আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2454

মান্নার মৃত্যু নিয়ে যে তথ্য দিলেন স্ত্রী

২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান চিত্রনায়ক মান্না। মান্নার মৃত্যুর ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না তার ভক্তরা।

শুধু ভক্তরাই কেন, প্রয়াত এ নায়কের মৃত্যু কোনোভাবেই স্বাভাবিক মানতে রাজি নন মান্নার স্ত্রী শেলী।

গত ১৩ বছর ধরেই শেলী মান্না দাবি করে আসছেন, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না দেওয়ায় মারা গেছেন মান্না। কোনো প্রস্তুতি না রেখেই মান্নাকে হার্টের ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে, যেটা উন্নত বিশ্বের চিকিৎসায় দেখা যায় না।

আগামীকাল বুধবার চিত্রনায়ক মান্নার মৃত্যুর ১৩ বছর পূর্ণ হবে। স্বামীর মৃত্যুদিবসের একদিন আগে সেই দাবি আবারও তুলেন শেলী।

মান্নার মৃত্যু কিভাবে হয়েছে সে বিষয়ে বেশ কিছু বক্তব্য দিলেন তিনি।

শেলী মান্না বলেন, আমি একজন চিকিৎসকের মেয়ে। বাংলাদেশে যখন এমবিবিএস চালু হয়নি। সে সময় আমার বাবা কলকাতা থেকে ডাক্তারি পাশ করেন। আমি চিকিৎসকের মেয়ে বলে এ পেশার মানুষদের খাটো করে কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবু না বলে উপায় নেই।

তিনি বলেন, আমার বাবা যেহেতু ডাক্তার ছিলেন, সেহেতু আমিও এ বিষয়ে কিছুটা জানি। তাছাড়া আমি যেখানে চাকরি করি, সেখানে সব ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে হয় আমাদের।

সে সব অভিজ্ঞতার আলোকে শেলীর দাবি, ভুল চিকিৎসা এবং দেরিতে চিকিৎসায় মান্নার মৃত্যু ঘটেছে।

মান্নার মৃত্যুর পূর্বের সময়টা নিয়ে বিশদ বর্ণনা দেন শেলী:

তিনি বলেন, শরীরের বিষয়ে মান্না সব সময় সতর্ক ছিল। অ্যালার্জি হলেও ডাক্তারের কাছে যেত। ওর বড় ধরনের অসুখ বলতে কিছু ছিল না, শুধু গ্যাসট্রিক ছাড়া। সেদিন মাঝরাতে মান্না যখন বাসায় ফিরল তার বুকে একটু ব্যাথা করছিল। রাতে খাওয়া দাওয়া করল। কিন্তু ব্যাথা না কমায় নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে হাসপাতালে গেল। হাসপাতালের ফুটেজ বলছে, মান্না হেঁটে গিয়েছে হাসপাতালের ভেতরে। অর্থাৎ মান্নার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়নি। কারণ যদি কারো কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় সে কোনোভাবেই গাড়ি চালিয়ে যেতে পারবে না। হাঁটতে পারবে না। হাসপাতাল তার বিভিন্ন টেস্ট করাল। তারপর ভর্তি করাল। এসব প্রক্রিয়ায় কেউ তাকে ধরেও নেয়নি। একজন স্বাভাবিক মানুষের মতো সে একাই সব করেছে। আর সেই লোকটাই হুট করে মারা গেল!

শেলী বলেন, মান্না যখন হাসপাতালে ভর্তি হলো তখন ভোর পৌনে পাঁচটা। মান্নার চিকিৎসা কিন্তু সাধারণ ডাক্তাররা করেছে। ট্রিটমেন্ট করে যখন কন্ট্রোলের বাইরে চলে গেছে। ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে তারা হার্টের একটা ইনজেকশন দেয়। ইনজেকশনের নাম এসকে। উন্নত দেশে অপারেশন থিয়েটার প্রস্তুত রেখে, কার্ডিওলজিস্টের সঙ্গে রেখে তারপর ওই এসকে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়।মান্নার বেলায় এসব করা হয়নি। ওই ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর মান্না গোঙ্গানি দিয়ে বমি করে। অথচ এসবের সময় হাসপাতালের স্পেশালিস্ট ডাক্তার ছিলেন না। রুটিন অনুযায়ী তিনি আসেন সকাল ৯টায়। অভিজ্ঞ ডাক্তার ছাড়াই এসব করা হয়েছে।

এমন সব বক্তব্য দিয়ে প্রয়াত মান্নার স্ত্রী বললেন, হ্যা, আমরা কেস করেছি। সেখানে এসব পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা হবে।

শেলী বলেন, মান্নার মতো একজন মানুষের যদি এই অবস্থা হয় তাহলে একজন সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে? এই বছরই একটা শুনানি হবে। এই শুনানি হলে হয়তো আমরা একযুগ পরে হলেও ন্যায়বিচার পাব। মানুষ জানবে যে মান্না কিভাবে মারা গেছে।

তুরস্কের ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনকে স্বাগত জানালো ফিলিস্তিনিরা

ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিমতীরের জেনিন শহরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন করতে যাচ্ছে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। ফিলিস্তিনের অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী খালেদ আল-ওসাইলি বলেন, এ জোনে তুর্কি সহায়তার পরিমাণ ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। জোনের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো তৈরিতে এ অর্থ ব্যবহৃত হবে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সিকে রোববার আল-ওসাইলি বলেন, ‘পরিকল্পনা অনুযায়ী, এ জোনে তুরস্কের নিজস্ব কারখানাও পরিচালিত হবে। দ্য ইউনিয়ন অব চেম্বারস অ্যান্ড কমোডিটি এক্সচেঞ্জেস অব টার্কি’র (টব) সহায়ক প্রতিষ্ঠান ‘টব বিস অর্গানাইজড ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড টেকনোলজি জোনস কোর’কে জেনিনে ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার অনুমতি দিয়ে শনিবার সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়। ফিলিস্তিনের অর্থনীতিমন্ত্রী জানান, দুই ধাপে ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের কাজ বাস্তবায়িত হবে। প্রথম ধাপে অর্থায়ন করবে জার্মানি। জোনের সব বাহ্যিক অবকাঠামো নির্মাণে সেখানে ব্যয় হবে ২৯ মিলিয়ন ডলার। এ বছরের মাঝামাঝি এ ধাপের কাজ সম্পন্ন হতে পারে। দ্বিতীয় ধাপে অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোর কাজ হবে। এ কাজে ১০ মিলিয়ন ডলার দেবে তুরস্ক। শিগগিরই এ ধাপের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করেন মন্ত্রী। রাজনৈতিক অবস্থান এবং ফিলিস্তিনি অর্থনীতিতে সহায়তার জন্য আল-ওসাইলি এরদোগান, তুরস্ক সরকার ও দেশটির জনগণকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তুর্কি কারখানা হলে ফিলিস্তিনের রপ্তানি খাত শক্তিশালী হবে। এ প্রক্রিয়ায় সরাসরি প্রায় পাঁচ হাজার এবং পরোক্ষভাবে ১৫ হাজার কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করেন তিনি। জেনিনে শিল্পজোন প্রতিষ্ঠার ধারণা ১৯৯৯ সালে নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে এ উদ্যোগ স্থবির হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত গত বছর এ উদ্যোগ কার্যকরভাবে শুরু হয়। ১১ লাখ বর্গমিটারের পরিকল্পিত জোনটির অবস্থান সিটি সেন্টারের দুই মাইলের মধ্যে। হুররিয়াত, আনাদোলু এজেন্সি।

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

মঙ্গলযানের ‘৭ মিনিটের আতঙ্ক’ নিয়ে উৎকণ্ঠায় কাটল নাসার বিজ্ঞানীদের

মঙ্গল নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে বিজ্ঞানী- সকলেরই কৌতূহল উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। ইদানীং যেমন নাসা-প্রেরিত মঙ্গলযানের নিরাপদ ল্যান্ডিং নিয়ে উৎকণ্ঠিত ছিলেন সকলে।

তবে সকলকে আশ্বস্ত করে ‘seven minutes of terror’ পেরিয়ে মঙ্গলের মাটিতে সফল অবতরণ করেছে নাসার মার্স রোভার ‘পারসিভারেন্স’। এটি একটি robotic astrobiology lab। সফল এই অবতরণের সঙ্কেত ইতিমধ্যেই এসে পৌঁছেছে লস এঞ্জেলে্সের জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরিতে।

জেপিএল-এর বিজ্ঞানীদের আতঙ্ক ছিল– মঙ্গলের মাটিতে প্রচণ্ড গতিতে আছড়ে পড়ার সময়ে ছ’চাকার যে যানটি আছে তার যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, এজন্য যানটিকে একটি ক্যাপসুলের মধ্যে ঢুকিয়ে মঙ্গলযানের সঙ্গে পাঠানো হয়েছিল। ২০৪০ লাখ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে প্রায় ৭ মাসের যাত্রা শেষে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে পৌঁছেছে ‘পারসিভারেন্স’।

শেষ ৭ মিনিটের মধ্যে ওই যানসহ ক্যাপসুলটি ধীরে ধীরে আছড়ে পড়ে এক জায়গায় থেমে যাওয়ার কথা। এই ঘটনাটাই ঠিক ভাবে হবে কিনা, এই নিয়ে উদ্বেগ ছিল বিজ্ঞানীদের। JPL engineers মজা করে আতঙ্কটিকে ‘seven minutes of terror’ বলেছিলেন।

এখন ল্যান্ডিং হয়ে যাওয়ার পরে প্রাথমিক ভাবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, কোনও ক্ষতি হয়নি ‘পারসিভারেন্সে’র। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত এটি মঙ্গলের মাটিতে অভিযানও শুরু করে দেবে। ৬ চাকার ওই অনুসন্ধানযান মঙ্গলপৃষ্ঠের ছবি তুলবে, মাটির প্রকৃতি বিশ্লেষণ করবে এবং সেই সব ছবি ও তথ্য পাঠাতে থাকবে।-জি নিউজ

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সেনাবাহিনী নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে : সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনী নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

তিনি বলেন, আমার কারণে যেন বাহিনী ও সরকার বিতর্কিত না হয়, সে বিষয়ে আমি সতর্ক রয়েছি।

মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

কিছুদিন ধরে দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে- সে বিষয়ে সেনাপ্রধানের বক্তব্য জানতে চান সাংবাদিকরা।

জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, যে ধরনের অপচেষ্টগুলো হচ্ছে, এগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠান যেটা হলো জাতির গর্ব, দেশের গর্ব, সেই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে তারা নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। যাতে করে একটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।

‘আপনাদেরকে আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই- সেনাবাহিনী একটা অত্যন্ত প্রশিক্ষিত এবং ওয়েল মোটিভেটেড একটা ফোর্স। আগের থেকে অনেক বেশি সুসংহত। সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ড অত্যন্ত ইফেকটিভ এবং বাহিনীর প্রতিটি সদস্য ঘৃণাভরে এ ধরনের অপচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেছে অতীতে, এখনও করছে। এবং বর্তমানে যা আছে  তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, আমাদের চেইন অব কমান্ডে যারা আছে, তারা সবাই আমরা এ ব্যাপারে সতর্ক আছি। আমি আশ্বাস দিতে চাই- সেনাবাহিনীতে এ ধরনের অপপ্রচার বিন্দুমাত্র আঁচ আনতে পারবে না তারা আমাদের চেইন অব কমান্ডে।

সেনাপ্রধান আরও বলেন, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বাংলাদেশের সংবিধানকে সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুগত এবং বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান সরকারের যে কোনো আদেশ নির্দেশ পালনে সদাপ্রস্তুত।

জেনারেল আজিজ বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ হোক, বহির্বিশ্বের হোক যে কোনো সমস্যা মোকাবিলার জন্য আমরা সাংবিধানিকভাবে ঐক্যবদ্ধ। এটা নিয়ে আমার মনে হয় কোনো দুশ্চিন্তা করার তেমন কিছু নেই।

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সিরিজে সমতা আনল ভারত

প্রথম টেস্ট ২২৭ রানের বড় ব্যবধানে হার ভারতের। কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টেই বলে-ব্যাটে দারুণভাবে ফিরল টিম ইন্ডিয়া। দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে এক প্রকার উড়িয়েই দিয়েছে কোহলি বিগ্রেড। ভারত জিতেছে ৩১৭ রানের বিশাল ব্যবধানে। দারুণ এই জয়ে চার ম্যাচ সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা আনল ভারত। রানের দিক থেকে ভারতের এটি পঞ্চম সর্বোচ্চ জয়। রানের ব্যবধানে ভারতের সর্বোচ্চ জয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে, ৩৩৭ রান। ২০১৫ সালে দিল্লিতে।

চেন্নাই টেস্টে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডকে বিশাল টার্গেট দিয়েছিল ভারত। জিততে ইংল্যান্ডকে করতে হতো ৪৮২ রান। বিশ্বরেকর্ড গড়ে এই টেস্ট জেতা হয়নি ইংল্যান্ডের। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড গুটিয়ে যায় মাত্র ১৬৪ রানে। বল ও ব্যাট হাতে দারুণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের স্পিনার রবি চন্দ্রন অশ্বিন।

প্রথম ইনিংসে রোহিতের সেঞ্চুরিতে ভারত করেছিল ৩২৯ রান। জবাবে ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংসে অল আউট হয় মাত্র ১৩৪ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে অশ্বিনের সেঞ্চুরিতে ভারত করে ২৮৬ রান।
জবাবে ইংল্যান্ড ছন্নছাড়া। কেউ পাননি ফিফটির দেখা। সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেছেন যে, সেই মঈন আলী নিখাদ বোলার। যার ওপর ভরসা ছিল সবচেয়ে বেশি, সেই অধিনায়ক জো রুট ৯২ বলে করেছেন ৩৩ রান। তবে মঈন আলী খেলেছেন টি টোয়েন্ট ফরম্যাটে। ৪৩ রান করেন মাত্র ১৮ বলে। যার মধ্যে ছিল ৫টি ছক্কা ও তিনটি চারের মার।

এছাড়া লরেন্স ২৬, বার্নস ২৫ রান করেন। বল হাতে ভারতের হয়ে পাঁচ উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল। অশ্বিন তিনটি ও কুলদীপ যাদব দুটি উইকেট নেন।

আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি আহমেদাবাদে শুরু হবে ভারত-ইংল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় টেস্ট। একই ভেন্যুতে ৪ মার্চ শুরু হবে চতুর্থ ও শেষ টেস্ট।

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

৪ অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, ৪ লাখ টাকা জরিমানা

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ খ্রিঃ তারিখ মঙ্গলবার পরিবেশ অধিদপ্তর, ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ বায়েজিদুর রহমান এর নেতৃত্বে এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জনাব এ, এইচ, এম, রাসেদ এর উপস্থিতিতে ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় ০৪ (চার) টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে মোট ৪,০০,০০০/- (চার লক্ষ) টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্টে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব কাজী সাইফুদ্দীন ও পরিদর্শক জনাব মনিরুজ্জামান শেখ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দ। মোবাইল কোর্টে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন ২০১৯ লঙ্ঘনের দায়ে নিম্নলিখিত ০৪ (চার) টি ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়:
ক) মেসার্স ফকির ব্রিকস্, স্বত্বাধিকারী: জনাব এখলাস আলী ফকির, খালাসীডাঙ্গী ছলেনামা, আকোটেরচর, সদরপুর, ফরিদপুর। জরিমানার পরিমান ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।
খ) আর এ এস ব্রিকস্, স্বত্বাধিকারী: জনাব সুশীল চন্দ্র দাস, শ্যামপুর, সদরপুর, ফরিদপুর। জরিমানার পরিমান ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।
গ) এইচ বি এফ ব্রিকস্, ম্যানেজার: জনাব আঃ মান্নান, মুটকচর, সদরপুর, ফরিদপুর। জরিমানার পরিমান ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।
ঘ) মর্ডান ব্রিকস্ ম্যানুফ্যাকচার (গইগ), স্বত্বাধিকারী: জনাব শুভজয় দত্ত, শুকদেব নগর, মানিকদহ, সদরপুর, ফরিদপুর। জরিমানার পরিমান ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।
উল্লিখিত ০৪ (চার) টি ইটভাটায় সর্বমোট ৪,০০,০০০/- (চার লক্ষ) টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
ভবিষ্যতেও অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরণের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সাদুল্লাপুরে হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার তিন শিক্ষার্থী নিখোঁজ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার পীরের হাট বান্নী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে তিন শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ৬টা থেকে নিখোঁজ হন তারা। নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলেন সাদুল্লাপুর উপজেলার তিলকপাড়া গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম (১১), একই গ্রামের রেজাউল করিম এর ছেলে শিপন (১০) ও পলাশবাড়ীর আশমতপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম শরিফ বাবু (৯)। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মেহেদী হাসান বাদী হয়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সাধারণ ডায়রি করেন। সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, নিখোঁজ তিন ছাত্রের সন্ধানে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

 

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

গাইবান্ধায় আম বাগানে সফল তিন বন্ধু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: করোনার থাবা চাকরি কেড়ে নিলেও হতাশ হননি তিন বন্ধু। শুধুমাত্র মাটির উপর ভর করে অভিশপ্ত অণুজীবকে আশীর্বাদে পরিণত করে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তারা। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে আমের মুকুলের জন্য ফালগুনের অপেক্ষা নয়, গুটির জন্য চৈত্র আর জ্যৈষ্ঠে মিলবে আমের স্বাদ। বারোমাসই রসালো এই ফলের স্বাদ পাওয়া যায় তা ভোক্তাদের অনেকেরই অজানা। গাইবান্ধার নিভৃত পল্লীর তিন বন্ধু রুবেল মন্ডল, মাসুদ রানা ও জাহিদ হাসান জয়ের কঠোর পরিশ্রমে এ সাফল্য। জাহিদ হাসান জয় বলৈন, ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তারা। করোনার হানায় চাকরি হারাবার পর অনেকের মতো তারা তিন বন্ধুও হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। চিন্তা এসে ভর করে মাথার ওপর। কি করবেন, জীবনই বা চলবে কিভাবে। ইউটিউবে নজরে আসে আমের বাগান। কাটিমন জাতের আম। সারা বছর আম পাওয়া যায়। তিনবন্ধু সিদ্ধান্ত নেয় কাটিমনের বাগান গড়ে তুলবেন তারা। ৬০ হাজার টাকায় ১৫ বছরের জন্য ৪ বিঘার একটি জমি লিজ করেন তারা। এরপর কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে ১ লক্ষ টাকায় ৫শত আমের চারা সংগ্রহ করেন। গাছের চারা লাগানোর মাত্র ২ মাসের মাথায় আমের মুকুল আসে। মুকুল থেকে গুটি তারপর আম। প্রথমবার আম বিক্রি করে হাতে আসে ৯০ হাজার টাকা। এরপর শুধু আমের ভরসায় না থেকে শুরু হয় চারা উৎপাদন। আম ছাড়াও বিক্রি হতে থাকে লক্ষ লক্ষ টাকার চারা। এখন পর্যন্ত বাগান থেকে বিক্রি হয়েছে তিন লক্ষ টাকার আম। লক্ষাধিক টাকার গাছের চারা বিক্রির পরও তাদের হাতে পঁচিশ হাজার বিক্রি উপযোগী আমের চারা আছে। যার বাজার মূল্য অন্তত পঁচিশ লক্ষ টাকা। কৃষি বিভাগ প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিচ্ছে। গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, করোনায় বিপদাপন্ন মানুষের কাছ থেকে অনেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেও দেশের মাটি যে কাউকে ফিরিয়ে দেয় না। কৃষি বিভাগ থেকে তাদের দেয়া হচ্ছে।

 

 

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

পৌরসভা নির্বাচনে আবারে নৌকার হাল ধরলেন বিপুল চন্দ্র হাওলাদার!

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী বিপুল চন্দ্র হাওলাদার ২য় বারের মত মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।
গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ৮:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা পর্যন্ত সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।
আইন শৃঙ্খলা বাহীনির কঠোর অবস্থার কারনে ভোট কেন্দ্রগুলোকে কোন অপৃতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে ভোটারদের উপস্থিতি কম লক্ষ করা গেছে। নির্বাচনে ১২,৮৯১ জন ভোটারের বিপরীতে মেয়র পদে ৪ জন কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদন্ধিতা করেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১ জন করে নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ৯জন আনসার সদস্য প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২ প্লাটুন বিজিবি ও ৬টি মোবাইল টিম ৩টি র‌্যাবের টিম মোতায়োন করা হয়েছিল।
এদিকে ই,ভি,এম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বিপুল চন্দ্র হাওলাদার ৩৬৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন, এবং তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম জগ প্রতীক নিয়ে ৩২০৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ১৯৯৭ সালে কলাপাড়া পৌরসভা গঠিত হওয়ার পর সর্বশেষ ৪র্থ বারের মত ২০১৫ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর কলাপাড়া পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা’র উন্নয়নের প্রতি অগাধ আস্থা- বিশ্বাস ও সর্বাত্মক সহযোগিতা-আন্তরিকতা এবং সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণে আমরা বিজয় অর্জন করেছে দ্বিতীয় বারের মতো পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি হলেন বিপুল চন্দ্র হাওলাদার এমনটাই ব্যক্ত করলেন কলাপাড়ার সর্বস্তরের জনগণ।

 

 

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

তাহিরপুরে যুবদলের আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবীতে একাংশের সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটি নিয়ে দেখা দিয়েছে বিরোধ। একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছে নেতাকর্মীরা। সম্প্রতি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হকের ছোট ভাই এনামুল হককে আহবায়ক করে ৪৪ সদস্য বিশিস্ট তাহিরপুর উপজেলা যুবদলের একটি কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্র থেকে। আর এই কমিটিকে একপক্ষ প্রত্যাক্ষান করে। সেই সাথে নবগঠিত যুবদলের আহবায়ক কমিটির বিভিন্ন পদে থাকা বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীরা পদত্যাগের ঘোষনা করেন। এনিয়ে পুরো উপজেলা জুড়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়।
আজ মঙ্গলবার (১৬ই ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২টায় ওই নতুন আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবীতে ছাত্রদল ও যুবদলের একাংশের নেতৃবৃন্দরা তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট বাজারের চাল পট্টিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে।
ওই সম্মেলনে তাহিরপুর উপজেলা যুবনেতা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম আখঞ্জি বলেন- নতুন আহবায়ক কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী নেতা কর্মীদের সঠিক ভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। অযোগ্য ও চামচাদেরকে ভাল পদ দিয়ে সঠিক ও যোগ্য নেতাকর্মীদের অসম্মান করা হয়েছে। কমিটি থেকে বাদ পড়েছে অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
তাহিরপুর উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হোসেন বলেন- সম্প্রতি যুবদলের আহবায়ক কমিটির নামে একটি হজবরল কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দলের ভিতর গ্রুপিং এর সৃষ্টি হয়েছে। তাই হজবরল কমিটি বালিত করে সঠিক ভাবে তথ্য নিয়ে যোগ্য নেতাকর্মীদেরকে দিয়ে নতুন কমিটি গঠনের দাবী জানাচ্ছি।
তাহিরপুর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির বিষয় নিয়ে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হক বলেন- যারা দূসময়ে দলের পাশে থেকে রাজপথে আন্দোলন করেছে তাদেরকে মূল্যায়ন করেই কেন্দ্র থেকে তাহিরপুর উপজেলা যুবদলের নতুন আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। এই কমিটির মাধ্যমে কাউকে অবহেলা কিংবা অসম্মান করা হয়নি। যারা কমিটি নিয়ে নানান অপপ্রচার করছে তারা বিভিন্ন সময় তাদের রুপ পরিবর্তন করে বিভিন্ন দলের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে। করেছে দলের বিরোধীতা। আর এই বিষয়গুলো উপর মহলের সবাই জানেন। তাই এব্যাপারে আর বিশেষ কিছু বলার নাই। তবে সবাই একত্রে দলের জন্য কাজ করতে চাই।
সাংবাদিক সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- জেলার তাহিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সাইদুল কিবরিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সুনামগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি সাবেক জেলা সভাপতি আমির শাহ আমির শাহ,ছাত্রদল নেতা মাহবুব মল্লিক ও রুকন উদ্দিন প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে