আজ সোমবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৫ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কো*রবানির আগে কাঠপট্রিতে খাটিয়ার জমজমাট বেচা-কেনা

আরো খবর

মোঃ আনোয়ার হোসেন:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর মাংস কাটার জন্য বরাবরের মত এবারও কদর বাড়ছে খাটিয়ার। কোরবানির পশুর মাংস ও হাঁড় কাটার জন্য প্রয়োজন হয় এই কাঠের খাটিয়ার (ছোট কাঠের টুকরো)। সাধারণত গাছের গোড়ার দিকের গোলাকার কাঠ দিয়ে খাটিয়া তৈরি করা হয়। এই খাটিয়া সারা বছর ব্যবহার করে কসাইরা। খাটিয়াকে নবীনগরের (ব্রাহ্মণবাড়িয়ার) স্থানীয় ভাষায় অনেকে আবার গাছের গুঁড়িও বলে থাকেন। এরই মধ্যে ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই কিনে ফেলেছেন কোরবানির পশু, এখন শেষ মুহূর্তে পশু কাটার সরঞ্জাম গুলো যেমন- ছুড়ি, দা, টাশকাল, বাঁশ/হুগলার পাটি কিংবা খাটিয়া কিনতে ভিড় করছেন অনেকে। ২৪মে রবিবার দুপুরে নবীনগর উপজেলার সদর বাজার এবং বাঙ্গরা বাজারের কাঠপট্টি ঘুরে দেখা যায়- খাটিয়া ব্যবসায়ীরা কাঠের তৈরি খাটিয়া গুলো থরে থরে একটির ওপর আরেকটি সাজিয়ে রেখেছেন।
জানা যায়- খাটিয়া তৈরিতে তেঁতুল গাছের কাঠকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। কারণ অন্য কাঠের তুলনায় এ কাঠ দা-ছুরির আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা অনেক বেশি। আগে সারা বছরই কমবেশি এ সব খাটিয়া বিক্রি হত। এখন শুধু কোরবানির ঈদ এলেই বিক্রি বেড়ে যায়। এবারো তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। আমিনুল ইসলাম নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী ঈদ উপলক্ষ্যে তার দোকানের সামনে থরে থরে সাজিয়ে রেখেছেন এ সব কাঠের গুড়ি বা খাটিয়া গুলো। তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান-“প্রতিটি সাধারণ মানের খাটিয়া বিক্রি হচ্ছে ৩শ-৫শ টাকায়। বড় গুলোর দাম ১২শ-১৫ শত টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।” তিনি আরো বলেন-“পশুর মাংস কাটার কাজে এই কাঠের গুঁড়ি বা খাটিয়ার চাহিদা অনেক। কোরবানির দিনে পশুর মাংস কাটতে এটি খুবই প্রয়োজনীয় বস্তু। এ সব গুঁড়ি বা খাটিয়া গুলো মূলত ঈদের আগ মুহূর্তে বেশি বিক্রি হয়। এবারও শেষ মুহূর্তে বেশ ভাল বিক্রি হচ্ছে” বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, কোরবানির ঈদের সময় এ সব খাটিয়া বিক্রি করে ভাল উপার্জন করেন অনেক ব্যবসায়ী। তবে ঈদুল আজহায় বিক্রি হওয়া খাটিয়া থেকে পেশাদার কসাইদের কাজে ব্যবহৃত খাটিয়া গুলোর মান ভাল এবং দাম অনেক বেশি।ক্রি হচ্ছে ৩শ-৫শ টাকায়। বড় গুলোর দাম ১২শ-১৫ শত টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।” তিনি আরো বলেন-“পশুর মাংস কাটার কাজে এই কাঠের গুঁড়ি বা খাটিয়ার চাহিদা অনেক। কোরবানির দিনে পশুর মাংস কাটতে এটি খুবই প্রয়োজনীয় বস্তু। এ সব গুঁড়ি বা খাটিয়া গুলো মূলত ঈদের আগ মুহূর্তে বেশি বিক্রি হয়। এবারও শেষ মুহূর্তে বেশ ভাল বিক্রি হচ্ছে” বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, কোরবানির ঈদের সময় এ সব খাটিয়া বিক্রি করে ভাল উপার্জন করেন অনেক ব্যবসায়ী। তবে ঈদুল আজহায় বিক্রি হওয়া খাটিয়া থেকে পেশাদার কসাইদের কাজে ব্যবহৃত খাটিয়া গুলোর মান ভাল এবং দাম অনেক বেশি।

আলোকিত প্রতিদিন / ২৪ মে ২০২৬ /মওম

- Advertisement -
- Advertisement -