বিমানটি মহাসড়কে আছড়ে পড়ায় কারো মৃত্যু হয়েছে কি-না কিংবা কোনো যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি-না, তা এখনও জানা যায়নি। অবশ্য এমন আশঙ্কা কম, কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, উড়োজাহাজটি মহাসড়কের এক পাশের ব্যারিয়ারে বিধ্বস্ত হয়েছে।
বিমানটি যখন আছড়ে পড়েছিল, সে সময় নিজের স্বামী এবং সহকর্মীদের নিয়ে ওই সড়ক দিয়ে গাড়ি চালিয়ে জাচ্ছিলেন জায়রা গার্জা নামের এক রুপসজ্জা কর্মী। তিনি এবং তার সহকর্মীরাই প্রথম বিধ্বস্ত বিমানটিকে দেখেছিলেন এবং গাড়ি থামিয়ে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া সেই বিমানটির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিমানটিতে সে সময় আগুন জ্বলছিল, তবে সেটি ছিল ছোটো আকারের।
ভিডিও করার সময়েই জায়রা উড়োজাহাজটির ভেতরে মানুষের নড়া-চড়া বুঝতে পেরেছিলেন। এ সময় তার স্বামী এগিয়ে আসেন এবং বিমানের একটি দরজা আংশিক খোলা দেখতে পান। এ সময় আরও লোকজন সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। তাদের সহায়তায় জায়রার স্বামী সেই দরজা দিয়ে ৫ জন যাত্রীকে বের করেন। পরে পুলিশের দায়িত্বে ওই ৫ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জায়রা এএফপিকে বলেছেন, “আমি একদম ভড়কে গিয়েছিলাম, মনে হচ্ছিল সিনেমা দেখছি…বিমানটিতে আগুন জ্বলতে দেখে খানিকটা ভয়ও পেয়েছিলাম; মনে হচ্ছিল; যে কোনো সময় বিস্ফোরণ হতে পারে।
সূত্র : এএফপি, এনডিটিভিৎ
আলোকিত প্রতিদিন/১৭জুন ২০২৬/মওম

