ডের রাজসাক্ষী হয়ে তিনি আদালতকে সকল তথ্য দিতে চান এবং সত্যতা উদঘাটনে সহায়তা করবেন।

রাজসাক্ষী ঘোষণার পর চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আদালতে আবেদন করেন তার আইনজীবী। প্রশ্ন ছিল, সাক্ষ্য দিলে আসামি হিসেবে সাবেক আইজিপি কোনো সুবিধা পাবেন কি না। জবাবে তাজুল ইসলাম বলেন, যেহেতু তিনি রাজসাক্ষী হতে চেয়েছেন সেক্ষেত্রে তার নিরাপত্তার সংকট হতে পারে। তাই তার নিরাপত্তার বিষয়ে আদালত অনুমতি দিয়েছেন।

এছাড়া, তার দেয়া তথ্যানুযায়ী যদি সত্য উন্মোচন হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তাকে ক্ষমা করতে পারেন বা অন্য যেকোনও আদেশ দিতে পারেন। তবে সেটা সম্পূর্ণভাবে আদালতের ওপর নির্ভর করে।

এই মামলার সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ৩ আগস্ট এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য ৪ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। হত্যা মামলায় গত বছর নভেম্বরে নিম্ন আদালতেও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছিলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। অন্যদিকে, আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন জানিয়ে ট্রাইব্যুনালে নিযুক্ত শেখ হাসিনার আইনজীবী আমির হোসেন বলেন, আদালতে যেসব বক্তব্য দিয়েছি সেগুলো পরবর্তী সময়ে আদালত গ্রহণযোগ্য মনে করলে আমলে নিয়ে বিবেচনা করবে।

রাজসাক্ষী হওয়ার এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নজিরবিহীন একটি ঘটনা। এই প্রথম কোনো মামলার রাজসাক্ষী হলেন সাবেক এ পুলিশ প্রধান। এখন দেখার বিষয় তিনি কী রহস্য আর কী সত্য উন্মোচন করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় সন্তুষ্ট বিএনপি: মির্জা ফখরুল

আলোকিত ডেস্ক:

চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংক্রান্ত সব কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টার পদক্ষেপে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে বিএনপি।

১০ জুলাই বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের এক আলোচনা সভায় এ কথা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষ দ্রুত নির্বাচিত সংসদ দেখতে চায়। সকল প্রস্তুতি শেষ করে নির্বাচন কমিশন দ্রুত ভোটের আয়োজন করবে বলে আশাবাদী বিএনপি। জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে চূড়ান্ত মতামত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান একদলীয় থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান সংযুক্ত করেছেন। কিন্তু এখন কেউ কেউ বলছে বিএনপি সংস্কারে বাঁধা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বেশিরভাগ সংস্কার প্রস্তাবে বিএনপি একমত। কিন্তু কিছু মৌলিক বিষয়ে আমরা একমত নই। তবে পরবর্তী সংসদ সেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে মত দিয়েছি।

গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, বিভক্তি নয়, এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে জাতিগত ঐক্য গড়ে তোলা। যেখান থেকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হবে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম,
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি এবং কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আব্দুল হাই সিকদার, দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল রহমান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিএফইউজের সহ-সভাপতি এ কে এম মহসিন, প্রবাসী সাংবাদিক ইমরান আনসারী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এম সাইদ খান প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১০জুলাই ২০২৫/মওম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফলের জুসের দোকানে অভিযান,দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা 

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:
বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী  ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষন নিয়ে কাজ করা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর তাদের নিয়মিত কাজের তদারকির অংশ হিসেবে ১০ জুলাই বৃহস্পতিবার ১২ঃ৩০ মিনিটের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ট্যাংকের পাড় এলাকায় ফল হতে জুস তৈরি করে এমন দুটি দোকান নাফিস জুস এবং রকমারী জুস হাউস নামক দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় অপরিচ্ছন্ন দই ও বরফ দিয়ে জুস তৈরি ও তৈরিকৃত জুস যথাযথ উপায়ে না রেখে অস্বাস্থ্যকর উপায়ে সংরক্ষণ করার দায়ে নাফিস জুস হাউস কে ১২,০০০/ ও রকমারী জুস হাউস কে ১০,০০০/ মোট ২২,০০০/ টাকা জরিমানা করে এবং আদায় করে। এছাড়া পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠান দুটোকে ভবিষ্যতে সরকারি আইন মেনে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যাবসা পরিচালনা করার নির্দেশনা প্রদান করে।
এসময় উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী বলেন, প্রতিষ্ঠান দুটো সরকারী নিয়ম- নীতি এবং আইন কানুন না মেনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো। আমরা তাদেরকে জরিমানা করেছি ও ভবিষ্যতে সরকারী আইন ও  নির্দেশনা মেনে ব্যবসা করার নির্দেশনা দিয়েছি। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলবে বলেও তিনি জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১০জুলাই ২০২৫/মওম 

এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেনি ৬ লা*খ ৬৬০ শিক্ষার্থী!

আলোকিত ডেস্ক, এ বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি ৬ লাখ ৬৬০ শিক্ষার্থী। সারা দেশে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
ফলাফল প্রকাশ করেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির। প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৭১৪টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ,

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি ৬ লাখ ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩১০ জন শিক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১০ লাখ ৬ হাজার ৫৫৪ জন শিক্ষার্থী। উত্তীর্ণ হতে পারেননি ৪ লাখ ৭২ হাজার ৭৫৬ জন শিক্ষার্থী এরা সবাই ফেল করছে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ২ লাখ ৮৬ হাজার ৫৭২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় পাস করেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ১১৫ জন শিক্ষার্থী। উত্তীর্ণ হতে পারেননি ৯১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৭ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৩৬ হাজার ৪৪৭ জন শিক্ষার্থী ফের করছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

অনৈতিক কাজে হোটেল থেকে গ্রেপ্তার হন জনপ্রিয় অভিনেত্রী!

বিনোদন ডেস্ক, শিশুশিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন শ্বেতা বসু প্রসাদ। শুরুতেই গগনচুম্বী সাফল্য। ২০০২ সালে ‘মকড়ি’ চলচ্চিত্রে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

কিন্তু সেই সাফল্য বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। বরং কিছুটা অন্ধকারেই চলে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। শেষ পর্যন্ত তার নাম জড়িয়ে পড়েছিল দেহব্যবসার সঙ্গে। সবমিলিয়ে অভিনেত্রীর নাম বললেই যেমন মাথায় আসে সাবলীল অভিনয়ের কথা, তেমনই মনে পড়ে যায় বিতর্কের কথাও।

‘মকড়ি’র পর ‘ইকবাল’ (২০০৫) চলচ্চিত্রে খাদিজার ভূমিকায় অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেন অভিনেত্রী। কিন্তু তারপরই যেন হারিয়ে যান তিনি।

২০১৪ সালের ৩১শে আগস্ট, হায়দরাবাদের বানজারা হিলসের একটি হোটেল থেকে শ্বেতা বসু প্রসাদকে দেহব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ঘটনাটি ভারতীয় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

 

পুলিশের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, শ্বেতা বসু প্রসাদ অর্থের বিনিময়ে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়েছিলেন। হোটেল থেকে আটক করার পর, তাকে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

ঘটনার পর শ্বেতা গণমাধ্যমে জানান, তাকে জোর করে এই কাজে ফাঁসানো হয়েছিল। দারিদ্র্যের কারণে এই পেশায় আসতে বাধ্য হননি, বরং ভুল বুঝিয়ে এই কাজে জড়ানো হয়েছিল।

 

তবে অভিনেত্রীর নিজের কথাতেই বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একবার সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি নন, বলিউডের অনেক নায়িকাকেই জীবনের কোনও না কোনও পর্যায়ে এই ধরনের কাজ করতে হয় বলে তিনি জানান। ক্যারিয়ার বাঁচাতে বাধ্য হয়ে এসব করেন তারা তিনি বলেন।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে, হায়দরাবাদের একটি নিম্ন আদালত শ্বেতাকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়। আদালত জানায়, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে শেষ পর্যন্ত শ্বেতা বসু প্রসাদ আবার অভিনয় জীবনে ফিরে এসেছেন।

‘দ্য তাশখন্দ ফাইলস’ (২০১৯), ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ (২০২২) এর মতো সফল ছবিতে যেমন দেখা গেছে তাকে, তেমনই কাজ করেছেন জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘ক্রিমিনাল জাস্টিস’-এও।

চতুর্থ সিজনেও পঙ্কজ ত্রিপাঠীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছেন তিনি। বাংলা ছবি ‘এক নদীর গল্প’তে মিঠুন চক্রবর্তী ও যিশু সেনগুপ্তর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেন এই অভিনেত্রী।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নবীনগরের কচুর বাম্পার ফলনে কৃষক খুশি 

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
মেঘনা-তিতাস-বুড়ি নদীর অববাহিকায় অবস্থিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্ববৃহৎ উপজেলা নবীনগরে ২০২১ সাল থেকে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প এবং ফ্ল্যাড রিকনস্ট্রাকশন ইমারজেন্সি এসিসট্যান্স প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভাবে উন্নত জাতের কচু আবাদ করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। প্রদর্শনীভুক্ত কৃষকদের দেওয়া হয় উন্নত জাতের বারি পানি কচু-১ (লতিরাজ),  বারি পানি কচু-২ সহ স্থানীয় উন্নত জাতের চারা, সার, জৈবসার সহ অন্যান্য সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ। নবীনগর উপজেলায় চলতি মৌসুমে শতভাগ বাণিজ্যিক ভাবে কচু ও লতির  আবাদ হয়েছে ৪০ হেক্টর জমিতে। হেক্টরে প্রতি ১৫ থেকে ২৫ টন পর্যন্ত লতি উৎপাদিত হয়, সময় ভেদে প্রতিি টন লতি ৩০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। কাইতলা (দ.) ইউনিয়নের গোয়ালি গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান- এক বিঘা জমিতে লতিরাজ কচু আবাদ করছি। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বীজ, সার ও প্রশিক্ষণ পেয়েছি। আমি প্রতি সপ্তাহে লতি বিক্রি করছি দশ হাজার টাকার। লতি কচু লাভ জনক ফসল, অনেকেই কচুর চারা নিচ্ছে। ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের জাফরপুর গ্রামের কৃষক সেলিনা বেগম জানান- আমি আর আমার স্বামী মিলে এ বছর লতিরাজ কচু আবাদ করছি। আবাদের দুই মাস পর থেকে প্রতি সপ্তাহে লতি সংগ্রহ করছি। এখন পর্যন্ত ৩ মাসে প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা লতি বিক্রি করেছি। আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে আরো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিক্রি করা যাবে।  পৌরসভার নারায়ণপুর গ্রামের কৃষক সোহাগ খান, খোরশেদ মিয়া এবং বিউটি আক্তার ফ্রিপ প্রকল্পের আওতায়  নারিকেলি কচু আবাদ করেছেন। তারা জানান- এটি স্থানীয় জাত। এরা কাঠ হিসেবে বিক্রি হয়। এক বিঘা জমিতে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার কচু কাঠ হিসেবে বিক্রি করা যায়, যা গড়ে পাইকারি মূল্য হিসেবে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়- উপজেলার ইব্রাহিমপুর, বিটঘর, কাইতলা, পৌরসভাসহ অনেক গ্রামের মাঠেই  কচুর চাষ হয়েছে। ফসলটি বাণিজ্যিক ভাবে লাভজনক তাই কচু চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। কৃষকরা জানায়- প্রতি বিঘা জমিতে এ বছর ৮০-৮৫ মণ পর্যন্ত কচুর ফলন হয়েছে। এক বিঘা জমিতে আবাদে গড়ে খরচ হয় ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা, খরচ বাদ দিয়ে লাভ হয় প্রায় লক্ষাধিক টাকা। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান- “নবীনগরে বর্ষার মৌসুমে স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় কচু আবাদ এখন বাণিজ্যিক ভাবে বাড়ছে। সরকারি ভাবে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় সহযোগিতা ও করা হচ্ছে। কচু একটি অর্থকরী সবজি। যেহেতু এটি উত্তোলন ক্রমান্বয়ে করা হয় ফলে বাজার দর নিয়ে কৃষক নিশ্চিন্ত থাকে”। কচু চাষ বর্তমানে নবীনগরের কৃষকদের জন্য একটি লাভজনক ও টেকসই কৃষি কার্যক্রম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উন্নত জাতের কচু চাষ, সঠিক পরিচর্যা ও বাজারজাত করণের মাধ্যমে নবীনগরের কৃষকরা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি সাধন করতে পারছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১০জুলাই ২০২৫/মওম 

ভারতীয় পুরোহিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ মিস গ্র্যান্ড মালয়েশিয়ার

বিনোদন ডেস্ক:

মালয়েশিয়ার একটি মন্দিরে আশীর্বাদ দেওয়ার নাম করে এক ভারতীয় পুরোহিতের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন মিস গ্র্যান্ড মালয়েশিয়া ২০২১ খেতাবজয়ী অভিনেত্রী লিশাল্লিনি কানারান। অভিযুক্ত পুরোহিতের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে সে দেশের পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ জুন সেপাং জেলার মারিয়াম্মান মন্দিরে। যা কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেই অবস্থিত। ওইদিন মন্দিরে একা গিয়েছিলেন লিশাল্লিনি।

তিনি বলেন, মন্দিরের এক পুরোহিতের সাহায্যে তিনি সাধারণত পূজার নিয়মকানুন শিখতেন। সেদিনও সেই পুরোহিত তাকে বলেন, তার জন্য পবিত্র জল এবং সুরক্ষা সূত্র এনেছেন আশীর্বাদ হিসেবে। পরে লিশাল্লিনিকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যান ওই ব্যক্তি।

নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিশাল্লিনি জানান, কিছুটা অস্বস্তি সত্ত্বেও তিনি পুরোহিতের ঘরে যান। সেখানে পুরোহিত তার গায়ে ও মুখে বারবার জল ছিটিয়ে দিতে থাকেন, এমনকী চোখ খোলার অবস্থাও ছিল না তার।

তারপর ওই ব্যক্তি তাকে পোশাক তুলতে বলেন। লিশাল্লিনি জানান, তিনি সেটা না মানায় পুরোহিত তাকে কটাক্ষ করেন এবং হঠাৎই তার জামার ভিতরে হাত ঢুকিয়ে স্পর্শ করতে থাকেন।

নায়িকার কথায়, “আমার মাথায় হাত রেখে প্রার্থনা করার মতো কিছু একটা বলছিলেন। এরপর হঠাৎই আমার পোশাকের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দেন তিনি। আমি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম”।

এই ঘটনায় নিজেকে ঘরবন্দি করে ফেলেন লিশাল্লিনি। পরে তার মা ভারত থেকে ফিরে এলে তিনি ঘটনাটি জানান। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে গত ৪ জুলাই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পাওয়ার পরে জানা যায়, অভিযুক্ত পুরোহিত ভারতীয় নাগরিক এবং মন্দিরের মূল পুরোহিত বিদেশে থাকায় সাময়িকভাবে তার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সেপাং জেলার পুলিশ প্রধান এসিপি নরহিজাম বাহামান মালয় মেল-কে জানান, “অভিযুক্ত ভারতীয় নাগরিক। প্রাথমিকভাবে অভিযোগ, তিনি মুখ এবং গায়ে পবিত্র জল ছিটানোর নামে ভুক্তভোগীকে স্পর্শ করেন।”

এদিকে লিশাল্লিনির অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এর আগেও কেউ অভিযোগ তুলেছিলেন, কিন্তু মন্দির কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চেপে গিয়েছিল। তার কথায়, “যেখানে নিজেকে সবথেকে নিরাপদ ভাবতাম, সেখানেই এমন ঘটনা ঘটবে ভাবতেই পারিনি। এই বিশ্বাসঘাতকতা সবচেয়ে বড় আঘাত।”

আলোকিত প্রতিদিন/ ১০জুলাই ২০২৫/মওম