মোঃ শিহাব উদ্দিন:
চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জের দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় দুটি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ধরা পড়ে। চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই পৃথক ও ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠান দুটি এসব বিধান অনুসরণ করেনি।
কর্তৃপক্ষ বলছে, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের আশঙ্কাও থাকে।
এ অপরাধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এবং চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮ অনুযায়ী মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে পৃথকভাবে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার যথাযথ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।
আলোকিত প্রতিদিন/১১জুন ২০২৬/মওম

