আজ মঙ্গলবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 174

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা: জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন দর্শনার্থীদের মন ছুঁয়েছে

রিপন পাল:

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় স্থাপিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ সম্পর্কিত জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন দর্শনার্থীদের  মন ছুঁয়েছে। এ প্যাভিলিয়ন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নারী-পুরুষ, ছাত্র-ছাত্রী ও তরুণ-তরুণীরা পরিদর্শন করছে। নতুন বাংলাদেশের অর্জিত শ্রদ্ধা জানাতে মেলায় এ প্যাভিলিয়নটি তৈরি করা হয়েছে। যেখানে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে মসনদ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। এখানে তরুণ-তরুণীরা আসছে শিখতে-শেখাতে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় প্রবেশ করে হাতের ডান দিকেই জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্যাভিলিয়নের অবস্থান। প্রবেশ গেইটের ভেতরে পূর্বের দিকেই এগিয়ে গেলেই প্রথমে চোখে পড়বে এই গ্যালারি। এখানে শহীদদের ও আন্দোলনে নেতৃত্বদের কর্মকান্ড তুলে ধরতে এই গ্যালারি সাজানো হয়েছে। এই গ্যালারিতে স্থান পেয়েছে ১জুলাই থেকে ৩৬জুলাইয়ের দিন, ক্ষণ ও ঘটনা সংবলিত ছবি-লেখা। শহীদ ওসমান হাদীর আবৃতি ও বক্তব্য ভিডিও প্রদর্শন করা হচ্ছে। রয়েছে জুলাই বিপ্লবে শহীদদের ছবি।
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্যাভিলিয়নে লেখা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতের সংখ্যা ১৪হাজার ২৪০জন, স্থায়ী পঙ্গুত্ব ১হাজার ৬০০জন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ২৩৫জন, অঙ্গচ্ছেদজনিত সমস্যা ২৩জন, ¯ স্নায়ুজনিত আঘাত ৩২জন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ১২হাজার এবং মেরুদন্ডে আঘাত ৩০জন।
কেউ প্যাভিলিয়নে দেওয়া গুণিজনদের উক্তি নোট করছেন। কেউ বসে তা পড়ছেন। কেউবা অধীর আগ্রহে এক ধ্যানে শহীদ আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, শহীদ ফারহান ফাইয়াজসহ শহীদদের নিথর দেহের ছবি দেখছেন। কেউবা তাঁদের প্রতিকৃতির সঙ্গে ছবি তুলছেন। এ দৃশ্য প্রতিদিনের বাণিজ্য মেলার এ গ্যালারিতে।
এ বিষয়ে লেখা কবিতা ও বই। নতুন বাংলাদেশের চেতনার বাণী গ্যালারিতে স্থান পেয়েছে। স্বল্পপরিসরে যেন সবই রাখা হয়েছে। পুরো গ্যালারিটাই যেন একটি আন্দোলন, স্মৃতি ও আবেগ। এ প্যাভিলিয়নে দর্শনার্থীদর ভিড় লেগেই থাকে।
জুলাইয়ের ছাত্র জনতার বিপ্লব স্মরণে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্যাভিলিয়নে তরুণ-তরুণী ও শিক্ষার্থীদের ভিড়। অনেকেই বাব-মায়ের সঙ্গে গ্যালারিতে স্থান পাওয়া ছবি, লেখা মনোযোগ দিয়ে উপলব্ধি করছেন। গ্যালারিতে স্থান পাওয়া লেখাগুলোর মধ্যে রয়েছে রক্তে আগুন লেগেছে। যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। শুধু কোটা নয় গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন। আওয়াজ উঠা কথা ‘ক’। রক্তের ক্যানভাসে লেখা নাম। জুলাই অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের এখন পর্যন্ত সংগৃহীত তালিকা উপস্থাপন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম। শোক নয় দ্রোহ। সোনার বাংলা আজ মৃত্যুপুরী কেন। শহীদরা আমাদের শোক নয়, তারা আমাদের শক্তি। দুঃসাহসে এগিয়ে দেয়া বুক, প্রতিরোধে প্রসারিত দুই হাত, শহীদ আবু সাঈদ আমাদের অহঙ্কার, নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার। এসব লেখা মনোযোগে দর্শনার্থীরা পড়ছেন। কেউবা আবেগ আপ্লুত হয়ে ওঠছেন।
এছাড়া গণঅভ্যুত্থানে হওয়া শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ফারহান ফাইয়াজ, শহীদ মীর মুগ্ধসহ শহীদদের নাম ও ছবি এখানে স্থান পেয়েছে। এ বিষয়ে কবিতা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১ থেকে ৩৬ জুলাইয়ের দিন, ক্ষণ ও ঘটনা। মীর মুগ্ধের সেই কথাগুলো পানি লাগবে কারো পানি। গণঅভ্যুত্থানে গণমাধ্যমে প্রাকাশিত সংবাদের অংশ, লাল জুলাইয়ের গল্প শুনুন, তোমাদেরর রক্ত বৃথা যেতে দেইনি। রক্তাক্ত জুলাই। লাশের ভিতর জীবনরে, নাইলে গদি ছাইরা দে। ভয় পেলে তুমি শেষ, রুখে দাড়ালে বাংলাদেশ। তোমার লাল জুলাই। কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ-দাদার। আমি কে তুমি কে, রাজাকার রাজাকার। বল বীর চিরউন্নত মম শির, বুকের ভিতর অনেক জড়, বুক পেতেছি গুলি কর। মাইরা তো ফেলছি, সামনে আসছে ফাগুন, আমরা হবো দ্বিগুন। এখন কি করবা?, দেশটা তোমার বাপের নাকি, করছো ছলা-কলা। কিছু বললেই ধরছো চেপে জনগণের গলা। লাখো শহীদের রক্তে কেনা, দেশটা কারো বাপের না। ধর্ম যার যার, দেশ সবার। এইরকম বহু মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্যাভিলিয়নে স্থান পেয়েছে। এছাড়াও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম এখানে স্থান পেয়েছে।
রাজধানীর বনশ্রী থেকে ব্যবসায়ী মোঃ ওবায়দুর রহমান কিরণ ছেলে-মেয়ে ও নাতি-নাতনিদের সঙ্গে নিয়ে মেলায় এসেছেন। প্রবেশ করেছেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্যাভিলিয়নে। প্রবেশ করে ছেলে-মেয়ে কিংবা নাতি-নাতনিদের উদ্দেশ্যে জুলাই-আগষ্টের বিভিন্ন সময়ের আন্দোলনের ছবি দেখিয়ে তার আদর্শের কথা তুলে ধরছেন। সেই ছবিগুলোর মর্মকথাও বলছেন। তুলে ধরছেন আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস। কথা বলতে বলতে তিনি এক সময় স্মৃতিকাতর হয়ে ওঠেন। তার চোখে পানি চলে আসে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সৈকত মিয়া বলেন, পূর্বাচলে আয়োজিত মেলা রাজধানীর বাইরে হলেও এলাকাটি সুন্দর। কয়েক বছর পর এখানকার পরিবেশ আরো সুন্দর হয়ে উঠবে বলে আমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, মেলায় এলে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্যাভিলিয়নে একবার হলেও প্রত্যেকের আসা উচিত। নতুন প্রজন্মকে জানাতে মেলায় আরো বৃহত্তর পরিসরে জুলাই বিপ্লবের কার্যক্রম আরো ব্যাপকভাবে স্থাপন করা প্রয়োজন।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব তরফদার সোহেল রহমান বলেন, মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং ছুটির দিন ১০টা পর্যন্ত চলে। মেলাতে বড়দের টিকেট মূল্য ৫০টাকা ও ছোটদের ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাণিজ্য মেলায় অনলাইন টিকেটিং সহ বেশকিছু নতুন বিষয় রয়েছে। প্রবেশ গেইটে কোন ভিড় নেই। ক্রেতা-দর্শনার্থীরা নির্বিঘেœ মেলায় প্রবেশ করছে। তবে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ও জুলাই আহতরা কার্ড দেখিয়ে প্রবেশ মূল্য ছাড়াই মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। এবারের বাণিজ্য মেলা ব্যবসা সফল হবে বলে তিনি আশা করছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

কোনো উসকানিতে পা দেব না: মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের উদ্দেশ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক কথাবার্তা এবং কাজকর্ম থেকে বিরত থাকতে হবে।

একই আসনের অন্য প্রার্থীদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, অনেকেই নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অমান্য করে উসকানিমূলক কথাবার্তা বলছেন। আমরা যেন তাদের প্রতিবাদ করি। কিন্তু আমরা কোনো উসকানিতে পা দেব না।

১৪ জানুয়ারি বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পাশে তার নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং শান্ত। তাই আমরা কোনো উসকানিতে পা দেব না। তবে নির্বাচন কমিশনারকে আহ্বান জানাই তারা যেন এসব বিষয় খেয়াল রাখেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ ইসরায়েলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রকে ধৈর্য ধারণের পরামর্শ দিয়েছে ইসরায়েল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসির বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এনবিসি জানিয়েছে, ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে ইসরায়েল এবং মিত্রস্থানীয় আরব দেশগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তৃত বৈঠক করেছেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সেই বৈঠকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বলেছেন, এটা সত্যি যে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দিন দিন তীব্র আকার নিচ্ছে, তবে দেশটিতে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রি সরকার এখনও এত দুর্বল অবস্থায় পৌঁছায়নি, যে মার্কিন সামরিক অভিযানে নিশ্চিতভাবে তাদের পতন ঘটানো যাবে।

তাদের মতে, যখন এই ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে যে সামরিক অভিযান চালালে ইরানে ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটবে— তখনই অভিযান চালানোর আদর্শ সময়। তার আগ পর্যন্ত বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে বাইরে থেকে এমন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া, যার জেরে ইরানের বিক্ষুব্ধ জনতা উপকৃত হয়, ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি প্রজাতন্ত্রের শাসকগোষ্ঠী চাপে থাকে এবং কোনো দেশ যেন ইরানের সরকারের পাশে দাঁড়াতে না পারে।

ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে— এমন দেশগুলোর ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত রপ্তানি শুল্ক আরোপের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, সেটি ইসরায়েলের পরামর্শেই নিয়েছেন।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা আভাস দিয়েছেন যে ইরানে হামলার পরিস্থিতি এলে সে সময় তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের অন্যতম মিত্র কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজিদ আল আনসারি গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে সামরিক অভিযান চালায়, তাহলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং আশপাশের অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়বে।

এদিকে একই দিন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানের জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে তিনি বলেছেন, “ইরানের দেশপ্রেমিক জনগণ, আপনারা বিক্ষোভ-আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যান—নিজেদের জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দখল নিন। হত্যাকারী-নির্যাতনকারীদের নাম নথিবদ্ধ করুন। চড়া মূল্য দিতে হবে তাদের ।”

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

সৌদি আরবজুড়ে বইছে শৈত্য প্রবাহ, তাপমাত্রা মাইনাসে নামার পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের মরু আবহাওয়ার দেশ সৌদি আরবের প্রায় সব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। এক পূর্বাভাসে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটেরোলজি (এনসিএম) জানিয়েছে, শিগগিরই আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই এবং সামনের দিনে তাপমাত্রা শূণ্যের নিচে নামতে পারে।

সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)-কে এনসিএমের মুখপাত্র হুসেইন আল কাহতানি বলেছেন, আজ থেকে পুরো সৌদি আরবে শৈত্য প্রবাহ শুরু হয়েছে। এই প্রবাহ অন্তত আগামী শনিবার পর্যন্ত থাকবে এবং এই সময়সীমার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তাপমাত্রা মাইনাস ৩ ডিগ্রি থেকে মাইনাস এক ডিগ্রির মধ্যে থাকবে।

সৌদির তাবুক, আল জৌফ, উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকা, হাইল এবং মদিন প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে ঠান্ডা বেশি পড়তে পারে। এছাড়া আল কাসিম, রাজধানী রিয়াদের উত্তরাঞ্চল এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ। এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি থেকে ১ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে বলে জানিয়েছেন হুসেইন আল কাহতানি।

“দেশজুড়ে অন্তত এক সপ্তাহ শৈত্য প্রবাহ থাকবে। তারপর এটি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হবে। এ শৈত্যপ্রবাহের জেরে হঠাৎ করেই তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে জনগণকে শীত বিষয়ক প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে” বলেন আল কাহতানি।

প্রসঙ্গত, মরু আবহাওয়ার দেশ সৌদি আরবে প্রায় সারা বছরই গরম থাকে। শীতের সময়ে দেশটিতে গরম কমলেও তাপামাত্রা এই পরিমাণ নেমে যাওয়ার ঘটনা বিরল।

সূত্র : গালফ নিউজ

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

টাঙ্গাইলে ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের কনফারেন্স হলে ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন’ বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ জানুয়ারি বুধবার জেলার প্রিণ্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রেস কাউন্সিল ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। রিসোর্স পার্সন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব(উপ-সচিব) মো. আব্দুস সবুর।

কর্মশালায় ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকালীন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি প্রতিপালনের গুরুত্ব’ এবং ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট-১৯৭৪ এর প্রয়োগ’ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় আচরণবিধি-১৯৯৩(২০০২ সালে সংশোধিত), তথ্য অধিকার আইন-২০০৯, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট অঅইন-২০১৪ এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথি বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন নয়- ঐক্যবদ্ধতা জরুরি। বিভাজিত জাতি সামনে এগিয়ে যেতে পারেনা। এজন্য ঐক্যবদ্ধার বিকল্প আমাদের সামনে নেই।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি স্বাধীন পেশা- এজন্য কোনো নির্দিষ্ট মিডিয়ায় সংযুক্ত না থেকেও ফ্রি-ল্যান্সার হিসেবে সাংবাদিকতা করা যায়, দেশের কল্যাণে কাজ করা যায়। সাংবাদিকদের জন্য প্রেসক্লাব বা কোনো সংগঠনে সংযুক্ত থাকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় টাঙ্গাইলের প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন ও টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা অংশ নেন। পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ,মার্কিন কূটনীতিকদের বললেন প্রধান উপদেষ্টা

আলোকিত ডেস্ক:

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনে দায়িত্ব পালনকারী যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আলবার্ট গোম্বিস এবং মর্স ট্যান গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি একথা বলেন। আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় তা জানানো হয়েছে।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের বন্যা এবং পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। কে কী বলল, তা বিবেচ্য নয়। নির্ধারিত ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে; এর একদিন আগেও নয়, একদিন পরেও নয়,’ বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, ভোট হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে। নির্বাচনকালীন সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে পক্ষপাতমুক্ত প্রশাসন পরিচালনা করবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট আলবার্ট গোম্বিস এবং সাবেক অ্যাম্বাসাডর-অ্যাট-লার্জ মর্স ট্যান নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশ সফর করছেন।

প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ও সফররত কূটনীতিকরা আসন্ন নির্বাচন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং এর পরবর্তী পরিস্থিতি, তরুণ আন্দোলনকারীদের উত্থান, জুলাই সনদ ও গণভোট, নির্বাচনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো ভুয়া খবর ও মিসইনফরমেশন, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশনে’র সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। জনগণের সম্মতি পেলে জুলাই সনদ গণতান্ত্রিক শাসনের এক নতুন যুগের সূচনা করবে। ভবিষ্যতে স্বৈরশাসনের কোনো সুযোগ রাখবে না।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের সমর্থকেরা নির্বাচনকে ঘিরে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ভুয়া খবর ও অপতথ্য ছড়াচ্ছে। তবে জনগণ এখন সচেতন। ক্রমেই তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও শনাক্ত করতে পারছে।

সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি গোম্বিস একমত পোষণ করে বলেন, ভুয়া খবর বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের “প্রধান শত্রুদের একটি” হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং এই হুমকি মোকাবিলায় আরও জোরালো প্রচেষ্টার প্রয়োজন রয়েছে ।

দুই কূটনীতিক গত দেড় বছরে সরকার পরিচালনায় প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তারা জানতে চান, বর্ণবৈষম্য-পরবর্তী দক্ষিণ আফ্রিকার আদলে বাংলাদেশে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব কি না।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, প্রয়াত নেলসন ম্যান্ডেলার একজন বন্ধু হিসেবে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশনের প্রক্রিয়া ঘনিষ্ঠভাবে দেখেছিলেন। তবে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শাসকগোষ্ঠী তাদের অপরাধ অস্বীকার করে যাওয়ায়, এই মুহূর্তে বাংলাদেশে সে ধরনের কোনো উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না।

তিনি বলেন, ‘সময় এখনো উপযুক্ত নয়। কোথা থেকে শুরু করবেন? ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন তখনই সম্ভব, যখন কেউ স্বীকার করে যে সে ভুল করেছে, নিজের অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হয়, অনুশোচনা প্রকাশ করে।’

নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন মোতায়েন অন-অ্যারাইভাল ভিসা স্থগিত : নাগ‌রিকদের যে বার্তা দিল ভুটান-মালদ্বীপ ‘কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের কোনো অনুশোচনা নেই, কোনো অনুতাপ নেই। বরং তারা দাবি করছে যে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত তরুণরা সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছে। তাদের অপরাধের বিপুল পরিমাণে প্রমাণ রয়েছে। তারা যা করেছে তা সম্পূর্ণ বর্বরোচিত অপরাধ তবু তারা সম্পূর্ণ অস্বীকারের অবস্থানেই রয়েছে।’

বৈঠকে এসডিজি সমন্বয়ক এবং সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদও উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

মানিকগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ির মালিককে খুন, আটক ১

মো: মহিদ:

মানিকগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ির মালিককে খুনের ঘটনা ঘটেছে। পরে সেই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ভাড়াটিয়া মোশাররফ হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডের শিকার নুরজাহান বেগমের স্বর্ণালঙ্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম। সংবাদ সম্মেলন তিনি জানান , গত ১০ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পৌলী এলাকায় নিজ বাড়িতে খুন হন নুরজাহান বেগম (৫৫)। তিনি পেশায় একজন মুদি দোকানি ছিলেন। ঘটনার পরের দিন তার মেয়ে কাজল রেখা একাধিকবার তার মায়ের কাছে ফোন দিলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়।
পরে ভাড়াটিয়ার মাধ্যমে জানতে পারে, নুরজাহানের ঘরের দরজা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ। সারাদিন খোঁজাখুঁজির পর রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে ঘরের ভেতরে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু অবস্থায় আলো জ্বলতে দেখা যায়। পরে আরেক ভাড়াটিয়া মশিয়ার সরদারের সহায়তায় দরজার তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নূরজাহান বেগমের মেয়ে কাজল রেখা (৩৭) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, টিনশেড ঘরের গোসলখানার ভেন্টিলেটরের ফাঁকা জায়গা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে ঐ দুর্বৃত্ত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। পরে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার ( ১৩ জানুয়ারি) আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে শিবালয় থানার দক্ষিণ শালজানা এলাকা থেকে মোশাররফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। অভিযুক্ত মোশারফ, নুরজাহানের বাড়িতে গত ছয় মাস যাবত ভাড়া থাকতেন। তার সঙ্গে বাড়ির মালিক নুরজাহান বেগমের সাথে বেশ কিছুদিন ধরেই আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিল। পাওনা টাকার হিসাব নিয়ে চাপ এবং তার স্ত্রীকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্যের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে সে হত্যার পরিকল্পনা করে। আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঘটনার রাতে সে নুরজাহানের ঘরে প্রবেশ করে প্রথমে কাঠের পিড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে ওড়না ও কাঁথা দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করে এবং সবশেষে কারেন্টের তার গলায় পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর কানের দুলসহ অন্যান্য স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে সে পালিয়ে যায়, যা পরে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তাকে দ্রুত আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

 

বান্দরবা‌নে সাংবা‌দিক‌কে প্রা*ণ না‌*শের হু*ম‌*কি-থানায় অ‌*ভি‌যো*গ

মো: নজরুল ইসলাম (টিটু):

বান্দরবান একু‌শে টে‌লি‌ভিশ‌ন এবং বাংলা এডিশন এর জেলা প্রতি‌নি‌ধি মোঃ নজরুল ইসলাম (টিটু)কে প্রাণ না‌শের হুম‌কি দি‌য়ে‌ছে বান্দরবান সদর উপ‌জেলা কৃষকদ‌লের আহ্বায়ক প‌রিচ‌য়ে মো: আলমগীর সুমন। এ নি‌য়ে বান্দরবান সদর থানায় এক‌টি অ‌ভি‌যোগ দা‌য়ের ক‌রা হ‌য়ে‌ছে।

১২জানুয়ারী সোমবার দুপুর ১২টার দি‌কে বান্দরবান জেলা প্রশাস‌কের কার্যাল‌য়ের প্রধান ফট‌কের ভেত‌রে এ ঘটনা ঘ‌টে।

এ বিষ‌য়ে ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম টিটু জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ আলমগীর সুমন আমা‌কে অযথা গা‌য়ে প‌ড়ে প্রকা‌শ্যে বিভিন্নভাবে হয়রানি, গালিগালাজ, ভয়ভীতির প্রদর্শন, মারধ‌রসহ প্রাণনা‌শের হুম‌কি দি‌য়ে আস‌ছিল। ক‌য়েক‌দিন চুপচাপ থাকার পর ১১জানুয়ারী র‌বিবার রাত ৯টার দি‌কে বান্দরবান থানচি স্টেশন (৩নং) এলাকায় আমি বসে থাকা অবস্থায় সে আমাকে নানা বিষ‌য়ে উস্কা‌নি দি‌তে থা‌কে। এক পর্যা‌য়ে সে আমার গা‌য়ে হাত দেবার চেষ্ঠা কর‌লে আশপা‌শের লোকজন তা‌কে ধ‌রে রা‌খে এবং আমি ঘটনাস্থল ত‌্যাগ ক‌রি। সে জানায়, প‌রের‌দিন ১২জানুয়ারী সোমবার দুপুরে সে জেলা প্রশাস‌কের কার্যাল‌য়ের প্রধান ফট‌কের সাম‌নে আমা‌কে একা পে‌য়ে পুনরায় গালিগালাজ করে এবং আমাকে মারধর করার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসলে আমি মানসম্মাণ ও প্রাণ ভ‌য়ে ঘটনাস্থল ত‌্যাগ ক‌রি যা আশপা‌শের সি‌সিটি‌ভি চেক কর‌লে সত‌্যতা মিল‌বে। উক্ত ঘটনার পর থে‌কে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং ভবিষ্যতে আমার জান-মালের ক্ষতির আশঙ্কা করার কার‌ণে অ‌ভি‌যোগ দা‌য়ের ক‌রে‌ছি।

এবিষ‌য়ে জেলা কৃষকদ‌লের সে‌ক্রেটারী মোঃ ম‌নির হো‌সেন ভুইয়া ব‌লেন, বিষয়‌টি আমি আহ্বায়‌কের সা‌থে নি‌য়ে আলাপ কর‌বো। জেলা বিএন‌পির সদস‌্য স‌চিব জা‌বেদ রেজা জানান, এ ধর‌ণের কোন নেতা‌কে প্রশ্রয় দেয়া হ‌বেনা। অবশ‌্যই তার বিরু‌দ্ধে ব‌্যবস্থা নেয়া হ‌বে।

এদি‌কে বিষয়‌টি নিয়ে জেলা বিএন‌পির আহ্বায়ক ও বিএনপি মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী সা‌চিং প্রু জেরী ব‌লেন, আলমগীর সুমন‌কে আমি ভালভা‌বে চি‌নিনা। জেলা কৃষকদ‌লের সে‌ক্রেটারী ম‌নির হো‌সেন হয়‌তো চিন‌বে। তার সা‌থে আলাপ ক‌রে ব‌্যবস্থা নেয়া হ‌বে।

এদি‌কে নির্বাচ‌নের আগ মূহু‌র্তে নেতা‌দের এমন উগ্র আচ‌র‌ণে ক্ষুব্দ বিএন‌পির বি‌ভিন্ন দ‌লের নেতাকর্মীরা। তা‌দের দা‌বি এমন নেতা‌দের দ‌লে রাখ‌লে ক্ষমতা পে‌লে বড় ধর‌ণের দূর্ঘটনা ঘট‌বে। তাই এমন উগ্র নেতা‌দের ব‌হিস্কা‌রের দা‌বি জা‌নি‌য়ে‌ছেন তারা। অপর দিকে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যেও বড় ধরনের আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

ট্রাইকো-কম্পোষ্ট সারের দিকে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

মোঃ আনোয়ার হোসেন:

এখন শুরু হইছে রবি শস্যের মৌসুম। কৃষক এখন মহাব্যস্ত ফসল উৎপাদনে। ফসলের উৎপাদন বাড়াতে হলে ট্রাইকো-কম্পোষ্ট ব্যবহার করতে হবে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় মাটি থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করতে প্রতি ৩ বছরে একবার বিঘা প্রতি ১২০ কেজি ডলুচুন প্রয়োগ করতে হবে। তাই কৃষকের উচিত প্রতি মৌসুমে বিঘা প্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ কেজি জৈবসার ব্যবহার করা। ট্রাইকো-কম্পোস্টের উপাদান গুলো হল-
রাসায়নিক মুক্ত গোবর বা পচা জৈব সার, ফসলের অবশিষ্টাংশ (খড়, পাতা, আগাছা), ট্রাইকোডার্মা ছত্রাক কালচার, চাল কুঁড়া বা গমের ভুসি, পানি (আর্দ্রতা বজায় রাখতে)।
এই সব উপাদান ভালো ভাবে মিশিয়ে আর্দ্র অবস্থায় ঢেকে রাখা হয় ৭–১০ দিন। এই সময় ট্রাইকোডার্মা ছত্রাক দ্রুত বংশবিস্তার করে এবং ট্রাইকো-কম্পোস্ট সারে কার্যকরী হয়। এ সার জমিতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে ১–১.৫ কেজি বা প্রতি বিঘায় ১০–১৫ কেজি। চারা রোপণের আগে বা জমি চাষের সময় মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়। চারা লাগানোর সময় প্রতি গর্তে ১–২ মুঠো ট্রাইকো-কম্পোস্ট দিয়ে চারা লাগালে গোড়া পচা, ঢলে পড়া, শিকড় পচা রোগ কমে যায়। ট্রাইকো-কম্পোস্ট মাটির ক্ষতিকর ছত্রাক ধ্বংস করে, শিকড়ের বৃদ্ধি বাড়ায়, রাসায়নিক ছত্রাকনাশকের প্রয়োজন কমায় ফলন ২০–৩০% পর্যন্ত বৃদ্ধিতে সাহায়তা করে এবং মাটি উর্বর করে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা: ক্রেতাদের নজর কাড়ছে কয়েদিদের তৈরি পণ্য

রিপন পাল:

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় এবারো কয়েদিদের হাতে বানানো চার শতাধিকের বেশি পণ্য বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে। বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে। রাখিরো নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের ২৭টি কারাগারের দ-প্রাপ্ত কয়েদিরা এসব পণ্য তৈরি করেছেন। এসব পণ্য ‘কারা অধিদপ্তর বাংলাদেশ জেল‘ কারাপণ্য নামে পরিচিত। নকশি কাঁথাসহ বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা রয়েছে বেশ।
কয়েদিদের তৈরি বিভিন্ন ধরণের পণ্যের মধ্যে রয়েছে টি-শার্ট, প্লাস্টিকের তৈরি গৃহস্থালি পণ্য, নকশিকাঁথা, আচার, জুতা, উলের তৈরি পোশাক, আসবাবপত্র, মোড়া, ভ্যানিটি ব্যাগ, ফুলদানি, নৌকা, স্কুল ব্যাগ, গেঞ্জি, ফুলের ঝুড়ি, পাপোশ, জলচৌকি, পুতুল, লুঙ্গি, গামছা, বেডশিট, টিসুবক্স, জুতা, একতারা, শাড়ি, ড্রেসিংটেবিল ও দোলনা। বাংলাদেশ জেলের উদ্যোগে দেওয়া স্টলে এসব পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। কয়েদিদের তৈরি পণ্যের মান দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে। ক্রেতারাও কম দামে উন্নতমানের পণ্য কিনতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এবারো মেলা প্রাঙ্গণের পূর্বপাশে ‘কারাপণ্য বাংলাদেশ জেল’ নামে প্যাভিলিয়ন সাজানো হয়েছে। এর প্রধান ফটক করা হয়েছে কেন্দ্রীয় কারাগারের আদলে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে এ যেন মিনি জেলখানা। তবে ভেতরে প্রবেশ করলেই পাল্টে যাবে ধারণা। পুরো প্যাভিলিয়ন সেজেছে বাঁশ, বেত, কাঠ, পাট, চামড়া ও পুতির তৈরি বাহারি গৃহস্থালি ও গৃহসজ্জার সামগ্রীক বাহারি পণ্যে। বিশেষ করে জামদানি শাড়ি ও নকশিকাঁথার প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। ১৩জানুয়ারি মঙ্গলবার কারাবন্দিদের তৈরি পণ্যের প্যাভিলিয়নে ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে।  বিক্রিও হয়েছে প্রচুর।
কয়েদিদের মধ্যে পণ্য তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কয়েদিরা নিজ নিজ এলাকার ঐতিহ্যবাহী পণ্য তৈরি করে লাভবান হচ্ছেন। জেলখানায় থেকেও পরিবার পরিজনের দায়ভার কিছুটা হলেও গ্রহণ করতে পারছেন। কারাপণ্য এখন ব্যাবসায়িক দিক থেকে আলোর মুখ দেখছে বলে জানান তিনি। কয়েদিদের পুনর্বাসিত ও স্বাবলম্বী করতে জেল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তার মধ্যে পণ্য তৈরির প্রশিক্ষণ অন্যতম। কারাগার এখন বন্দিশালা নয়, সংশোধনাগার।
প্যাভিলিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্তরা বলেছেন, বিভিন্ন অপরাধে দ-প্রাপ্ত কয়েদিরা কারাগারে বসে এসব পণ্য তৈরি করেছেন। কারাপণ্য হিসেবেই এসব পণ্য পরিচিত। কারাগারের বিক্রয়কেন্দ্রে সব সময় এসব পণ্য পাওয়া যায়। তবে প্রচার ও প্রসারের জন্য বাণিজ্য মেলায় কয়েদিদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে। কয়েদিদের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের মধ্যে মোড়া ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, টি-শার্ট ২০০ থেকে ৬০০ টাকা, নকশিকাঁথা ১ হাজার ২০০ থেকে ৫ হাজার টাকা, পুঁতির ফুলের ঝুড়ি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা, সিংহাসন চেয়ার ৯৫০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, বেতের মোড়া ৯৫০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, শতরঞ্জি ২ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৬ হাজার ৩৭৭ টাকা, জামদানি শাড়ি ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই স্টলে ২৫ টাকা থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের কারাপণ্য বিক্রি হচ্ছে।
এসব কারাপণ্য তৈরিতে সরকারি অর্থে জোগান দিয়ে কাঁচামাল কেনা হয়। জেল কর্তৃপক্ষ কাঁচামাল কয়েদিদের মধ্যে সরবরাহ করে থাকে। পণ্য বিক্রির লভ্যাংশের অর্ধেক সংশ্লিষ্ট কয়েদিদের দেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কিংবা বিকাশে পরিবারের সদস্যদের দেওয়া হয়। জানা গেছে, এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত কয়েদিদের অনেকে কারাদ- শেষে বাড়ি ফিরে এটাকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। তাতে তারা খুব সহজেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন।
স্টলের কর্মকর্তাদের কাছে মেলায় আসা ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা এসব কয়েদি শ্রমজীবী মানুষের জীবনের কথা শুনছেন। তাদের প্রতি সহমর্মী হচ্ছেন। কারাপণ্যের দাম তুলনামূলক কম থাকায় ভালো বিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কারাপণ্যের স্টলে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। গৃহস্থালি ও নিত্যদিনের ব্যবহৃত পণ্য বিক্রি হচ্ছে প্রচুর।
মানিকগঞ্জ থেকে স্বপরিবারে মেলায় ঘুরতে আসা গৃহবধূ মালেকা আক্তার বলেন, কয়েদিদের  তৈরি জিনিসগুলো সুন্দর, আকর্ষণীয় এবং ইউনিক। গুণমান ভালো থাকায় বেশ কিছু পণ্য কিনেছি।
গাজীপুর টঙ্গী থেকে শিক্ষিকা কাশফিয়া মঞ্জু জুয়েনা মেলায় ঘুরতে এসেছেন । তিনি বলেন, কারাপণ্যগুলো নিপুণ হাতে তৈরি করা। বিশেষ করে নকশিকাঁথার তুলনা নেই। তিনি মেলা থেকে নকশিকাঁথাসহ তিনটি পণ্য কিনেছেন বলে জানান।
কারাপণ্য প্যাভিলিয়নের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি জেলার তানজিল বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য শুধু পণ্য বিক্রি নয়। সমাজকেও আমাদের কিছু দেওয়ার আছে। কারাবন্দিরা যদি কারাগারে থেকে এত সুন্দর ও নিখুঁতভাবে পণ্য তৈরি করতে পারেন, তাহলে যারা বাইরে আছেন, তারা চাইলে আরও ভালো কিছু করতে পারেন। কারাগারে তৈরি পণ্যের উদ্দেশ্য শুধু বিক্রি নয়, কারাবন্দিদের সংশোধন করা ও সাজা শেষে তারা যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা। ৩৮টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ৬৯ হাজার কারাবন্দিকে। বর্তমানে ১৮ হাজার কারাবন্দি সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তাদের হাতে তৈরি পণ্য দিয়ে মেলায় কারাপণ্য প্যাভিলিয়ন সাজানো হয়েছে। প্রতিবারই মেলায় পণ্য বিক্রির লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ কারাবন্দিদের এবং আর বাকি ৫০ ভাগ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। বন্দিরা এ অর্থ খরচ করতে পারেন এবং পরিবারের কাছে পাঠাতেও পারেন।
ডেপুটি জেলার ইয়াছমিন আক্তার জুই বলেন, কয়েদিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ কারিগর ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
ডেপুটি জেলার আব্দুল মোহাইয়ম বলেন, কারাপণ্য তৈরি করে কয়েদি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা স্বাবলম্বী হচ্ছে। তাতে অপরাধ প্রবণতা কমে যাচ্ছে। ফলে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর কয়েদিদের সমাজে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর(ইপিবি) সচিব তরফদার সোহেল রহমান বলেন, প্রতিবছরই কারাপণ্যের স্টল মেলায় থাকে। এবারও রয়েছে। কয়েদিদের তৈরি পণ্যে সাধারণ মানুষের বেশ আগ্রহ থাকে। কেনাবেচাও হয় প্রচুর।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম