আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2592

সাতক্ষীরায় ভেসে গেছে ১৭৬ কোটি টাকার মাছ

::প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা::
ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে সাতক্ষীরায় সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে ১২ হাজার ২৫৭টি ঘের ও পুকুর। এতে আর্থিক পরিমাণ ১৭৬ কোটি ৩ লাখ টাকা। জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আম্পানে জেলায় ৭ উপজেলার ১২ ইউনিয়নের ১২ হাজার ২৫৭টি মাছের ঘের ও পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডব ও জলোচ্ছ্বাসে শ্যামনগর, আশাশুনি ও কালিগঞ্জের ১২ ইউনিয়নের ১৩ হাজার ৪৭৭ হেক্টর জমির ঘের পানিতে ভেসে গেছে। তিন উপজেলায় ১২ হাজার ২৫৭টি মাছের ঘের ও পুকুর ভেসে গেছে। যাতে ১৬৭৭ মেট্রিকটন সাদা মাছ এবং ২ হাজার ৫৩১ মেট্রিকটন চিংড়ির ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে আশাশুনিতে ১০৭৮ মেট্রিক টন, কালিগঞ্জে ৩৫ মেট্রিকটন ও শ্যামনগরে ৫৬৪ মেট্রিকটন সাদা মাছ এবং আশাশুনিতে ১ হাজার ৬১৮ মেট্রিকটন, শ্যামনগরে ৮৬০ মেট্রিকটন এবং কালিগঞ্জে ৫৩ মেট্রিকটন চিংড়ি মাছের ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সুন্দরবন সংলগ্ন গাবুরা, পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনী ও কালিগঞ্জ উপজেলার মৎস্য চাষিরা।

তিনি আরও বলেন, ঝড়ের আগে ১৯০৭টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষ আশ্যয় নিয়েছিলেন। এজন্য জানের ক্ষতি কম হয়েছে। ঝড়ের আগে ৩৫০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নতুন করে আরও ৩৭৫ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

চাঁদ দেখা কমিটির সভা কাল

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম মসজিদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠেয় সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে। টেলিফোন নম্বরগুলো হলো, ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭।

স্বাস্থ্যবিধি ভেঙে করোনাপরিস্থিতিকে ঘোলাটে করবেন না : মেয়র তাপসের উপহার বিতরণকালে মধু

:: জোছনা মেহেদী::
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে লালবাগ থানার ৫০০ পরিবারের প্রত্যেককে ২০০০ টাকা সমমূল্যের ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার খিলগাঁও ও গেন্ডারিয়ার দুই ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় এক হাজার ২০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণণসামগ্রী ও খাবার বিতরণ করা হয়। দক্ষিণ যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহম্মদ উল্লাহ মধুর নেতৃত্বে তা বিলিবণ্টন করা হয়। এ সময় মধু বলেন, ‘করোনাপরিস্থিতির মধ্যেই কয়দিন বাদে ঈদ। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে মাননীয় মেয়র ব্যরিস্টার ফজলে নূর তাপসের পক্ষ থেকে আমাদের এই উদ্যোগ। তবে মনে রাখতে হবে- ঈদের আগে পরে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি ভেঙে করোনাপরিস্থিতিকে ঘোলাটে করবেন না।’
বৃহস্পতিবার লালবাগ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোদ্দাসের জাহিদ, মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ সহ-সভাপতি আবু সাঈদ মোল্লা, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন তপু, যুবলীগ নেতা টিটু, রাজু, হাফিজ, নজরুল ইসলাম বাবু প্রমুখ। এই অঞ্চলে বিরতণকৃত ঈদ উপহারে ছিল ২টি মুরগি, ২ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি পেয়াজ, ২ কেজি আলু, ২ ধরনের প্যাকেট সেমাই, ১ কেজি চিনি, ১ প্যাকেট গুড়া দুধ, ১ কেজি লবণ, ১টি নারিকেল ও সাবান ইত্যাদি।
এদিকে মঙ্গলবার খিলগাঁও ও গেন্ডারিয়া থানার ২ ও ৪০ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে ১২০০ পরিবারকে ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সাঈদ মোল্লা, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি হাজী মো শাহআলম, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন তপু, আওয়ামী লীগের ধর্মবিষায়ক উপ-কমিটির সদস্য এ কে আজাদ সরকার ও শাহজাহান বিপ্লব, দক্ষিণ মহানগর যুবলীগ সহসম্পাদক মো. ইমরান খান, যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাবু, মাহফুজুর রহমান, আহম্মদ রাজীব, মুনির হোসেন, শাহীন, রফিকুল ইসলাম রফিক প্রমুখ।

স্পর্শবিহীন ইজি ওয়াশ উদ্ভাবন করলেন কক্সবাজার জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী

::আবু সায়েম,কক্সবাজার::
এবার দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে হাতের স্পর্শ বিহীন চাকাযুক্ত হ্যান্ড ওয়াশ বেসিন উদ্ভাবন হয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে ‌‘ইজি ওয়াশ’। কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ঋত্বিক চৌধুরী ও তার টিম এই উদ্ভাবন সম্পন্ন করেছেন। ইতোমধ্যে এই ইজি ওয়াশ মেশিন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করবেন বলে জানিয়েছেন এই উদ্ভাবক।

উদ্ভাবিত ইজি ওয়াশ সম্পর্কে কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ঋত্বিক চৌধুরী বলেন, ‘হাতের স্পর্শবিহীন চাকাযুক্ত হ্যান্ড ওয়াশ বেসিন ব্যবহৃত হলে করোনা সংক্রমণ হওয়ার কোন সুযোগ নেই। কারণ এখানে হাতের কোন স্পর্শই থাকছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইজি ওয়াশ ব্যবহার করলে পানি এবং সাবানের অপচয় রোধ করা যাবে।’
পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, উদ্ভাবিত ইজি ওয়াশ বেসিন স্বল্প জায়গায় স্থাপন করা যায়। ইজি ওয়াশ বেসিনে যে যন্ত্রাংশগুলো ব্যবহার করা হয়েছে তা খুবই সহজলভ্য এবং স্বল্প খরচে তৈরি করা যায়।
নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ইজি ওয়াশ বেসিনে চাকা সংযুক্ত থাকায় সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়া সম্ভব। যে কোন জরুরি প্রয়োজনে ও সংকট মোকাবিলায় এবং দূর্যোগকালীন সময় সহজেই স্থাপন করা যাবে।
ইজি ওয়াশ বেসিনটি মূলত পা স্পর্শ করলেই ব্যবহার প্রক্রিয়া শুরু হয়, ফলশ্রুতিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করবে।

জীবাণুনাশক টানেল সব থানাতে এখনো নয় কেন?

::তুষার আহসান::
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সম্মুখ যোদ্ধাদের মধ্যে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যসেবাদানকারী সদস্যরা, সাংবাদিক, ব্যাংকার, খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কর্মকর্তা, কর্মচারী ও কৃষক, ডাক সংশ্লিষ্টরা ছাড়াও অন্যতম সারিতে রয়েছেন পুলিশ-আর্মিসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। রয়েছেন জেলাপ্রশাসন সদস্যবৃন্দ। দায়িত্বপালন করতে গিয়ে সব বিভাগ মিলে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার আত্রান্ত ও বেশ কয়েকজন মৃত্যুর কাছে পরাজিতও হয়েছেন। এমন এক পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে আজ বুধবার (২০ মে ) গাইবান্ধা সদর থানায় জীবানুণাশক টানেল স্থাপন করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি প্রশংসার দাবি রাখে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ। এমন টানেল সব থানাতে নয় কেন? করা কী যেত না? আমাদের মনে রাখতে হবে, সবারই আপন কেউ না কেউ আছে। কান্নার কেউ আছে। বেদনা বহনে কষ্ট হবে তাদের। তাই দরকার আগেই সচেতনতা।
আমরা জেনেছি, এমন একটি টানেল স্থাপনে আহামরি খরচ হয়নি। আবার দৈনন্দিন ব্যয়ও খুব বেশি নয়। প্রতিটি জেলাই এখন উন্নত। প্রত্যেক জেলাতেই বিত্তবানদের ছড়াছড়ি। তাদের এগিয়ে আসা উচিৎ। যদিও তাদের অনেককেই ত্রাণ দিতে দেখা গিয়েছে। অনেকে গোপনেও সহযোগিতা করছেন বলে আমরা জেনেছি। তাদেরকে ধন্যবাদ। এক দিকে যেমন সমালোচিত চাল চোরেরা, অন্যদিকে তেমনই অ্যক্টিভ বৃত্তবানেরা। কিন্তু এই দান কি সঠিক নিয়মে দেওয়া হচ্ছে? নজর রাখতে হবে সেদিকেও।
নিজস্ব ফান্ড থেকেও প্রতিটি থানায় নিজেরাই ব্যবস্থা করে নেওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে যে সব থানা অসহায়দের পাশে নিজেদের অর্থ ও খাদ্য সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন- তাদের কষ্ট হবে। কিন্তু এটা প্রয়োজন। খুব প্রায়োজন। নিরাপদে থাকলে, নিরাপদে রাখা যাবে।
করোনাপ্রতিরোধে সম্মুখ যোদ্ধাদের জয় হোক। তারা নিরাপদে সুস্থ থাকুন- শুভ প্রত্যাশা সব সময়।

লুৎফুন্নাহার মুন্নি অব্যাহত ত্রাণে খুশি অসহায় পরিবার

::ফারুক হোসাইন, নোয়াখালী:
হত দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে ত্রান কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি লুৎফুন্নাহার মুন্নি। ইতোমধ্যে উপকৃত হয়েছেন ২শতাধিক অসহায় পরিবার। অব্যাহত এই কার্যক্রমে অনেকটাই স্বস্থি ফিরেছে বেগমগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের হতদরিদ্র পরিবার। উপকারভোগীরা মনে করেন, ওয়ান ইলাভেনে রাজপথের এই নেতা তাদের গর্ব। তিনি তার সাধ্যমতই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে মুন্নি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নিজের যতটুকু সম্পদ আছে তা থেকে সামর্থনুযায়ী মানুষের মাঝে দাঁড়াতে পেরে সত্যি আমি আনন্দিত এবং গর্বিত।’ ত্রাণ কার্যক্রমে বেগমগঞ্জের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
মুন্নি বলেন, ‘এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে দিনরাত পরিশ্রম করে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঠিক নির্দেশনায় সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ জনগণের পাশে আছে। বৃত্তবানরা পাশে আছেন। তবে সব বৃত্তবানরা যদি এগিয়ে আসেন তবে বাংলাদেশের একটি মানুষও ক্ষুদায়-যন্ত্রণায় কষ্ট পাবে না।’
জানা যায়, লুৎফুন্নাহার মুন্নির ত্রান প্রতি প্যাকেজে ৫কেজি চাল, আলু, সয়াবিন তৈল, ছোলা, সেমাই, পেঁয়াজ ছিল।

সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় আওয়ামী লীগনেতা লেনিন আটক

:: ইলিয়াস হোসেন, সাতক্ষীরা ::
সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগনেতা লেনিন আটক হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩ টার দিকে শ্যামনগর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম জামিরের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানানো হয়।
জানা যায়, পুলিশের হাতে গ্রেফতার জি. এম শফিউল আযম লেনিন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি গাবুরা গাইন বাড়ি গ্রামে মৃত নওশের আলম গাইনের ছেলে।
শ্যামনগর থানার ওসি নাজমুল হুদা জানান, ঘূর্ণিঝড় উপলক্ষে গাবুরায় পুলিশের সরকারি কাজে বাধা প্রদানসহ সরকারের নীতির কঠোর সমালোচনা করার অভিযোগে তাকে আটক হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন তিনি জানান।

টিক্লু ভাই যে ভাবে ক্রস ফায়ারের আসামি কে বাঁচিয়েছিলেন : মামুন আজাদ :: (অণুগল্প)

টিক্লু ভাই যে ভাবে ক্রস ফায়ারের আসামি কে বাঁচিয়েছিলেন
– মামুন আজাদ
———————————————————————————————-

টিক্লু ভাইয়ের চোখটা বেশ ফোলা ফোলা লাগছিল। মনে হচ্ছিল তার মনটাও বেশ ফুরফুরা, কেননা হাজার বছরের রের্কড ভেঙে ভাই আজ চায়ের বিল দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। অবশ্য শুধু চায়ের বিল !

‘সিগারেট নাকি ইদানিং বেশি ক্ষতি করছে’, বলেই নিজের সিগারেটে কষে টান দিলেন ভাই। আমরা রহস্য কী জিজ্ঞাসা করতেই বললেন, ‘সকাল থেকে একটানা ঘুম বিকাল পর্যন্ত।’ ভ্রু কুচকাতেই রহস্য ভাঙলেন তিনি,‘কাল সারা রাত জেগে, এলাকার ছোট ভাই ট্যারা মাসুদকে র‍্যাবে নিয়ে গেল। ও তো বিরাট ওয়ান্টেড ! ক্রস হয়েই যাবে ! তোরা তো জানিস এসপি তো আমার পরিচিত ছোট ভাই, ফোন করলাম, বললো জটিল কেস। ওর নাকি হাতে নেই ! শেষতক ডিআইজি হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রিকে ফোন করে ওকে বাঁচাতে বাঁচাতে রাত শেষ !’

আমরা ঢোক গিলে ভাইয়ের দিকে তাকালাম। হঠাত লক্ষ্য করলাম- ভাই আজ তার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়কালের মোটর সাইকেলটা আনেনি, জিজ্ঞাসা করতেই ভাই জোরে নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, ‘আর বলিস না, গাড়ির কাগজ এখনো করা হয়নি ! ইদানিং পুলিশ খুব ডিস্টার্ব করছে !’

আমি দোকানের সব বিল মিটিয়ে দ্রুত কেটে পড়লাম।

‘জিলেপির প্যাঁচ ’ গল্পটি লিখেছেন মেহেজাবিন নেছা

জিলেপির প্যাঁচ
– মেহেজাবিন নেছা
—————————————————————————————–

ইফতারের পর এক কাপ চা করতে কিচেনে গেলো মৃত্তিকা। সন্ধ্যায় কড়া লিকারের রং চা নেশার মতোন।
পড়ালেখার সুবাদে এটা তার একার সংসার। গরম থেকে বাচঁতে দরজা খোলাই রাখে আজকাল। চা করে রুমে ফিরতেই দরজার কাছে এক টুকরো জিলাপি। বেশ কষ্ট করে দুপুরে আঁটসাঁট বেঁধে প্রথমবারের মতন জিলাপি করেছিল। চেষ্টা করেছিল- যেমনই হোক জিলাপির প্যাচটা যেন ঠিক থাকে। সে যা-ই হোক, ‘জিলাপি এখানে এলো কিভাবে?’
সঙ্গে সঙ্গেই জবাব এলো ‘মিউ, মিউ মিউ।’
সাদা বিড়ালছানা। মৃত্তিকার সঙ্গে প্রথমবারের মতো মতবিনিময় হলো। মত বিনিময় ঠিক তা নয়, প্রশ্নোত্তর পর্ব বলা যেতে পারে। মৃত্তিকার উত্তর দিয়ে চলেও গেলো।

ফোন বাজছে। ছোট ভাইয়ের কল।

– হ্যাঁ দাদাভাই। যা বলবি বল।
– তোর জিলাপির প্যাচ কেমন হলো?
– বড়োই সৌন্দর্য। এতোটাই সৌন্দর্য যে একটা কিউটি হালুমের ছানা এলো একটু আগে। নিশ্চিৎ তুই পাঠিয়েছিস। তুই খেতে পারিসনি বলে শেষ পর্যন্ত বিড়াল পাঠালি?
– আস্তাগফিরুল্লাহ্। আমাকে কি তোর হিংসুটে মনে হয়? বিড়ালটাকে আচ্ছা করে ধোলাই করতে পারিসনি?
– না। শুধু বলেছি তুই পুরো আমার দাদাভাইয়ের মতো। ওর হক মারছিস। যাহ! ওর কাছেই যা। কান্নাকাটি করে ক্ষমা চাস। নইলে আবার ওর বদদোয়াতে তোর পেট দিয়েও জিলাপির প্যাঁচ বের হবে।
– হা হা হা। ভালো করেছিস। নামাজে যাই। থাক তুই।

ঘণ্টাখানেক পর মৃত্তিকার ফোন বেজে উঠলো আবার। ফের দাদাভাইয়ের কল।

– আহা রে! আমি এসে জিলাপি করে খাওয়াবো। প্রমিজ করেছি তো।
– চুপ থাক। মান সম্মানের ফালুদা বাজিয়ে এখন আবার মলম লাগানো হচ্ছে!
– যাহ। আমি আবার কি করলাম ভাই। নামাজের মধ্যে হুট করে তোর বিড়ালের কথা মনে হতেই হো হো করে হেসে উঠেছি। নামায শেষে ইমাম সাহেব জিজ্ঞেস করে ঘটনা কী? কে হাসলো? কী বলবো তুই-ই বল!
– হিহি। ভালো তো। এবার ঘুমে যা। বিড়ালের সাক্ষাৎকার নিয়ে তারপর কাল হুজুরকে ডিটেইলে বলিস। যাহ। টাটা।

মেয়র তাপসের হাতে দক্ষিণ সিটি হবে সব সিটির রোল মডেল : ত্রাণ বিতরণকালে যুবলীগ নেতা মধু

::জোছনা মেহেদী::
‘ঈদের আনন্দ সবার। কারো মনেই কষ্ট থাকবে না। বর্তমান অঘোষিত লকডাউন শিথীলের পর কিছু অফিস সীমিত আকারে খোলা হলেও অনেকে বেতন পাচ্ছেন না বলে আমরা জেনেছি। ফলে মানবেতর অবস্থায় রয়েছেন অনেক মধ্যবিত্ত। তাদের কাছে ঈদ ফিঁকে হয়ে এসেছে করোনাকালীন পরিস্থিতির কারণে। এমনিতেই এবারের ঈদ মানে নিজেকে রক্ষা করা। তার ওপর কঠিন অবস্থায় রয়েছেন অনেকে। এই পরিস্থিতি বেশি দিন থাকবে না। আমাদের মেয়র মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সর্বদা আপনাদের সাথে আছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেখানো পথে তিনি সব ভাবে দক্ষিণ সিটি করপোরেনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রথম পদক্ষেপ কর্মদিবসের দ্বিতীয় দিনেই আপনারা দেখেছেন।’
আজ (১৮ মে) কোতয়ালী ও শ্যামপুর এবং সদরঘাট এলাকায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে উপহার সামগ্রী ও খাদ্য এবং ত্রাণ বিতরণকালে এসব কথা বলেন দক্ষিণ মহানগর যুব লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আহম্মদ উল্লাহ মধু।
মধু বলেন, ‘ইতোমধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে পাপমুক্ত করতে পদক্ষেপ শুরু করে দিয়েছেন আমাদের মাননীয় মেয়র। দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার দ্বিতীয় দিনেই দুর্নীতিগ্রস্থ দুই কর্মকর্তাকে চাকুরিচ্যুতও করেছেন। দক্ষিণ সিটিকে আমরা অচিরেই আদর্শ হিসাবে দেখতে যাচ্ছি। মেয়র তাপসের হাতে দক্ষিণ সিটি হবে সব সিটির রোল মডেল।

জানা যায়, আজ মেয়র তাপসের পক্ষে কোতয়ালী ও শ্যামপুর থানায় এবং সদরঘাটের টার্মিনালে ৩৭ ও ৪৭ নং ওয়ার্ডে ১ হাজার ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় ঈদ উপহার ও খাদ্যও বিতরণ করা হয়।
বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ সহ-সভাপতি আবু সাঈদ মোল্লা, যুবমহিলালীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাউন্সিলর জবা, কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন তপু, আওয়ামীলীগের ধর্মবিষায়ক উপকমিটি সদস্য এ কে আজাদ সরকার, দক্ষিণ যুবলীগ সহসম্পাদক মো. ইমরান খান প্রমুখ।
ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মো. সাইফুল ইসলাম খান ও মো. লিটন।