আজ , ।   

আশুলিয়ায় অবৈধ সিলিন্ডারবাহী ভ্যানে-লরিতে গ্যাস দিবে না সিএনজি পাম্প কতৃপক্ষ

আরো খবর

মোহাম্মদ ইয়াসিন: সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীটি গ্রুপের কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যান ও লরিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির পর অনুমোদনহীন পদ্ধতিতে পরিবহন করা যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সিএনজি স্টেশনগুলো। একই সঙ্গে সিএনজি স্টেশনগুলোকে এ ধরনের যানবাহনে গ্যাস না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।

বুধবার (২৩সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাসের আশুলিয়া জোনাল বিক্রয় অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন সাংবাদিকদের তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক তানভীর রহমান বলেন,তিতাস কতৃপক্ষ আগে কাগজে-কলমে নিষেধ করলেও মৌখিকভাবে গ্যাস দিতে বলেছিল। কিন্তু কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপরই আসে। তাই আমরা আর এ ধরনের ঝুঁকির মধ্যে থাকতে চাই না।

তিনি বাংলাদেশ সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের উত্তরা, আশুলিয়া, নবীনগর, বাইপাইল ও চন্দ্রা জোনের জোনাল সভাপতি এবং বাইপাইলে অবস্থিত টিএস সিএনজি রিফুয়েলিং অ্যান্ড কনভার্সন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী।

তিনি বলেন, প্রীতি গ্রুপের ঘটনার পর আশুলিয়া অঞ্চলের তিতাস কার্যালয় থেকে সিএনজি স্টেশনগুলোকে পুনরায় চিঠি দিয়ে অনুমতিহীন সিলিন্ডারবাহী যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ না নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিতাস গ্যাসের আশুলিয়া জোনাল বিক্রয় অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন বলেন, আমরা আগেও তাদের সতর্ক করেছি, এখনো করছি। প্রীতির ঘটনার পর আবারও সিএনজি স্টেশনগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সিএনজি স্টেশনগুলো মনিটরিংয়ের দায়িত্ব মূলত তিতাস ও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের। এসব দপ্তর প্রশাসনিক সহযোগিতা চাইলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -