করোনার প্রভাবে দীর্ঘ দিন ফাঁকা থাকা সড়কের মোড়ে মোড়ে ফের ফিরতে শুরু করেছে পুরাতন চিত্র। সীমিত আকারে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, অফিস খুলে যাওয়ায় তৈরি হচ্ছে যানজটও। রংপুর নগরীর সিটি বাজারের সামনে আজ দেখা মেলে এমনই চিত্র।
দীর্ঘ দেড় মাসের অঘোষিত লক ডাউনের পর রংপুরে ফিরতে শুরু করেছে কর্মচাঞ্চল্য। জীবনজীবিকার তাগিদে কর্মস্থলে ছুটছেন মানুষ। আর রাস্তায় নেমেছেন এতদিন ঘরে বন্দি থাকা রিক্সা-ভ্যানচালকরাও। অটো টেম্পুও দেখা মিলেছে কোথাও কোথাও। তবে হঠাৎ শীথিলতায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে বলেও অভিযোগ কারও কারও। অফিসগামী কয়েকজন বলেন, ‘আমাদেরকে অফিসে যেতেই হচ্ছে। এর মধ্যে সীমিতর নামে গণহারে মানুষ বাইরে বের হতে শুরু করেছে। এতে আমরা আর নিরাপদ নই। নিরাপদ থাকতে পারছেন না ঘরে থাকা বয়স্করাও। কারণ, আমাদেরকে ঘরে ফিরতে হচ্ছে। এত মানুষ আশে পাশে থাকায় আমরা খুবই অসংরক্ষিত, অনিরাপদ।’
বাজারে উপস্থিত লোকজনদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, ‘প্রয়োজনেই ঘর থেকে বের হতে হয়েছে।’
নগরীর কোথাও কোথাও পোশাকের দোকানেও বেশ লোকের আনাগোনা লক্ষ করা গেছে। তবে কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। কোন কোন দোকানে হ্যন্ডসেনিটাইজারের নামে ডেটল বা স্যাভলন জাতীয় দ্রব্যের সঙ্গে পানি মিশিয়ে রাখতে শোনা গেছে। আর অধিকাংশ সেটাও করেনি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
দীর্ঘদিনের ফাঁকা রাস্তায় ফের ফিরছে পুরাতন চিত্র
সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের ধান কাটা অব্যাহত রেখেছে পৌর ছাত্রলীগ
::প্রতিনিধি, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)::
মহামারী করোনাভাইরাসে শ্রমিক সংকটে যখন প্রান্তিক কৃষকরা চরম উৎকন্ঠায় রয়েছে সেই দুঃসময়ে কৃষকদের ধান কাটতে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। তারই ধারাবাহিকতায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের ধান কাটা অব্যাহত রেখেছে ছাত্রলীগ নেতারা। সোমবার (১১ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফ সরকারের নির্দেশনায় উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের উত্তর বামনজল গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মোনারুল ইসলামের জমির ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেয় পৌর ছাত্রলীগ। পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সুমন মিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধান কাটা সম্পন্ন করে কৃষকের বাড়িতে পৌঁছে দেন।
ধান কাটায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি- সাইফুল ইসলাম ফরহাদ মন্ডল, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা- এনামুল হক বিজয়, সজিব মন্ডল, সন্ধি, নাহিদ হাসানসহ আরও অনেকেই।
পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সুমন মিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের কৃষকদের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা জেলা ছাত্রলীগের নির্দেশে ৩য় দফায় কৃষকের ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি।’
৮ মে পর্যন্ত টাঙ্গাইল : দুই ডাক্তারসহ মোট করোনাপজিটিভ ৪৬
::সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল::
টাঙ্গাইলে ৮ মে পর্যন্ত দুই ডাক্তারসহ মোট করোনাপজিটিভ ৪৬ জন। শুক্রবার (০৮ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নতুন আক্রান্ত বিষয়ক তথ্য নিশ্চিতকালে তিনি জানান, আক্রান্ত ডাক্তার টাঙ্গাইল সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার (৩৫) হিসেবে কর্মরত আছেন। এসময় তিনি আরো জানান, মির্জাপুর উপজেলার পহেলা গ্রামের এক ব্যক্তি (৫৯) করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ওই ব্যক্তি সহ আরো তিনজন গত ৪ মে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রামে আসেন। পরে ৫ মে আক্রান্ত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে তিনি পজিটিভ হন। বাকিদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
রাজধানীর সায়দাবাদে গুলি ছুঁড়ে ভয় দেখিয়ে ৫৫ লাখ টাকা ছিনতাই
:: নিজস্ব প্রতিবেদক::
করোনাভাইরাস সঙ্কটে লকডাউনের মধ্যে ঈদের আগে ঢাকার সায়দাবাদে সড়কে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে ৫৫ লাখ টাকা ছিনতাই হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার দুপুরের এই ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ছিনতাইয়ের শিকার সাইফুল ইসলাম সবুজ নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেছেন, তিনি ও তার ভাই একটি মোটর সাইকেলে মতিঝিলে যাওয়ার পথে সায়দাবাদের জনপথ মোড়ে তারা ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। সাইফুল ও তার ভাই রফিকুল ইসলাম মুকুল ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং চালান। কাজলার বৌবাজার এলাকায় ‘এইচ-২০ এন্টারপ্রাইজ’ ও যাত্রাবাড়ির শহীদ ফারুক সড়কে ‘মারসুড এন্টারপ্রাইজ’ নামে দুটো দোকান রয়েছে তাদের।
সাইফুল বলেন, সাড়ে ১১টার দিকে দুটি দোকান থেকে ৫৫ লাখ ৬৯ হাজার টাকা নিয়ে তারা দুই ভাই মতিঝিলের দিকে মোটর সাইকেল চড়ে রওনা হন। জনপথের মোড়ে দুটি মোটর সাইকেলে চারজন এসে তাদের মোটর সাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দুই ভাইকে রড দিয়ে পেটাতে শুরু করে বলে জানান সাইফুল। পরে আরেকটি মোটর সাইকেলে দুজন এসে গুলি ছোড়ে এবং টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। আমাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তারা মোটর সাইকেলে করে টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায়।
সাইফুল বলেন, তাদের গায়ে গুলি লাগেনি, আর হেলমেট পরা ছিলেন বলে তাদের মাথা বাঁচলেও রডের আঘাতে শরীরের বিভিন্ন স্থান জখম হয়েছে। যাত্রাবাড়ি থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি ডাকাতি মামলা হয়েছে এবং অপরাধীদের ধরতে অভিযান চলছে।’
লকডাউন শিথিল হতেই সংক্রমণ বাড়ছে জার্মানিতে
:: আন্তর্জাতিক ডেস্ক::
লকডাউনের বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে জার্মানিতে৷ দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট (আরকেআই) দৈনিক বুলেটিনে জানিয়েছে, সংক্রমণের হার ১ দশমিক ১ এ পৌঁছেছে৷ অর্থাৎ, কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংক্রমণ ঘটানোর হার (রিপ্রোডাকশন রেট) বেড়েছে। রোগীরা এখন গড়ে একজনের বেশি মানুষকে সংক্রমিত করছেন৷ এতেই বোঝা যাচ্ছে, জার্মানিতে আক্রান্তের সংখ্যা আবার বাড়ছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে সংক্রমণের হার ১ এর নিচে রাখতে হবে।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় গত বুধবার চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেল নিয়ম কানুন শিথিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন৷ শনিবার লকডাউন পুরোপুরি তুলে নেওয়ার দাবিতে জড়ো হয় হাজার হাজার মানুষ। এরপরই সংক্রমণের নতুন হারের খবর এল বলে জানিয়েছে বিবিসি।
কোভিড-১৯ এ সাবেক প্রতিমন্ত্রী আনোয়ারুল কবিরের মৃত্যু
:: সংবাদদাতা, জামালপুর::
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিএনপি-জামায়াতের চারদলীয় জোট সরকারের প্রতিমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আনোয়ারুল কবির তালুকদার মারা গেছেন। রোববার দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যান তিনি বলে তার চাচাত ভাই জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তিনি জামালপুরের সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আনোয়ারুল কবির তালুকদার ‘করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন।’ মৃতের ছোট ভাই জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে তার ভাই সিএমএইচ-এ জ্বর নিয়ে ভর্তি হন।
বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের ভাতিজা আনোয়ারুল কবির তালুকদার ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে জামালপুর-৪ সরিষাবাড়ি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের প্রথমদিকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে আনোয়ারুল কবীর তালুকদার বিএনপি ছেড়ে এলডিপিতে যোগ দেন। সম্প্রতি তিনি রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় ছিলেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
ঋণ খেলাপিরাও পাবে শিল্পখাতে প্রণোদনার অর্থ
::নিজস্ব প্রতিবেদক::
করোনাভাইরাস সঙ্কট মোকাবেলায় শিল্প খাতের জন্য সরকার ৩০ হাজার কোটি টাকার যে প্রণোদনা প্যাকেজ করেছে, তাতে খেলাপিদের ঋণ দেওয়ার যে বিধিনিষেধ ছিল, তা তুলে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রণীত ইন্টারনাল ক্রেডিট রিস্ক রেটিং (আইসিআরআর) নীতিমালার শর্ত শিথিল করার মাধ্যমে ঋণ খেলাপিদের এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। রোববার নেওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধাতের ফলে এখন যে কোনো শিল্পদ্যোক্তা এই তহবিল থেকে ঋণ নিতে পারবেন।
কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ায় আইসিআরআর কার্যক্রম ব্যাহত ও ঋণ গ্রহীতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়াকে বিধিনিষেধ শিথিলের কারণ দেখিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “এই দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় শিল্প ও সেবা খাতের আওতায় তাদের কার্যক্রম দ্রুত চালু করার জন্য প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ সুবিধা দিতে আইসিআরআর সম্পন্ন না করেও ব্যাংক ঋণ দিতে পারবে।” তবে নিজেরা বিধিনিষেধ তুলে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর উপর দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্দেশনায় ‘তবে’ যুক্ত করে বলা হয়েছে, “প্রতিটি ব্যাংক বিদ্যমান নিজস্ব নীতিমালার আওতায় ঋণ ঝুঁকি বিশ্লেষণপূর্বক ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে গ্রাহক নির্বাচন করবে।”
করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দেশে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলায় সরকার শিল্প খাতের জন্য যে ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, তাতে ব্যাংক থেকে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে। এর ৪.৫ শতাংশ ঋণগ্রহীতা শোধ করবে, বাকি ৪.৫ শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দেবে। গত ৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেওয়ার পর ১২ এপ্রিল ওই প্রণোদনা প্যাকেজের নীতিমালা ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে বলা হয়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের অর্থ কোনো ঋণ খেলাপিরা পাবে না। এমনকি যে সব ঋণ খেলাপি বিভিন্ন সময়ে সরকারের দেওয়া সুযোগ নিয়ে তিন বারের বেশি তাদের ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন, তারাও এই প্রণোদনার অর্থ পাবে না বলে উল্লেখ ছিল নীতিমালায়। রোববার এই বিধিনিষেধটিই তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণার সময় অর্থনীতিবিদরা সুপারিশ করেছিলেন, এই অর্থ যেন ঋণ খেলাপিরা না পায়। এখন সেই সুযোগ দেওয়ার সমালোচনা করে গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ঋণ খেলাপিরাই তো প্রণোদনার সব অর্থ খেয়ে ফেলবে। অন্যরা বা ভালো উদ্যোক্তারা কিছুই পাবে না। এতে ব্যাংকগুলো আরও সঙ্কটে পড়বে। তাদের জন্য জন্য অশনি সংকেত।’
ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনসুর বলেন, ‘বাংলাদেশের ঋণ খেলাপি সংস্কৃতি খুবই খারাপ। একবার ব্যাংক থেকে টাকা নিলে কেউ আর ফেরত দিতে চায় না। সে কারণেই লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে খেলাপি ঋণ। ব্যাংকগুলোকে সংকটে ফেলে দিয়েছে। এই সংকটের সময়ে আবার তারাই যদি ঋণ পায়; ফেরত দেবে না। অতীতের ইতিহাস তাই বলে। তাহলে যে উদ্দেশ্যে সরকার প্রণোদনা দিচ্ছে, তা ব্যাহত হবে।’
করোনাভাইরাসে ৬৪৫ চিকিৎসকসহ সহস্রাধিক স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত, শুরুতে হার বেশি থাকলেও এখন কমছে
::নিজস্ব প্রতিবেদক::
বাংলাদেশে নতুন করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর এখন পর্যন্ত চিকিৎসকসহ ১ হাজার ২৭৭ জন স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশনের হিসাবে ৯ মে পর্যন্ত সারাদেশে ৬৪৫ জন চিকিৎসক, ৪২৫ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং ওয়ার্ডবয়, মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ ২০৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৩৫ জন।
বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্বয়ক ডা. নিরুপম দাস রোববার বলেন, শুরুতে চিকিৎসকদের আক্রান্তের হার বেশি হলেও এখন তা কিছুটা কমেছে। আগে প্রতিদিন ৩০-৩৫ জন আক্রান্ত হলেও এখন তা ১০ থেকে ১৫ জন করে আক্রান্ত হচ্ছেন।’ সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার বেড়ে যাওয়া এর কারণ মনে করছেন ডা. নিরুপম।
তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় পিপিইর সরবরাহ বেড়েছে। চিকিৎসকরাও নিজেদের মতো করে পিপিই সংগ্রহ করছেন। এছাড়া চিকিৎসকদের মধ্যে সচেতনতাও বেড়েছে।’
রোববার পর্যন্ত বাংলাদেশে ১৪ হাজার ৬৫৭ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই রোগে মারা গেছেন ২২৮ জন।

