আজ , ।   
Home Blog Page 389

১৩ জুন হোটেল ডোরচেস্টারে প্রধান উপদেষ্টা ও তারেক রহমানের বৈঠক 

যুক্তরাজ্য সফররত প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। ১৩ জুন শুক্রবার লন্ডন সময় সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে তাদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

১০ জুন মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি (ইউনূস) যে হোটেলে উঠেছেন সেখানেই বৈঠক হবে। উনাকে (তারেক রহমান) ফরমালি দাওয়াত করা হয়েছে মিটিংয়ের জন্য। ১৩ তারিখ ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত টাইমে এই সময়টা দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকের ভেন্যু সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, লন্ডনে যে হোটেলটিতে (হোটেল ডোরচেস্টার) উনি (প্রধান উপদেষ্টা) আছেন সেটাই ভেন্যু। ওখানেই তার সঙ্গে ইংল্যান্ডে হাউজ অব কমন্সের ডেপুটি লিডার অব দ্য হাউজ দেখা করবেন তারেক রহমান সাহেবের বৈঠকের পরে… এরপরে অন্যান্য নেতা যারা আছেন তারা ওখানেই দেখা করবেন। ভেন্যু একটাই।

৪ দিনের সরকারি সফরে সোমবার সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের উশে ঢাকা ছেড়ে যান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

২০০৮ সালে জরুরি অবস্থার সময় কারামুক্ত হয়ে সপরিবারে লন্ডনে চলে যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। আওয়ামী লীগের সময়ে তার অনুপস্থিতিতে পাঁচ মামলায় তাকে সাজা দেওয়া হয়। দায়ের করা হয় শতাধিক মামলা। আদালতের চোখে তিনি হয়ে যান ‘পলাতক আসামি’। এমনকি তার বক্তব্য বিবৃতি প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা আসে। এর মধ্যে পাসপোর্টের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ায় তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় নিতে হয়। ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু আর মায়ের কারাগারে যাওয়ার মতো দুঃসময়েও তার দেশে ফেরা হয়নি।

জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিস্থিতি পাল্টাতে থাকে। যেসব মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছিল, একে একে তার সবগুলোতেই খালাস পান খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান।

মুক্ত খালেদা এ বছরই চিকিৎসার জন্য লন্ডন ঘুরে এসেছেন। সেখানে ছেলের বাসাতেই তিনি ছিলেন। তারেকের স্ত্রী জুবাইদা রহমানও ১৭ বছর পর গত মে মাসে ঢাকা ঘুরে যান। কিন্তু তারেক কবে ফিরবেন, তার উত্তর বিএনপি নেতাদের কাছে নেই।

তারা বলে আসবেন, ‘সময় হলেই’ তারেক রহমান ফিরবেন। আর দেশে না থাকলেও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তিনিই দল চালাচ্ছেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নিয়মিত বৈঠক করছেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/১১জুন ২০২৫/মওম

রাজধানীতে ফিরছে মানুষ,বাড়ছে কর্মব্যস্ততা

আলোকিত প্রতিবেদক:

আলোকিত প্রতিদিন/১১জুন ২০২৫/মওম

সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগমুহূর্তে বাংলাদেশ দল থেকে বাদ ৩ জন

ক্রীড়া ডেস্ক:

এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে চূড়ান্ত দল ২৩ জনের। বাংলাদেশ দলের স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা ২৬ জন নিয়ে অনুশীলন এবং ক্যাম্প করছিলেন। আজ ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে ২৬ জনের দল থেকে তিন জনকে বাদ দিয়েছেন তিনি। দলীয় একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জাতীয় দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার ঈসা ফয়সালকে ২৩ জনের স্কোয়াডে রাখেননি কোচ হ্যাভিয়ের। ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি ১৭ জন খেলোয়াড় খেলিয়েছেন। এর মধ্যে ছিলেন না ঈসা। ২৩ জনের মধ্যে ঈসার না থাকাটা খানিকটা বিস্ময়করই। তিনি বাদ পড়ায় ফুলব্যাক হিসেবে দুই ভাই সাদ এবং তাজ উদ্দিনের খেলা অনেকটাই নিশ্চিত।

ঈসার পাশাপাশি স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন ফরোয়ার্ড মো. ইব্রাহীম  মিডফিল্ডার মজিবুর রহমান জনি। কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার পছন্দের খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত জনি।

আজ সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচ শুরু হবে। কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা এই রিপোর্ট প্রকাশের সময় পর্যন্ত একাদশ ঘোষণা করেননি। তবে ঈসা ফয়সালকে চূড়ান্ত দলে না রেখে বিস্ময়ের উপহার দিলেন তিনি। একাদশে কোনো বিশেষ খেলোয়াড় কিংবা ফরমেশন থাকলেও অবাক হওয়ার থাকবে না!

আলোকিত প্রতিদিন/১০জুন ২০২৫/মওম

বগুড়ায় কৃষক সেজে ধানখেত থেকে আসামি ধরল পুলিশ

প্রতিনিধি,বগুড়া:
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় কৃষক সেজে ধানখেত থেকে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ জানায়, শিবগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার ব্রজেন চন্দ্র মাহাতোর নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন এএসআই শাহিনুর আলম। তিনি ধানখেতে কৃষকের বেশে অপেক্ষা করছিলেন, তারপর আসামিকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম শিবলু মিয়া। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থানগড় গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি একটি হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে করেন ছিলেন।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান বলেন, ‌‘সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

আলোকিত প্রতিদিন/১০জুন ২০২৫/মওম

 

স্বৈরাচার দোসর সোর্স রুবেল, নেজাম, কামাল গংদের খুঁটির জোড় কোথায় 

মুহাম্মদ জুবাইর:
জেলা প্রশাসকের উচ্ছেদের পরেও কোন ইশারায় পতেঙ্গা সৈকত এলাকায় প্রতিস্থাপন করে বিদ্যুৎ চালিত অবৈধ প্রাণঘাতী রাইড
বিনোদন বঞ্চিত চট্টগ্রামবাসী পরিবার–পরিজন নিয়ে  দু’দন্ড প্রশান্তিতে বসার জন্য হরহামেশা ছুটে আসেন পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায়। ছুটির দিনগুলোতে অবসাদ কাটাতে এখানে সমাগম ঘটে লাখো পর্যটকের। ঈদের সময়ে পর্যটকদের আগমন কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তবে পতেঙ্গার দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের অপার সৌন্দর্য গিলে খাচ্ছে ভাসমান দোকান এবং অবৈধ রাইড শেয়ার। এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে পর্যটকদের পা রাখার ঠাঁই নেই পতেঙ্গা সৈকতে। অপরদিকে অবৈধ ইলেকট্রনিক রাইড শেয়ার তথা নৌকা, নগরদোলা এবং চরকী ক্রমেই প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায়।
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে ও পর্যটকদের ভ্রমন নিরাপদ করতে সম্প্রতি জেলা প্রশাসন অনূমোদনহীন এইসব অবৈধ ইলেকট্রনিক রাইড শেয়ার তথা নৌকা, নাগরদোলা ও চরকী উচ্ছেদ করে কিছুটা পর্যটকদের প্রশান্তির খোরাক যোগালেও উচ্ছেদের চার মাস পর ঈদুল আজহাকে টার্গেট করে স্বৈরাচারের দোসর রুবেল ওরফে সোর্স রুবেল, নেজাম, কামাল এবং বড় মিয়া গং বিগত এক সপ্তাহ পূর্বে পূণরায় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় প্রতিস্থাপন করেন ছয়টি অবৈধ ইলেকট্রনিক রাইড শেয়ার তথা নৌকা, নগরদোলা ও চরকী । পুলিশ ও স্থানীয় প্রভাবশালী এক নেতাকে মাসোয়ারা দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েচ্ছেন তারা।
এরিসাথে স্বৈরাচারের দোসর রুবেল ওরফে সোর্স রুবেল, নেজাম, কামাল এবং বড় মিয়া গং অবৈধ ইলেকট্রনিক রাইড শেয়ার চালানোর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে হাত করে বিগত ৩ জুন রাত দশটায় একটি বৈদ্যুতিক মিটার স্থাপন করেন। বিদ্যুৎ বিভাগের বিধান অনুযায়ী যেখানে বৈধ মালিকানা জায়গা ছাড়া মিটার স্থাপন করা কোনক্রমেই সম্ভব নয়! সেখানে অবৈধ ইলেকট্রনিক রাইড শেয়ারের জন্য কিভাবে স্বৈরাচারের দোসর রুবেল ওরফে সোর্স রুবেল, নেজাম, কামাল ও বড় মিয়া গং বৈদ্যুতিক মিটার স্থাপন করে তা এখন জনমনে অন্যতম জিজ্ঞাসা। এছাড়াও জেলা প্রশাসকের উচ্ছেদের পর আবারো বীরদর্পে প্রাণঘাতী অবৈধ ইলেকট্রনিক রাইড শেয়ার প্রতিস্থাপন করে তা ভাবনার বিষয়।
ঈদের আগের দিনে সরজমিনে দেখা যায়, স্বৈরাচারের দোসর রুবেল ওরফে সোর্স রুবেল, নেজাম, কামাল ও বড় মিয়া গং অবৈধ ইলেকট্রনিক রাইড শেয়ার তথা  নৌকা, নাগরদোলা ও চরকীউচ্ছেদকৃত স্থানে পূণবহাল? সৈকতের ওয়াকওয়ের অনেকটা এলাকা জুড়ে বৈদ্যুতিক  নৌকা, নাগরদোলা ও চরকী এতটাই ঝূঁকিপূর্ণ যে যেকোন সমন ঘটতে পারে প্রাণহানি।
ঘূনিয়মান এইসব অবৈধ রাইড ঈদে আগত লাখো পর্যটকের চলাফেরায় বাঁধাঘস্থ করবে ঠিক তেমনি শিশু কিশোরদের মরণফাঁদ হিসেবে কাজ করবে বলে জানান অনেক পর্যটক।
অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বৈরাচারের দোসর রুবেল ওরফে সোর্স রুবেল, নেজাম, কামাল ও বড় মিয়া ঈদে অনেকটা নিজেদের পকেট ভারী করতে পতেঙ্গা থানাকে ম্যানেজ করে  স্থানীয় প্রভাবশালী এক নেতার ছত্রছায়ায় এইসকল অবৈধ রাইড সৈকত এলাকায় ফিরিয়ে আসেন। রুবেল ওরফে সোর্স রুবেল, নেজাম, কামাল তাদের তিনটি করে বৈদ্যুতিক নৌকা, নগরদৌলা ও চরকী জন্য রুবেলের মাধ্যমে  পতেঙ্গা থানাকে প্রতি সপ্তাহে বিশ হাজার টাকা করে তিন জনে ষাট হাজার টাকা মসোয়ারা প্রদান করেন। এরিসাথে স্থানীয় প্রভাবশালী  নেতাকে  তিন জন প্রতি সপ্তাহে দশ‌ হাজার টাকা করে ত্রিশ হাজার টাকা প্রদান করেন। যদিও পতেঙ্গা থানা ও স্থানীয় প্রভাবশালী ঐ নেতা লেনদেনের কথা অস্বীকার করেন।
এই ব্যাপারে রুবেল ওরফে সোর্স রুবেল, নেজাম, কামাল ও বড় মিয়ার সাথে মুঠোফোন কথা হলে তারা স্বৈরাচারে দোসর নন এবং কখনো স্বৈরশাসকের সাথে কোন ধরণের সম্পর্ক ছিল না বলে জোড় দাবী করলেও উচ্ছেদের পর নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজেদের উদ্যোগে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় অবৈধ রাইড স্থাপনের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন।
এই ব্যাপারে রুবেল ওরফে সোর্স রুবেল বলেন, পতেঙ্গা এলাকায় দুইটি বৈদ্যুতিক রাইডের অনুমোদন দেন। আমাদের রাইগুলোর অনুমোদনের জন্য আবেদন করলেও তা জেলা প্রশাসন থেকে কোন অনুমোদন দেননি। আমাদের রাইডগুলো চার মাস পূর্বে অননুমোদিত বলে জেলা প্রশাসন থেকে উচ্ছেদ করে। চলতি সপ্তাহে আমরা নিজ উদ্যোগে উচ্ছেদকৃত রাইডগুলো পূর্ন স্থাপন করি।
এবিষয়ে নেজাম প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, আমরা ব্যবসায়ী ঈদকে সামনে রেখে কোনরকম অনুমোদন না নিয়ে নিজ উদ্যোগে আমরা রাইডগুলো স্থাপন করি। এতে কোন রকম দুর্ঘটনা হলে সমস্ত দায়ভার আমাদের। বৈদ্যুতিক মিটার স্থাপন নিয়ে বলেন আমরা যথাযর্থ নিয়ম মেনে মিটার স্থাপন করেছি।
কামাল ও বড় মিয়া মুঠোফোনে প্রতিবেদককে এই বিষয়ে কোন রকম কথা না বলে প্রতিবেদককে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে তাদের সাথে দেখা করতে বলে ফোনের লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেন।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকার দায়িত্ব আমাদের না এটা ট্যুরিস্ট পুলিশের দায়িত্ব। তিনি পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে কোন রকম মাসোয়ারা নেন না বলে এই প্রতিবেদককে জানান।
এবিষয়ে পতেঙ্গা টুরিস্ট পুলিশের অফিসার ইনচার্জএ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান খান মুঠোফোনে প্রতিবেদককে জানান সৈকত এলাকায় আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের কাজ। এখানে বৈধ  অবৈধ স্থাপনা নিয়ে আমাদের কোন কাজ নেই।  এটা জেলা প্রশাসকের কাজ। আর সৈকত এলাকা থেকে  কোন মাসোয়ারা আমরা গ্রহণ করি না।
এবিষয়ে পতেঙ্গা সার্কেল ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিমরান মোহাম্মদ সায়েক মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে জানান, চার মাস পূর্বে আমরা এইসব অবৈধ বৈদ্যুতিক রাইড উচ্ছেদ করি। সম্প্রতি তারা আবারও উচ্ছেদকৃত বৈদ্যুতিক রাইডগুলো পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় অবৈধভাবে পুনঃ স্থাপন করেছে যা আমাদের নজরে এসেছে। এইগুলো গত সপ্তাহে আবারো উচ্ছেদ করার কথা থাকলেও বৃষ্টির জন্য উচ্ছেদ করতে পারিনি। শ্রীঘ্রই এইগুলো উচ্ছেদ করা হবে। প্রাণঘাতী হলে আমি এখুনি ব্যবস্থা নিচ্ছি বলে জানান তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/১০জুন ২০২৫/মওম

মণিপুরে ফের সহিংসতা, চাপে প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে ফের কারফিউ জারি এবং ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এক জাতিগত গোষ্ঠীর নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।

গত ৮ জুন রবিবার ‘আরামবাই তেঙ্গল’ নামের এক সশস্ত্র মেইতেই গোষ্ঠীর প্রধান অসেম কানন সিংসহ পাঁচ নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) জানায়, ২০২৩ সালের সহিংসতার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কানন সিংকে ইম্ফল বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়।

২০২৩ সাল থেকে মেইতেই ও কুকি—এই দুই বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ভূমি এবং আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে মণিপুরে প্রায় আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে, বাস্তুচ্যুত হয়েছে বহু মানুষ।

‘আরামবাই তেঙ্গল’ নিজেদের সামাজিক সংগঠন দাবি করলেও রাজ্যে মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে এর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। গ্রেফতারের পর বিক্ষোভকারীরা ইম্ফলের এক পুলিশ পোস্টে হামলা চালিয়ে একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বিভিন্ন সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৩ বছরের এক কিশোর আহত হয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার পাঁচটি জেলায় পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেট এবং মোবাইল ডেটা সেবা বন্ধ করে দিয়েছে এবং একটি জেলায় অনির্দিষ্টকালীন কারফিউ জারি করেছে। কিছু এলাকায় চারজনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আরামবাই তেঙ্গল গোষ্ঠীও শনিবার রাত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ১০ দিনের বন্‌ধ ডেকেছে।

এই ঘটনায় বিরোধী দল কংগ্রেসের নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে রাজ্যের বিজেপি ও বিরোধী দলের বিধায়কদের এক প্রতিনিধিদল রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গ্রেফতার নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

আলোকিত প্রতিদিন/১০জুন ২০২৫/মওম

এপ্রিলে নির্বাচন হলে প্রার্থীদের খরচ দ্বিগুণ বেড়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

আগামী এপ্রিল মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দ্বিগুণ বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

১০ জুন মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার যদি এপ্রিল মাসে নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে তাহলে বিএনপির করণীয় কী হবে তা নিয়ে এখনও পার্টির ফোরামে আলোচনা হয়নি। আমরা আশা করছি সরকার বাস্তবতা বিবেচনা করবেন। আসলে এই সময়টা (এপ্রিল) নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত না।

তিনি আরও বলেন, এপ্রিলে নির্বাচন হলে সময়টা হবে ঈদের কয়েক দিন পর। তাহলে ভাবুন, পুরো রমজান মাস প্রার্থী এবং রাজনৈতিক কর্মীদের কী অবস্থা হবে? আমি নিজেই এখন চিন্তিত যে প্রত্যেক দিন ইফতার পার্টি করতে হবে। এটা কোনও মজার বিষয় না। এতে নির্বাচনী খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাবে। অথচ আমরা সবাই বলি নির্বাচনী খরচ কমাতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, দ্বিতীয়ত তখন প্রচণ্ড গরম থাকবে। ঝড়-বৃষ্টি হবে। বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি হচ্ছে জনসভা করা। কিন্তু ঝড়-বৃষ্টি এবং রোদের মধ্যে জনসভায় লোকজনের উপস্থিতি কষ্ট হবে। রোদের মধ্যে কে আসবে? রাতে গিয়ে মিটিং করতে হবে।

বাংলাদেশে সব সময় ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসের মধ্যে নির্বাচন হয়েছে বলে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দুই বার এর বাইরে গেছে । সেই নির্বাচনে ঝামেলা হয়েছে। এখানে অনেকে আমাকে ভুল বুঝবেন যে, আমরা সংস্কার চাই না, নির্বাচন চাই। এটা একটি প্রোপাগান্ডা। আমরা অনেক আগে সংস্কারের কথা বলেছি। সেই কারণে অনেকের সঙ্গে পরামর্শ করে ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) নিয়ে দিয়েছিলাম ভিশন ২০২৩। তারপর দিনের পর দিন আলোচনা করে ৩১ দফা দিয়েছি।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা বলেছি টানা দুই বারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। তারপর একবার গ্যাপ দিয়ে আরেকবার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে। এরপর আর হতে পারবে না।

আলোকিত প্রতিদিন/১০জুন ২০২৫/মওম

 

 

 

লন্ডন পৌঁছেছেন মুহাম্মদ ইউনূস

আলোকিত প্রতিবেদক:

চার দিনের সরকারি সফরে লন্ডন পৌঁছেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১০ জুন মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫ মিনিটের দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।  প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

৯ জুন সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।

জানা যায়, এই সফরে বাকিংহাম প্যালেসে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি রাজা চার্লসের হাত থেকে গ্রহণ করবেন ‘কিংস চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড’।

সফরসঙ্গী হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন।

dhakapostরাজনৈতিক সমর্থন আদায় গুরুত্ব পাবে: ধারণা করা হচ্ছে, বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ বেশ কিছু ব্যক্তির যুক্তরাজ্যে অবস্থানের প্রেক্ষাপটে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার প্রসঙ্গ আলোচনায় তুলবে ঢাকা। অন্যদিকে, বিগত সরকারের সময়ে বাংলাদেশকে চারটি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল ব্রিটেন, সেটি ঢাকাকে মনে করিয়ে দিতে পারে দেশটি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লন্ডন সফরকালে ড. ইউনূস যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। আর প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। আগামী ১২ জুন বাকিংহাম প্রাসাদে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করবেন ড. ইউনূস। ওইদিন বিকেলে সেন্ট জেমস প্রাসাদে রাজা তৃতীয় চার্লসের হাত থেকে কিংস চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করার কথা সরকারপ্রধানের। আগামী ১১ জুন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা। এছাড়া, তিনি যুক্তরাজ্যের নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউজ আয়োজিত এক সংলাপে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা-লন্ডনের কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ইউনূস-স্টারমারের বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, বিনিয়োগ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানো, রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে রাজনৈতিক সমর্থনের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে সংস্কার, নির্বাচন, জুলাই-আগস্টের নৃশংসতার বিচারসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারকে পাশে চাইবে ঢাকা।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছোট বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে দেশ থেকে অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। যাদের অনেকে যুক্তরাজ্যে সম্পত্তি কেনার তথ্য সরকারের কাছে আছে। দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তা চাইতে পারেন ড. ইউনূস।  বিগত সরকারের সময়ে বাংলাদেশকে চারটি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল ব্রিটেন, সেটি ঢাকাকে মনে করিয়ে দিতে পারে দেশটি। ফের আলোচনা শুরুর জন্য তাগিদ দিতে পারে ব্রিটেন।

স্মরণ করা যেতে পারে, বিগত সরকারের সময়ে ইউরোপীয় কোম্পানি এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ব্রিটেন থেকে চারটি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব ছিল। ব্রিটেনের প্রস্তাব নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছিল। তবে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বিগত সময়ের অনেক সিদ্ধান্ত থমকে আছে।

প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর গত বছরের ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পাওয়ার পর গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দেন তিনি। এরপর নভেম্বরে আজারবাইজানে কপ-২৯ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা। গত ডিসেম্বরে ড. ইউনূস ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে মিশর সফর করেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। এরপর মার্চে চীন সফর করেন ড. ইউনূস। এপ্রিলে থাইল্যান্ড সফর এবং কাতার ও ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগদান করেন প্রধান উপদেষ্টা।

সবশেষ, গত মে মাসেন  শেষের দিকে জাপান সফর করেন সরকারপ্রধান।

আলোকিত প্রতিদিন/১০জুন ২০২৫/মওম

ফেনীর পৌর প্রশাসকের সাথে বিএমইউজে ফেনী জেলার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

মোঃ আতীক রোজেন,  ফেনী জেলা প্রতিনিধি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ফেনী জেলা নেতৃবৃন্দের সাথে ফেনী পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) গোলাম মোঃ বাতেন’র মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৫ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনী পৌর প্রশাসকের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এতে অংশ নে ন, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাকির উদ্দিন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন ( বিএমইউজে)  ফেনী জেলা কমিটির নবনির্বাচিত  সভাপতি মো: কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শেখ কামাল,  সাধারণ সম্পাদক আফতাব মোমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: আতিক রোজেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম, নির্বাহী সদস্য, মো: মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া, নির্বাহী সদস্য ওমর ফারুক ভূঁইয়া, নির্বাহী সদস্য মোঃ জাফর ইমাম মজুমদার রতন প্রমূখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ধূমপান করতে দেখে ফেলায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা

অনলাইন ডেস্ক, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. আরাফাত হোসেন (১৫) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন আসামি।

বৃহস্পতিবার (০৫ জুন) সকালে সহকারী পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) মো. কামরুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

বুধবার (০৪ জুন) ভোরে উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের বিন্নাদাইর গ্রামের আওয়ামী লীগ নেত্রী রূপা খাতুনের পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পরিত্যক্ত বাড়ির কক্ষ থেকে বিভিন্ন নেশার টেবলেট ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আসামি মো. আরাফাত হোসেন বিন্নাদাইর গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে ও বাঘাবাড়ি সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র। সে নিহত লামিয়ার সম্পর্কে চাচাতো মামা হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) মো. কামরুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত ৩ জুন দুপুরে ছোট বিন্নাদাইর গ্রামের আওয়ামী লীগ নেত্রীর পরিত্যক্ত বাড়িতে জামরুল কুড়াতে যায় শিশু লামিয়া। তখন ওই বাড়ির রান্নাঘরে বসে ধূমপান করছিল মো. আরাফাত হোসেন। বিষয়টি লামিয়া দেখে ফেললে তা তার নানাকে বলে দেওয়ার কথা বললে তাকে মুখ চেপে ধরে আরাফাত। এ সময় লামিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেললে মুখের মধ্যে গামছা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। পরে বাড়ি থেকে স্কচটেপ এনে হাত বেঁধে মুখে পেঁচিয়ে ধর্ষণ করে। পরে লামিয়া নড়াচড়া না করায় বুঝতে পারে মারা গেছে। তখন বাড়ির সেফটিক ট্যাঙ্কে লাশ ফেলে দিয়ে বাড়িতে চলে যায় আসামি।

তিনি আরও জানান, বুধবার ভোরে লামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিন নিহত লামিয়ার বাবা মো. নাজিম সরকার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ সন্দেহভাজন আরাফাতকে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করলে হত্যার কথা তিনি স্বীকার করে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (০৩ জুন) বিকেলে নানা আব্দুর রশীদের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় লামিয়া। সারাদিন খোঁজাখুঁজির পরও লামিয়াকে না পাওয়ায় ওইদিন রাত ৮টার দিকে শাহজাদপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে শাহজাদপুর থানার ওসি মো. আছলাম আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম রাতভর অভিযান চালিয়ে ভোর ৪টার দিকে বিন্নাদাইর গ্রামের আওয়ামী লীগ নেত্রী রূপার পরিত্যক্ত বাড়ির সেপ্টিক ট্যাঙ্ক থেকে লামিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি