শহিদুল্লাহ সরকার:
সাভার ও আশুলিয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। রোদ ও ভ্যাপসা গরমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের কোনো কোনো গ্রাহক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। অনেকে বিরক্তি প্রকাশ করে দিচ্ছেন ফেসবুকে পোস্ট লোডশেডিংয়ের কারণে সাভার ও আশুলিয়ায় হিমাগারের রাখা পণ্যের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। চিকিৎসা, শিক্ষা, শিল্প–কলকারখানা নেমে এসেছে বিপর্যয়। সাভার ও আশুলিয়ার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তির মধ্যে আছে মানুষ। কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী হাচিব বলেন, সারা দিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়, তার হিসাব নেই। এক সপ্তাহ ধরে শুধু রাতেই পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ধরে লোডশেডিং হচ্ছে। একদিকে লেখাপড়ায় ব্যাঘাত হচ্ছে অন্যদিকে গরমের কারণে ঠিকমতো ঘুমাতে পাচ্ছি না। আশুলিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্মকর্তারা বলছেন, গ্যাস–স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছেন। এ কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকের প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে ৭০ মেগাওয়াট। তবে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ মেগাওয়াট করে। গ্যাসের চাপ কম থাকায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক দিন আগে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বিষয়টির ব্যাখ্যা করেছেন।
বিদ্যুৎ–সরবরাহের ঘাটতি থাকায় দিনে ও রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এ অবস্থায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বাসাবাড়ির লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন /২৫ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

