টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি, কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের নাকপুরা দ্বীপ এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ১০টার পর থেকে সীমান্তের এপারে হ্নীলা এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক গুলির শব্দ শোনা যায়। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় শতাধিক গুলির শব্দে সীমান্তবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত ১০টার পর মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নাকপুরা দ্বীপ এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর কিছুক্ষণ পরপর বিকট শব্দে গুলির আওয়াজ শোনা যেতে থাকে। কখনো একটানা, আবার কখনো থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যাওয়ায় সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
হ্নীলা এলাকার বাসিন্দা নুর কামাল বলেন, ‘আমার পূর্বদিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছিল। একটানা ও থেমে থেমে শতাধিকের কাছাকাছি গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছি।’
নৌকা বাংলাদেশের দিকে আসায় বিজিবির ফাঁকা গুলি, গোলাগুলির একপর্যায়ে মিয়ানমারের দিক থেকে একটি নৌকা বাংলাদেশের সীমান্তের দিকে আসার উপক্রম হলে বিজিবি ফাঁকা গুলি ছোড়ে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক।
উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম (জি) বলেন, ‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নাকপুরা দ্বীপে গোলাগুলি হচ্ছে। হঠাৎ একটি নৌকা বাংলাদেশের সীমান্তের দিকে আসার উপক্রম হলে আমরাও ফাঁকা গুলিবর্ষণ করি।
তিনি আরও বলেন, নাফ নদী ও সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ কিংবা সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে মিয়ানমারের নাকপুরা দ্বীপ এলাকায় সংঘর্ষের কারণ, হতাহত কিংবা সংঘর্ষে জড়িত পক্ষগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

