ধামরাইয়ে গ্রামীণ ব্যাংকে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ
শততম টেস্টে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে মুশফিক,বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ
ক্রীড়া ডেস্ক:
মিরপুর টেস্টে খেলতে নেমেই একটা মাইলফলক ছুঁয়েছেন মুশফিকুর রহিম। দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলছেন তিনি। ইতিহাস গড়া টেস্টে ব্যাট হাতেও দারুণ এক ইনিংসের সামনে দাঁড়িয়ে এই উইকেটকিপার ব্যাটার। নিজেদের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে আছেন মুশফিক। ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শেষ করেছেন। তার এমন দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে বড় সংগ্রহের দিকে হাঁটছে বাংলাদেশ।
প্রথম দিনের খেলা শেষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়ে ২৯২ রান। মুশফিক ৯৯ রানে অপরাজিত আছেন, অপর প্রান্তে লিটন দাস ৪৭ রানে অপরাজিত।
সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৬৮ রানের রেকর্ডগড়া জুটি গড়েছিলেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম এবং মাহমুদুল হাসান জয়। আজও বুধবার দুজনের ব্যাটে স্বাগতিকরা দারুণ সূচনা পায়। কিন্তু থিতু হয়েও উভয়েই ফিরেছেন হাফসেঞ্চুরি না করেই।
ভালো শুরুর পর ম্যাকব্রাইনের বলে আউট হয়েছেন দুই ওপেনার। সাদমান ব্যক্তিগত ৩৫ রান করে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েছেন। আম্পায়ার অবশ্য প্রথমে আউট দেননি। রিভিউ নিয়ে সফল হয়েছেন আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবার্নি। তাতে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৫২ রানে।
এরপর জয় দেখে-শুনেই খেলার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে বাউন্ডারি না পাওয়ায় চাপ বাড়ছিল তার ওপর। সেই চাপ কাটাতে ম্যাকব্রাইনের বলে বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন এই ওপেনার। তাতে হিতে বিপরীত হয়েছে। মিড-অফে তিনি ক্যাচ দিয়েছেন বদলি ফিল্ডার হিসেবে নামা ম্যাককার্থিকে। ফেরার আগে ডানহাতি এই ব্যাটার করেন ৩৪ রান।
চারে নেমে ব্যর্থ নাজমুল হোসেন শান্ত। সাদমান-জয়ের পর তাকেও ফেরান অভিজ্ঞ আইরিশ স্পিনার ম্যাথু ম্যাকব্রাইন। দুই ওপেনার ফেরার পর চাপে ছিল দল, ৮৮ বলে কোনো বাউন্ডারি পায়নি। শান্ত সেই খরা কাটন ম্যাকব্রাইনের বলে লং অন দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে। কিন্তু পরের বলেই বোল্ড হয়ে যান অধিনায়ক।
আইরিশ অফ স্পিনার বলটি ফেলেছিলেন অফ স্টাম্পের বেশ বাইরে। কিছুটা লাফিয়ে ওঠা বলটি টার্ন করে ভেতরের দিকে ঢোকার ফলে শান্ত সামলে উঠতে পারেননি। বল তার ব্যাটে এজ হয়ে ভেঙে দেয় অফ স্টাম্প। বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারায় ৯৫ রানে।
এরপর দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিক এবং মুমিনুল দলের হাল ধরেন। দুজনে মিলে চতুর্থ উইকেট জুটিতে যোগ করেন ১০৭ রান। ১২৮ বলে ৬৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল।
এরপর দিনের বাকিটা সময় লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ভালোভাবেই পার করেন মুশফিক। দুজনের সাবলীল ব্যাটিংয়ে আইরিশদের ওপর চাপ বাড়ায় বাংলাদেশ। দুজনেই দিন শেষ করেছেন মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায় থেকে। মুশফিক সেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রান দূরে, আর লিটনের হাফ সেঞ্চুরি থেকে আর ৩ রান দুরে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯নভেম্বর ২০২৫/মওম
কার তদবিরে থানা থেকে ছাড় পেলেন আসামি: পুলিশ প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন সপুর
যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ায় হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র-নির্মিত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ায় কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী দক্ষিণ রাশিয়ার ভোরোনেজ শহর লক্ষ্য করে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার চেষ্টায় চারটি এটিএসিএমসি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
মঙ্গলবার ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের-সরবরাহকৃত এটিএসিএমসি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করেছে। একে ‘উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
কিয়েভ ২০২৩ সালে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হাতে পেয়েছে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে কেবল তাদের নিজস্ব অঞ্চলে এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা ছিল।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানিয়েছে, রাশিয়ার এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ক্রু এবং প্যানসির ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র ব্যবস্থা সব এটিএসিএমসি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ভোরোনেজের একটি বাড়ি এবং একটি এতিমখানার ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রণালয় ছবি প্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে যে, গোয়েন্দা বিমান খারকিভ অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের স্থান চিহ্নিত করেছে।
রাশিয়া জানিয়েছে, তারা দুটি ইউক্রেনীয় মাল্টিপল রকেট লঞ্চার ধ্বংস করার জন্য ইস্কান্দার-এম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ইউক্রেন এর আগে জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-নির্মিত এসব ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার ভূখণ্ডে আক্রমণ চালিয়েছে এবং রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
সূত্র:এএফপি
আলোকিত প্রতিদিন/১৯নভেম্বর ২০২৫/মওম
মানুষের পাশে থেকে তাদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে হবে: শামা ওবায়েদ
আলোকিত প্রতিবেদক:
মানুষের পাশে থেকে তাদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি এ আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম দলের সভাপতি শামা ওবায়েদ।
১৯ নভেম্বর বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন, সংবিধানের পরিবর্তন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, স্বচ্ছ এবং দায়বদ্ধ সংসদ প্রতিষ্ঠার জন্য কিন্তু বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। আমরা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম যেভাবে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করি, দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দল কিন্তু মুক্তিযুদ্ধকে সেভাবে ধারণ করে না।
শামা ওবায়েদ বলেন, বর্তমানের ভোটারের ৪০ ভাগের বয়স ৩০ বছরেরও কম। এই বিশালসংখ্যক ভোটারের কাছে যাওয়ার একটি মুখ্য মাধ্যম হলো জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম। আমরা যদি এই তরুণ প্রজন্মের পাশে থাকতে পারি, তাহলে তা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম সবসময় স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যতা বজায় রাখে। আর এর জন্যই জেলা-উপজেলা পর্যায়ে প্রজন্ম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পেরেছে। এই ধারা বজায় রাখতে হবে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে প্রজন্ম কখনো আপোষ করেনি। দেশের জাতীয় ইস্যুতে আঘাত করে, এমন প্রশ্নে জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম দল সবসময় সরব ছিল। সুতরাং এই উপলব্ধি আপনাদের নিজে থেকেই আসতে হবে। জনগণের পাশে থেকে তাদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর উত্তরে সভাপতি ওবায়দূর রহমান অটল প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯নভেম্বর ২০২৫/মওম
তফসিলের পর ডিসি-এসপিদের লটারির মাধ্যমে রদবদল চায় জামায়াত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাম্প্রতিক জনপ্রশাসন এবং পুলিশে রদবদল নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি দাবি করেছে,তফসিল ঘোষণার পর একদিনে সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং পুলিশ সুপারকে (এসপি) একযোগে বদলি করতে হবে। এক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা নিশ্চিতে প্রয়োজনে লটারির মাধ্যমে রদবদল করার পরামর্শ দিয়েছেন দলটির নেতারা।
১৯ নভেম্বর বুধবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে জামায়াতের নেতারা মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সংলাপে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাম্প্রতিক জনপ্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনে রদবদলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, রদবদলের বিষয়টি এক মাসে হয়নি, ২০ দিনও হয়নি, ডিসি যেখানে সেখানে রদবদল হয়েছে। মনে হয়েছে ডিজাইন করে একটি উদ্দেশ্যে কোনো জায়গা থেকে এটা হচ্ছে।
তিনি মনে করেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন যখন এসব বিষয়ে এখতিয়ার লাভ করবে, তখন দলীয় প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে প্রশাসন এবং পুলিশে রদবদল করা যেতে পারে। প্রশাসনে নিরপেক্ষতায় আস্থা রাখার উপায় হলো লটারির মাধ্যমে ট্রান্সফার হওয়া, যার যেখানে তকদিরে আছে।
গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, আগেও দু-একটা নির্বাচনে হয়েছে—তফসিল ঘোষণার পর একদিনে, একরাতে সব ডিসি-এসপি রদবদল ঘটেছে। জাতি আস্থা রেখেছে, কমপ্লেইন ছিল না। নির্বাচন কমিশন এরকম একটা সিদ্ধান্ত না নিলে, এখন যেটা হচ্ছে পরিকল্পিত, ইনটেনশনাল। তিনি ইসিকে তাদের একমাত্র আস্থার জায়গা হিসেবে উল্লেখ করে তফসিলের পর একযোগে সব ডিসি-এসপি রদবদলের দাবি জানান।
জামায়াতের পক্ষ থেকে ভোটকেন্দ্রে সেনা মোতায়েনের দাবি জানায় দলটি। সেক্ষেত্রে একজন নয় বরং চার-পাঁচ সদস্যের একটি দল নিয়োজিত করা ভালো বলে মত দেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। এছাড়াও, আচরণবিধি ও প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ভোটিংয়ে গণভোটের প্রসঙ্গ উঠে না আসার বিষয়টি তুলে ধরে জুলাই সনদের নিয়ে গণভোটের প্রচারণার দায়িত্বও ইসির বলে জানান তিনি।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ ইসির প্রস্তুতি ও আন্তরিকতার প্রতি আস্থা প্রকাশ করলেও ‘এক্সিকিউটিভ লেভেলে’ প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, সর্ষের মধ্যে ভূত আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসি স্বাধীন হতে হলে অবশ্যই সাহসী হতে হবে। সাহস দেখালে হবে না শুধু; স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে। শুধু পলিসি লেভেলে স্বচ্ছতা থাকলে হবে না, এক্সিকিউটিভ লেভেলে সমন্বয় না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। বর্তমান সরকার পরিবর্তিত হলেও আমলাতন্ত্রের মধ্যে মৌলিক পরিবর্তন কম এসেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, দলীয় সরকার না হলেও দলকানা লোক সরকারে আছে।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে নিয়োগ বদলি হচ্ছে। জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন দেখানো হচ্ছে। একটি দল আছে শুধু, এদেরকে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। এ রিপোর্টের ভিত্তিতে নিয়োগ হলে কীভাবে নির্বাচন হবে, হৈ চৈ হবে। লটারির ভিত্তিতে ডিসি, এসপি, ওসি, নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়োগ বদলি করতে হবে।
তিনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের আহ্বান জানান এবং অবৈধ/বৈধ অস্ত্র উদ্ধারে উপকূলীয় এবং পার্বত্য এলাকায় বিশেষ নজর দেওয়ার তাগিদ দেন।
আযাদ বডিওর্ন ক্যামেরার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা রাখার পক্ষে মত দেন। এছাড়াও, ব্যালট পেপার নকল নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ডাকসু-চাকসুর মতো নির্বাচনে ওঠা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এক্সট্রা ব্যালট পেপার যেন কোনোভাবে বিতরণ না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯নভেম্বর ২০২৫/মওম
সহকারী অধ্যাপক রিফাত আহমেদের বদলি বাতিলের দাবিতে শ্রীবরদীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, শেরপুর: শেরপুরের শ্রীবরদী সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রিফাত আহমেদের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে কলেজ গেট থেকে শিক্ষার্থীদের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে অবস্থান নেয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। এরপর মিছিলটি ফের কলেজের সামনে এসে আধাঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, নিষ্ঠাবান, ছাত্রবান্ধব ও আদর্শ শিক্ষক রিফাত আহমেদের বদলির সিদ্ধান্ত অন্যায় এবং এতে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই বদলি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ আলী বলেন, “আমি শিক্ষার্থীদের দেওয়া স্মারকলিপি পেয়েছি এবং তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করবো।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ বলেন, “শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পেয়েছি, জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণ করা হবে।” উল্লেখ্য, গত ১৩ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে রিফাত আহমেদকে শ্রীবরদী সরকারি কলেজ থেকে শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
ঘাটাইলে লাল কার্ড’ হাতে নিয়ে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার মানববন্ধন!
মানিকগঞ্জে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক
কুড়িগ্রামে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মশালা
জি এম রাশেদুল ইসলাম:
কুড়িগ্রামে ওর্য়াড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় ওর্য়াড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা। ব্র্যাক দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্মসুচি এ কর্মশালার আয়োজন করে। এসময় উপস্থিত, যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর, প্যানেল চেয়ারম্যান রহিম উদ্দিন হায়দার রিপন, ব্র্যাকের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর রেদওয়ানুজ্জান চৌধুরী, সুব্রত প্রমুখ।
এসময় যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন,আমাদের ইউনিয়নটি নদী বেষ্টিত, এবং দুর্যোগপূর্ন। এখানে দুর্যোগ নিয়ে কাজ করছে ব্র্যাক। আমরা চাই তাদের এ কাজটি অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮নভেম্বর ২০২৫/মওম

