আজ মঙ্গলবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পাকিস্তানকে বিশ্বরেকর্ড গড়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল বাংলাদেশ

আরো খবর

স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রথম ইনিংসে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা থাকলেও লিটন দাসের সেঞ্চুরি এবং বোলারদের কার্যকর পারফরম্যান্সে ম্যাচে লিড নেয় বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে দাপট দেখান টাইগার ব্যাটাররা। বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম খেলেন অসাধারণ এক ইনিংস, তার রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ গড়ে স্বাগতিকরা।

সব মিলিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান করে অলআউট হয় বাংলাদেশ। এতে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৬ রানের বিশাল চ্যালেঞ্জ। টেস্ট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের বিশ্বরেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে থাকায়, এই লক্ষ্য ছুঁতে হলে পাকিস্তানকে গড়তে হবে নতুন ইতিহাস।

১৫৬ রানের লিড নিয়ে সোমবার তৃতীয় দিনে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিন মুমিনুল হক আউট হওয়ার পর দিন শেষ ঘোষণা করা হয়েছিল। ১৩ রানে অপরাজিত থাকা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ক্রিজে নামেন মুশফিকুর রহিম।

দিনের শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। পঞ্চম ওভারে ১৫ রান করে এলবিডব্লিউ হন শান্ত। এরপর ক্রিজে যোগ দেন লিটন দাস। ৪১তম ওভারে তার সিঙ্গেলে বাংলাদেশের লিড ২০০ ছাড়ায়। লাঞ্চের আগে লিটন–মুশফিক জুটি ৮৮ রানে অপরাজিত থাকে এবং লিড পৌঁছে যায় ২৪৯ রানে।

লাঞ্চের পর দ্রুতই ফিফটি পূর্ণ করেন লিটন দাস। ৫৪ টেস্টের ক্যারিয়ারে এই প্রথম এক ম্যাচের দুই ইনিংস মিলিয়ে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০২২ সালে মিরপুরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৯৩ রান।

এরপর মুশফিকুর রহিম নিজের অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে ১৭৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ১টি ছক্কা। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম শতক, যা বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ।

শেষ পর্যন্ত লিটন দাস করেন ৬৯ রান। মেহেদী হাসান মিরাজ থিতু হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি, আউট হন ১৯ রানে।

অন্যদিকে, টেস্ট ছাড়া বাকি দুই ফরম্যাট থেকে অবসর নিলেও লাল বলের ক্রিকেটে এখনও দারুণ ফর্মে আছেন মুশফিক। ইনিংসের শেষ দিকে তাইজুল ইসলাম ২২ রান করে তাকে ভালো সঙ্গ দেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ৬ ও শরিফুল ইসলাম ১২ রান যোগ করেন।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশের বড় সংগ্রহে পাকিস্তানের সামনে এখন ইতিহাস গড়ার মতো কঠিন এক লক্ষ্য।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

- Advertisement -
- Advertisement -