আজ সোমবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ।   ১৭ জুন ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্ব বাবা দিবসে যশোরে পাঁচ শ্রমজীবী বাবাকে বিশেষ সম্মান

-Advertisement-

আরো খবর

- Advertisement -
- Advertisement -

::প্রতিনিধি, যশোর::
বিশ^ বাবা দিবসে যশোরে পাঁচ শ্রমজীবী বাবাকে সম্মাননা প্রদান করেছে বিশ্ব বাবা দিবস উদযাপন পর্ষদ। বৈশ্বিক মহামারী করোনাকাল বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২০১৫ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এই দিনে বাবাদের সম্মানিত করে আসছে এই পর্ষদ।
‘আজি শুভ দিনে পিতার ভূবনে অমৃত সদনে চলো যাই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চম বারের মত উদযাপিত বাবা দিবসে সম্মানিত বাবারা হলেন, যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার ঝাঁল-মুড়ি বিক্রেতা স্বপন শেখ, বেজপাড়া শ্রীধর পুকুর পাড় এলাকার স্বর্ণ কারিগর বিষ্ণু দাস, সদর উপজেলার দাইতলা গ্রামের নছিমন চালক কবির হোসেন, বেজপাড়া বনানী রোডের ফল বিক্রেতা অজিত কুমার পাল এবং রেলগেট পশ্চিমপাড়ার সফিক ভুইঁয়া। যারা তাদের স্বল্প আয়ের মধ্য দিয়ে একাধিক সন্তানকে শিক্ষিত করে তুলেছেন এবং চিকিৎসক, শিক্ষকসহ নানা পেশায় অধিষ্ঠিত করেছেন।
রোববার (২১ জুন) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথি যশোর পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই এর পুলিশ সুপার রেশমা শারমীন বলেন, ‘বাবা-মা চিরন্তন। তাই বাবা- মাকে দিবসে স্মরণ করার বিষয় নয়। তাদের সারাবছরই খেয়াল রাখতে হবে। তবে বর্তমান সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে অনেকে বাবা-মার কাছে ভালোমন্দ জিজ্ঞেস করাটাই ভুলে গেছেন অনেকে। এ করোনাকালে সে অবক্ষয় আরো প্রকট হয়েছে। যা কখন্ও কাম্য হতে পারে না। করোনাকালের এ দুঃসময়ে বাবা দিবস পালন ও বাবার অবদান সন্তানদের স্মরণ করিয়ে দেয়া একটি ভালো উদ্যোগ। এমন অনুষ্ঠানে বাবাদের সম্মাননা জানাতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি।’
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক প্রবীণ রাজনীতিক আমিরুল ইসলাম রন্টুর অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিত থাকায় এতে সভাপতিত্ব করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যশোর জেলা শাখার সভাপতি হারুণ অর রশীদ। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ব বাবা দিবস উদযাপন পর্ষদের সদস্য সচিব প্রণব কুমার দাস। সঞ্চালনা করেন যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের (জেইউজে) সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন।
আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব প্রণব কুমার দাস বলেন, ‘বাবা-মা সন্তানের জন্য এমন এক ভালোবাসার ব্যাংক যেখানে সন্তানদের জন্য রয়েছে সুদহীন নিখাঁদ স্নেহ। করোনাকালে বিধিনিষেধ থাকলেও সন্তানদের প্রতি পিতা-মাতার যে অবদান তা স্মরণ করিয়ে দিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছোট পরিসরে এ সম্মাননার আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের প্রত্যশা সন্তানরা পিতা-মাতাকে আমৃত্যু আগলে রাখবে।’

- Advertisement -
- Advertisement -