একেএম ফারুক হোসেন :
সারাদেশে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সে রোডম্যাপ এবং অনুযায়ী তৃতীয় ধাপে ১৮মে নোয়াখালী সদর উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আঃলীগের সমর্থন নিয়ে প্রার্থী হতে আগ্রহী জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য,বাস- মালিক পরিবহন শ্রমিক নেতা, জেলা আঃলীগের সাবেক কমিটির সদস্য কামাল উদ্দিন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের তালিকা লম্বা হলেও জনসমর্থনের ভিত্তি বিবেচনায় নিলে কামাল উদ্দিনের বিকল্প নেই। তৃতীয় ধাপে নোয়াখালী সদর উপজেলার নির্বাচনে সময় থাকলেও আগ্রহী প্রার্থীদের দৌঁড় ঝাপে জমে ওঠেছে নির্বাচনের আমেজ। দেখা যায়, জেলা আঃলীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতাদের অফিসে বাসায় ভীড় করছেন আগ্রহী প্রার্থীরা। আসন্ন সদর উপজেলার নির্বাচনে নিজেকে আঃলীগের সমর্থনের প্রত্যাশী প্রার্থী ঘোষণা করেন কামাল উদ্দিন। তিনি সাংবাদিকদের জানান,রাজনীতি যদি হয় মানুষের কল্যাণে তাহলে রাজনীতিতে আমার অবদান জেলা আঃলীগের নেতৃত্ব বিবেচনা করলে আমিই সমর্থন পাওয়ার আশা করছি। বিগত বছরগুলোতে যখন যেখানে যেমন যেভাবে দলের ও মানুষের প্রয়োজনে রাতদিন নিজেকে নিয়োজিত রেখে সেবা দিয়েছি, সেটা আপনারা জানেন।তবে তিনি এও বলেন,জেলা আঃলীগের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত। যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে অতীতেও রাজনীতি করেছি ভবিষ্যতে ইনশাল্লাহ করে যাবো।উল্লেখ্য বাংলাদেশ আঃলীগ এবারের উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক থাকছে না বলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে এলে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে এবারের উপজেলা নির্বাচন উম্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। জেলা আঃলীগের সূত্র জানায়, এবার নোয়াখালীর উপজেলার নির্বাচনগুলোতে কর্মীবান্ধব ও জনগণের সাথে সম্পর্কযুক্ত নেতাদেরই সমর্থন জানানো হবে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে সেভাবে গ্রীণ সিগন্যাল দেওয়া হয়নি। নিশ্চয়ই আঃলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির নেতরা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন। এদিকে কামালের সমর্থনে তার অনুসারীরা একজোট। তাদের দাবী উপজেলার দলীয় সিদ্ধান্ত কামালকে দিলে তাহলে নির্বাচনে শতভাগ সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে সদর উপজেলা উপহার দেওয়া সম্ভব হবে। তাঁর সমর্থকরা অপেক্ষায় আছেন বলে জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি-২৪/মওম
- Advertisement -

