একেএম ফারুক হোসাইন:
নোয়াখালী জেলার মাইজদী সোনাপুর জিরো পয়েন্টের চিরচেনা যানজট হঠাৎই উধাও। সোনাপুর জিরো পয়েন্ট থেকে দক্ষিণে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,উত্তরে জেলা শহর মাইজদী, পশ্চিমে মান্নান নগর চৌরাস্তা রামগতি সড়ক পূর্বে কবিরহাট কোম্পানিগঞ্জ সড়কের গাড়ী। মোট ৪ টি উপজেলার কয়েক লক্ষ মানুষের যাতায়াতের হাব হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠা সোনাপুরের জ্যাম মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়েছিল। এ সড়কে এমন অসহনীয় যানজটে পড়ে নাকাল হতে হয়েছে ছাত্র শিক্ষক, চাকুরীজীবিসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষজনকে। একসয় দুই লেইন বিশিষ্ট এ সড়কটিকে চারলেনে উন্নতি করেছে বর্তমান সরকার। এরপরও যানজট থেকে নিষ্কৃতি মেলেনি এলাকাবাসীর। তাই পরিস্থিতি উত্তরনে নোয়াখালী জেলার অভিজ্ঞ পুলিশ সুপার মোঃ শহীদুল ইসলাম পিপিএম এর বিশেষ দিক নির্দেশনায় ট্রাফিক বিভাগ সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যেগ গ্রহন করে। সে উদ্যেগের ফসল আজ দৃশ্যমান বলে জানান টিআই সিরাজ -উদ- দৌলা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মান্নানগর চৌরাস্তা থেকে আসা সকল গাড়িকে বাইপাস দিয়ে ঢুকে পূর্বে মাইজদী, দক্ষিণে প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কবিরহাট রোড দিয়ে চলে যায়। সড়কটি একমূখী হওয়ার ফলে যানজট একেবারে শূন্যের কৌটায় নেমে আসে। এর ফলে সুফল ভোগ করছেন এলাকাবাসী। এ সড়ক ব্যবহারকারী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জানান,আগে এ সড়ক দিয়ে ক্যাম্পাসে যেতে সময় লাগত ১ ঘন্টার মতো। কিন্তু এখন মাত্র ১৫ মিনিটে যাওয়া যাচ্ছে। সিএনজি অটোরিকশা চালক বাশার জানান,আগে সোনাপুর যাত্রী নিয়ে গেলে অনেক সময় লাগত যেটা এখন লাগছে না।অনেকটা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করা যায়। এবিষয়ে ট্রাফিক ইনচার্জ সিরাজ-উদ- দৌলা বলেন,পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশের পর যানজটের মূল সমস্যাকে চিন্হিত করে ব্যবস্থা নেই। এর ফলে যানজট এখন বহুলাংশে কমে এসেছে। আশা করছি বাসগুলোর একটা ব্যবস্থা ও সিএনজিগুলোকে যদি টার্মিনাল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারি তাহলে যানজটের একটা স্থায়ী সমাধান হবে। এবিষয়ে পুলিশ সুপার সদ্য ওমরা হজ্জ করে আসা মোঃ শহিদুল ইসলাম পিপিএম বলেন,নোয়াখালী মানুষের ভোগান্তি লাগবে পুলিশ তার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২০ মে -২০২৩/মওম
- Advertisement -

