আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2588

ভাড়া বিমানে করে লন্ডনে অন্তঃসত্ত্বা মেয়ের পাশে সস্ত্রীক বেক্সিমকো চেয়ারম্যান

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় উড়োজাহাজ ভাড়া করে যুক্তরাজ্যে গেছেন দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সোহেল এফ রহমান। লণ্ডনপ্রবাসী সোহেল এফ রহমানের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা বিধায় সঙ্কটকালীন সময়ে একমাত্র মেয়ের পাশে থাকতেই এই যাত্রা বলে জানিয়েছেন পারিবারিক একটি সূত্র।
শুক্রবার একটি বিশেষ ফ্লাইটে সোহেল এফ রহমান এবং তার স্ত্রী লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হন বলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান মো. মফিদুর রহমান জানিয়েছেন। সোহেল এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান সালমান রহমানের বড় ভাই।
সালমান এফ রহমানের বেয়াই সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানও বৃহস্পতিবার ভাড়া করা একটি বিমানে স্ত্রীসহ যুক্তরাজ্যে গেছেন।

মফিদুর রহমান বলেন, ‌‘একটা স্পেশাল ফ্লাইটে যেটা সালমান এফ রহমানের বড় ভাইয়ের যাওয়ার কথা। উনাদের (এম মোরশেদ খান) সাথে এটা কানেকটেড ছিল। উনারা দুইটা ফ্লাইট চার্টার করেছিলেন । একটাতে উনারা গেছেন, আরেকটায় সালমান এফ রহমানের বড় ভাই গেছেন।’
সালমান এফ রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা। তার ছেলে আহমেদ সায়ান ফজলুর রহমানের (সায়ান এফ রহমান) সঙ্গে মোরশেদ খানের মেয়ের বিয়ে হয়েছে। করোনাভাইরাস সঙ্কটে অন্তঃসত্ত্বা মেয়ের পাশে থাকতেই তাদের এই যাত্রা বলে পারিবারিক একটি সূত্র জানালেও মোরশেদ খান দম্পতির লন্ডন যাত্রার সঙ্গে রহমান দম্পতির যাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই বলা হয়।

ওমানে সংকটে থাকা বাংলাদেশীদের সহযোগিতা করলেন এমপি দুর্জয়

সৈয়দ এনামুল হুদা :  ওমানের মাসকটে থাকা মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার মহিদুল ইসলামের সহযোগিতা করলেন মানিকগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়। জানা যায়, ওমানের মাসকটে থাকা মহিদুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী কিছুদিন যাবৎ প্রশাসনিক এবং অর্থনৈতিক সংকটে ছিলেন। ফলে তিনারা এমপি দুর্জয়ের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সমাধানের ব্যাবস্থা করে দেন বলে দুর্জয়ের ফেসবুক সূত্রে জানা যায়। পাঠকদের সুবিধার জন্য বিসিবির পরিচালক নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের ফেসবুকের পোস্টটি হুবুহু তুলে ধরা হলো :https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10163586333000613&id=861960612
কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে মহিদুল ইসলাম নামের একজনের একটি ম্যাসেজ পাই। তিনি ম্যাসেজে জানান, তার বাড়ি আমার নির্বাচনী আসনের দৌলতপুর থানায়। তিনি এবং তার সাথের কয়েকজন শ্রমিক ওমানের মাসকাটে নিদারুণ করুণ জীবন যাপন করছে। তার স্পনসর টাকা নিয়ে নিয়েছে পাসপোর্ট রিনিউ করার কথা বলে অথচ পাসপোর্ট রিনিউয়ের কোনো খবর নেই, গত দুই মাস কাজ না করতে পারায় তাদের হাতে অবশিষ্ট কোনো টাকাও নেই। খাবারের অভাবে এমনিতেই কষ্টের এই দুর্দিনে আবার তাদের মধ্যে করোনা রোগীও শনাক্ত হয়েছে।

ম্যাসেজটা পাওয়ার পরেই তাদের মানসিক অবস্থার কথা ভেবে খুব মন খারাপ হয়ে যায়। তাৎক্ষনিক তাদের সাথে যোগাযোগ করে ডিটেইলস জানতে চাই আর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ছবি তুলে পাঠাতে বলি।

আমাদের মন্ত্রী পরিষদের যে কয়জন সদস্যকে কোনো প্রয়োজনে নক করলে সবচেয়ে দ্রুত পজেটিভ ফিডব্যাক পাওয়া যায় মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম ভাই তাদেরই একজন। আজ পর্যন্ত কখনও এমন হয়নি যে কোনো প্রয়োজনে তাকে নক করেছি আর তিনি তার অবস্থান থেকে হাত বাড়িয়ে দেননি। সেই ভরসা থেকেই এবারও মানবিক আবেদন নিয়ে তার শরনাপন্ন হই, তাকে ঘটনাটি জানাই।

মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম ভাই দ্রুত সময়ের মধ্যেই ওমানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী তখনই মহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে তাৎক্ষনিক তার ও তার সঙ্গীদের জন্য খাবার পাঠানো হয়, সেইসাথে কিছু নগদ অর্থও দেয়া হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তা মহিদুল ইসলামের স্পন্সরের সাথে যোগাযোগ করে তার ভিসা রিনিউ সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানের উদ্যোগও গ্রহণ করেন।

প্রবাসীরা আমাদের সম্পদ, আমাদের অর্থনীতির ভীত তাদের ঘামে অর্জিত রেমিটেন্সের উপর দাঁড়ানো। তাদের কারও জন্য সামান্য কিছু করতে পারাই মন আর দায়িত্ববোধের প্রশান্তি। আমরা তাদের জন্য যতোটুকু করতে পারবো তার অনেক বেশিই তারা বহু আগে থেকে আমাদের জন্য করে আসছেন।

সর্বোপরি এই করোনা মহামারীর ক্রান্তিকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও নির্দেশনা অনুযায়ী সবাই যে আত্মনিবেদন নিয়ে কাজ করছে তার প্রশংসা না করে পারিনা। মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম ভাইয়ের মতোন দায়িত্বশীল মানুষ যার নির্দেশনায় বিভিন্ন দেশে আমাদের দূতাবাসের কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ সাধ্য অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছেন তাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। মানুষের সেবায় যে প্রশান্তি তা একবার কেউ পেলে সারাজীবন এই পথে নিবেদিত থাকবে বলেই বিশ্বাস করি। আর আমাদেরতো এই আলোর পথের দিশারি ও দিকপাল হিসেবে রয়েছেন সয়ং বঙ্গবন্ধু কন্যা, আমাদের জয় হবেই। ইনশা আল্লাহ ।

 

আলোকিত প্রতিদিন /২৯ মে ‘২০/এসএএইচ

পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে ভাঙন,দুটি ঘাট দিয়ে চলছে পারাপার

মানিকগঞ্জ, প্রতিনিধি :  পদ্মা-যমুনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভাঙনের মুখে পড়েছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট। ফলে ঘাটের চারটি পন্টুনের মধ্যে দুটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে করে দুটি পন্টুন দিয়ে ফেরিতে উঠানামা করছে যানবাহন ও যাত্রীরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান জানান, ‘পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বর্তমানে ২ ও ৩ নং পন্টুন দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন ফেরিতে উঠানামা করছে।’
‘ঘাটের ৪ ও ৫ নং পন্টুনটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ঘাট স্থানান্তরে কাজ চলছে, ফলে আর কিছু সময়ের মধ্যেই ঘাটগুলো চালু করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি‘।
তিনি আরো জানান, ফেরি বহরে ১৭টি ফেরির মধ্যে ১০ টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৫টি রো-রো (বড়) ফেরি ও ৫টি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি রয়েছে।
মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস বলেন, ‘ইতোমধ্যে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙনরোধে ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।’
‘এছাড়াও, ভাঙনের মুখে পড়া অন্য পন্টুন দুটিকেও সড়িয়ে উঁচুস্থানে স্থাপন ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘ফেরি চলাচল সচল রাখতে পাটুরিয়াঘাটের সবকটি পন্টুনকে ব্যবহারের উপযোগী করার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। আগামীকাল শনিবারের মধ্যে সবকছিু ঠিকঠাক হয়ে যাবে।’
ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফেরা মানুষের চাপ রয়েছে পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে। তবে যানবাহনের তেমন কোন চাপ পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে নেই। ফেরি পার হয়ে গাড়িগুলো অনায়াসে ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে। আর যাত্রীরা পাটুরিয়া ফেরি ঘাট থেকে ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার, মাইক্রো, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, লেগুনা করে ঢাকায় ফিরছেন যাত্রীরা। আবার প্রিয়জনের সাথে ঈদ শেষে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় ফিরছেন অনেকেই। গাদাগাদি করে করোনা ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পাড়ি দেন অনেকে। প্রশাসন থেকে বার বার সতর্ক করা হলেও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।
ঘাটে আসা কয়েকজন যাত্রী জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ের চাইতে কয়েকগুন বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ঢাকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে। গণপরিবহন বন্ধ থাকার সুযোগটি ছোট যানবাহনের চালকরা কাজে লাগাচ্ছে। পাটুরিয়া থেকে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোতে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৫-৬ শত টাকা। তবে এসব দেখার জন্য প্রশাসনের কোন তৎপরতা নেই।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ মে ‘২০/এসএএইচ

‘করোনাভাইরাস স্ত্রীর মত’: মন্ত্রীর মন্তব্যে ইন্দোনেশিয়ায় ঝড়

  :: ডেস্ক প্রতিদিন::

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারের প্রচেষ্টার সঙ্গে স্ত্রীর উপর স্বামীর নিয়ন্ত্রণের তুলনা দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইন্দোনেশিয়ার আইন, রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী মাহফুদ এমডি। জাকার্তা পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার এক অনলাইন অনুষ্ঠানে তার ওই মন্তব্যকে ‘লিঙ্গ বৈষম্যমূলক এবং নারী বিদ্বেষী’ আখ্যায়িত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অধিকারকর্মীসহ নানা পেশার মানুষ।

মাহফুদ এমডি ওই অনুষ্ঠানে বলেন, ‘গতকাল পাক লুহুত (সমুদ্রসীমা ও বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রী) আমাকে একটি মেমে পাঠিয়েছেন, সেখানে বলা হয়েছে, ‘করোনা আপনার স্ত্রীর মতো। আপনি একে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবেন, অবশেষে বুঝতে পারবেন যে তা সম্ভব না। তারপর এটাকে মানিয়ে নিয়েই জীবনযাপন করতে শিখবেন।’

এর সমালোচনা করে ইন্দোনেশিয়ার নারী অধিকার সংগঠন সলিডারিটাস পেরেমপুয়ানের প্রধান নির্বাহী দিনদা নিছা ইউরা বলেন, মাহফুদের ওই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের মনের গতানুগতিক লিঙ্গ ও নারী বিদ্বেষই ফুটে উঠেছে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, একজন মন্ত্রীর এমন মন্তব্যে কোভিড-১৯ মোকাবেলার প্রক্রিয়ায় সরকারের ‘অগভীর চিন্তারই’ প্রকাশ ঘটেছে। করোনাভাইরাসের সঙ্গে তুলনা করে নারীকে তিনি একটি বস্তু হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন।

মন্ত্রীর বক্তব্যে নারীকে পুরুষের অধস্তন হিসেবে তুলে ধরে হেয় করা হয়েছে অভিযোগ করে দিনদা বলেন, ‘এমন রসিকতা নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতাকেই শুধু স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করবে। “সরকারের কর্মকর্তারা যখন নারীদের হেয় করে কথা বলেন, তখন নারী অধিকার পূরণ ও সংরক্ষণে সরকারের ওপর চাপপ্রয়োগ অব্যাহত রাখার কাজটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।’

জাকার্তা পোস্ট লিখেছে, মাহফুদের ‘লিঙ্গ বিদ্বেষী’ মন্তব্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ জনগণের বিভিন্ন শ্রেণি থেকে সমালোচনার ঝড় উঠে। মনাশ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আরিয়েল হেরায়ান্তো টুইটারে মাহফুদের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘বিরক্তিকর। আশা করি এর একটা ব্যাখ্যা আমি পাব।’ এদিকে মাহফুদ ও লুহুতের মধ্যে ওই ‘রসিকতাকে’ ইঙ্গিত করে সাংবাদিক ফাব্রিয়ানা ফিরদাউস এক টুইটে ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘স্ত্রীদের যদি আর তাদের পছন্দ না হয়, তাহলে তারা কেন দুজন দুজনকে বিয়ে করে ফেলছেন না?’

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের টালি অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়ায় এ পর্যন্ত ২৪ হাজার ৫৩৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে এক হাজার ৪৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশের সংখ্যা বেড়ে ৪৫৪৪

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা চার হাজার ৫৪৪ জনে উন্নীত হয়েছে, যাদের মধ্যে মোট ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যের প্রতি ৩ জনে ১ জন সদস্য করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত পুলিশের এক হাজার ৫৬৩ জন সদস্য সুস্থ হয়েছেন।  সুস্থ হওয়া বেশির ভাগই কাজে যোগ দিয়েছেন। ‘পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও নির্দেশনায় আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের সুচিকিৎসা ও সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করায় সুস্থতার হার যেমন বাড়ছে, তেমনি নতুন করে সংক্রমণের সংখ্যা কমছে,’ বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ছাড়াও রাজধানীতে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ভাড়া নিয়ে কোভিড ১৯ আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা চলছে। এই দুই হাসপাতালে ২৫০ করে মোট ৫০০ বিছানা রয়েছে। এছাড়াও বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা চলছে।

ফেইসবুক লাইভে জানানো হবে এসএসসির ফল

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

করোনাভাইরাস সঙ্কটের মধ্যে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের বিভিন্ন দিক ফেইসবুক লাইভের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। রোববার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করবেন। এরপর বেলা ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী ফেইসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, ফলাফল সংক্রন্ত তথ্য-উপাত্তগুলো মেইলে গণমাধ্যমকর্মীদের পাঠানো হবে। আর বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভ) ক্যামেরায় রেকর্ড করা মন্ত্রীর বক্তব্যের ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন টেলিভিশন স্টেশনে পাঠানো হবে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় গণমাধ্যমকর্মীদের শিক্ষামন্ত্রীর ব্রিফিংয়ে না যেতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। সাধারণত সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকদের ফলাফলের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের কার্ডকপিও সরবরাহ করা হয়। কোভিড-১৯ সংক্রমণের মধ্যে এবার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ফল পাঠানো হবে না। শিক্ষার্থীরা মোবাইল থেকে ‘প্রি-রেজিস্ট্রেশন’ করে রাখলেই ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সেই নম্বরে ফল পৌঁছে যাবে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে।

গত ৩ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হলেও এবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা সম্ভব হয়নি। করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা করা হচ্ছে বলে ফল প্রকাশের দিন কোনো অবস্থাতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জমায়েত না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিসও বন্ধ রাখতে বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মোবাইলে ফল

অন্যবারের মত এবারও যে কোনো মোবাইল থেকে রেজিস্ট্রেশন করে ঘরে বসেই মাধ্যমিকের ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এসএসসির ফল জানতে SSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। দাখিলের ফল পেতে Dakhil লিখে একটি স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। আর কারিগরি বোর্ডের এসএসসির ফল পেতে SSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। যেসব শিক্ষার্থী প্রি-রেজিস্ট্রেশন করে রাখবেন ফল প্রকাশের পর তাদের মোবাইল নম্বরে ফলাফল পৌঁছে যাবে। এছাড়া নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে।

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ২ হাজার ৫ শত ২৩ , মৃত্যু ২৩

সৈয়দ এনামুল হুদা :  দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৩ জন মারা গেছেন। এতে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৮২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুনভাবে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫২৩ জন। যা একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪২ হাজার ৮৪৪। আজ শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন পড়েন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৯৮২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১১ হাজার ৩০১টি । এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ২ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে আরও ২ হাজার ৫২৩ জনের দেহে, যা একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ছাড়াল। ফলে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৪২ হাজার ৮৪৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে আরও ২৩ জনের। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৮২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে আরও ৫৯০ জন। ফলে এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল নয় হাজার ১৫ জনে।

 

আলোকিত প্রতিদিন /২৯ মে ‘২০/এসএএইচ

একাধিক মামলার আসামী চাঁদাবাজ মনিরের নারী কেলেঙ্কারী ফাঁস

আলী হোসেন,সাভার প্রতিনিধি: সাভার সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড দেওগাঁও এলাকার বাসীন্দা একাধিক মামলার আসামী চাঁদাবাজ মনিরের নারী কেলেঙ্কারীর কু-কীর্তি ফাঁস করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার এবং এলাকাবাসী।জানাগেছে,চাঁদাবাজ মনিরের নারী কেলেঙ্কারী শুধু নয় নিরহ মানুষকে অপহরণ,চাঁদাবাজি,হামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।গত একমাস পূর্বে সাভার নিউ মার্কেট থেকে দেওগাঁও পর্যন্ত যে সকল অটো রিক্সা চলাচল করে সে স্থান থেকে চাঁদাবাজি কালে হাতে নাতে সাভার মডেল থানা পুলিশ তাকে আটক করে।ভুক্তভোগী লিটন কস্তা জানান,মনিরের সাথে আমার এবং আমার পরিবারের ভালো সম্পর্ক ছিল।সে আমার বাড়িতে প্রতিদিন যাতায়াত করতো।সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মনির আমার স্ত্রীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে।এক পর্যায়ে আমি এবং আমার প্রতিবেশী কৃষ্ণ মল্লিক বিষয়টি বুঝতে পাড়ি।এই রমজানের মধ্যে মনির আমাদের বাড়িতে রাতে দাওয়াত খেতে আসে।দাওয়াদ খাওয়া শেষে আমি আমার রুমে এবং আমার স্ত্রী,কন্ন্যা অন্য একটি রুমে শোয়ে পড়ি।কিছু সময় যেতে আমার প্রতিবেশী কৃষ্ণ মল্লিক আমাকে ডাক দিয়ে বলে মনিরকে কিন্তু তোমার স্ত্রীর রুমে ডুকতে দেখেছি।এর পর আমি এবং আমার প্রতিবেশীসহ আরো অনেকে আমার স্ত্রী ও মনিরকে অপ্রতিকর অবস্থা দেখতে পাই।এক পর্যায়ে এলাকার লোকজন জোড়ো হতে থাকলে মনির পালিয়ে যায়।বিষয়টি আমি পর দিন সকালে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কাছে অবগত করি।তারা আমাকে এ বিষয়ে একটি সুঠু সমাধান করে দিবে বলে আসস্থ করেন।এর পর থেকে মনির ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে আমাকে হুমকি দিতে থাকে।এত দিন পরেও আমি এর কোন সমাধান বা বিচার পাইনি।কৃষ্ণ মল্লিক বলেন,ঘটনার দিন মনিরকে হাতে নাতে ধরার কারনে আমাকে মনির ইন্দনে নিটনের স্ত্রী জনসমূক্ষে গায়ে হাত দিয়ে মারধর করে। পরে বিষয়টি আমি এলাকার স্থানিয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে অবগত করি।এর পর থেকে মনির আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে।এক পর্যায়ে কিছু দিন পূর্বে আমাকে আমার দোকান থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করে।এই ঘটনারও আমি কোন সমাধান ও বিচার পাইনি।এলাবাসী জানান,চাঁদাবাজ মনির এলাকায় একের পর এক বিভিন্ন অবৈধ,অসামাজিক,
অনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েই চলছে।তার বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে।তার বিরুদ্ধে যে কথা বলতে যায় তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করতে আসে।আমরা এই সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মনিরের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।

এলাকার জনপ্রতিবিধিরা জানান,মনিরের বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে।ভুক্তভোগীদের তার বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দেন তারা।গতকাল তার বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় এক অটো চালকের কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

এঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার এস আই হামিদ বলেন,তদন্ত সাপেক্ষে মনির বিরুদ্ধে অনিত অভিযোগের সতত্তা থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন /২৯ মে ‘২০/এসএএইচ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসায় করোনার হানা, ৪ কর্মচারী শনাক্ত

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাসায় কর্মরত চারজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তার পরিবারের সবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ‘২০০০ সালে ডেঙ্গু হয়েছিল আমার, রোজার মাসে। তখন ডেঙ্গু মানে অবধারিত মৃত্যু। সেই সাথে হলো পক্স। এমন অবস্থা মনে হলো হাতে আর দুই একদিন সময় আছে! টানা একমাস অসুস্থতার পর সুস্থ হয়ে ওঠার একদিন আগে একজন ডাক্তার বাসায় এসে বললেন ডেঙ্গু হয়নি। কে যানে কি হয়েছিলো! আরেকবার ডেঙ্গু হয়েছিল কয়েক বছর আগে, সম্ভবত ২০১৪ সালে। হাসপাতালে ভর্তি হতে হলো, রক্ত দিলো। আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সুস্থ হলাম। এর মাঝে ছোট, বড়, মাঝারি আরও অসুখ-বিসুখ হয়েছে। প্রতিবার আল্লাহর অশেষ রহমতে সুস্থ হয়েছি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘করোনাকালে যতটা সম্ভব সাবধানে থাকার চেষ্টা করেছি। যদিও ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ার প্রথম দিকে মাদ্রিদ আর জেনেভা যেতে হয়েছিলো। বিশ্ব তখনও এর ভয়াবহতা বুঝে ওঠেনি। অনেকদিন থেকেই শুনছি পরিচিত মানুষের পরীক্ষা করাচ্ছেন। কেউ কেউ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, কেউ হাসপাতালে ভর্তি। মৃত্যুবরণ করেছেন একাধিক পরিচিত ব্যক্তি। তাই আমার বাসার সহকারী মিঠু যখন বললো বাবুর্চি মুসা আর চারজন নিরাপত্তাকর্মীর মধ্যে একজনের জ্বর তখন দেরি না করে পরীক্ষা করালাম, নিজেরসহ মোট ৯ জনের। ফলাফল এসেছে মুসা ও সেই নিরাপত্তাকর্মীসহ মোট ৪ জন পজেটিভ। মানে বাকি দুইজন পজেটিভ হয়েও কোনো লক্ষণ নেই। আমরা বাকিরা নেগেটিভ।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘গতকাল রাত থেকে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। বাড়িতে রোগী রেখেই চিকিৎসা করাতে হবে এবং নিজেদের সুস্থ রাখতে হবে। কাজটা মোটেই সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে না। সকলকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আমাদের সবার জন্য দোয়া করার জন্য। অসুস্থরা যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠেন এবং নতুন কেউ যেন সংক্রমিত না হন।’

তিনি লেখেন, ‘গত দুইমাস যেভাবে কাজ করেছি অবশ্যই চেষ্টা করবো সেভাবে বাসায় থেকে কাজ করতে। অজস্র মানুষের বিভিন্ন অনুরোধ আসে আমার কাছে প্রতিদিন, এই সময় মলত সেটা প্রবাসীদের কাছ থেকে আর অন্যদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশেদের নাগরিকদের কাছ থেকে। এলাকার দেখভালতো আছেই। এখন আর কথা না বাড়াই। সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। ভালো থাকুন সবাই।’

(একটা ছোট্ট অনুরোধ, আমার বাসার কাউকে দয়াকরে শুধু খোঁজ নেবার জন্য ফোন দিবেন না। তারা সবাই মানসিকভাবে কিছুটা হলেও কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন এবং নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেবার জন্য ব্যস্ত আছেন। আপনার কোনো বার্তা থাকলে তা নিচে লিখে দিতে পারেন অথবা যেকোনো মাধ্যমে সরাসরি আমার কাছে।)

আল্লাহ তাআলা রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলের প্রতি সদয় হউন।

লিবিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসী হত্যা : অবিলম্বে খুনিদের শাস্তি চেয়েছে বাংলাদেশ

:: নিজস্ব প্রতিবেদক:: লিবিয়ায় মানব পাচারকারীদের হাতে ২৬ বাংলাদিশি নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। দেশটির মিজদা শহরে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত এস কে সেকেন্দার আলী  বলেন, ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত এবং ১২ জন আহত হওয়ার খবর জানতে পেরেছি। আমরা এখানকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ভারবাল নোট দিয়েছি। তদন্ত ও দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে। এখন তাদের লিখিতভাবে জানাবো।
রাষ্ট্রদূত জানান, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। সেখানে কারও নিয়ন্ত্রণ নেই। এখানে দুপক্ষের যুদ্ধ চলমান। দুপক্ষের ফ্রন্ট-লাইনে পড়েছে এই মিজদাহ শহর। ঘটনাটি যারা ঘটিয়েছে তারা মিলিশিয়া এবং মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত বলে আমরা জানতে পেরেছি। এখন এটা অভ্যন্তরীণ কোন্দল হতে পারে আবার প্রতিশোধমূলক হত্যাও হতে পারে।
এদিকে ঢাকা থেকে এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা প্রাথমিক রিপোর্ট পেয়েছি যেখানে বলা হয়েছে ২৬ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ওই বাংলাদেশিদের আটকে রাখা হয়েছিল অর্থের জন্য। এক পর্যায়ে ওই দলের একজনের সঙ্গে হাতাহাতি হলে ওই পাচারকারী মারা যায়। এর প্রতিশোধ হিসাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হতে পারে বলে জানান তিনি।
এদিকে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় মোট ৩০ জন নিহত হয়েছে। লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২৬ বাংলাদেশি ও চারজন আফ্রিকান অভিবাসী। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১১ জন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।