2:11 pm |আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৬শে মে ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম:
সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন দিতে সরকারকে ৬ দিনের সময় দিলেন ইমরান খান না ফেরার দেশে চলে গেলেন সত্যাশ্রয়ী মুক্তবুদ্ধি চর্চার অগ্রপথিক সেলিম বাগেরহাটে ট্রলির ধাক্কায় ২ জন নিহত লক্ষ্মীপুরে চাঁদাবাজির মামলা করায় প্রবাসীর বাড়ির  প্রাচীর ও ঘর ভাঙচুর, হুমকির অভিযোগ ক্রেতার অভাবে বিপুল পরিমাণ তেল নিয়ে সাগরে ভাসছে রাশিয়ার জাহাজ ফটিকছড়িতে ৭৮টি চোরাই মোবাইল ও কার সহ দুই যুবক গ্রেপ্তার  কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মা ও শিশুকে হত্যার ঘটনায় ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব সাভারে জন্মদিনের কথা বলে বন্ধুদের নিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ ঘিওরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সমুদ্রে ট্রলার ডুবি, ১০ ঘণ্টা পর ১৫ জেলে জীবিত উদ্ধার




তিন গ্রামের সুবিধার্থে কাঁচা ধান কেটে ঈদগাহ মাঠ স্থাপন 

তিন গ্রামের সুবিধার্থে কাঁচা ধান কেটে ঈদগাহ মাঠ স্থাপন 




প্রতিনিধি,আক্কেলপুর 
ঈদগাহ মাঠ না থাকায় প্রায় দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঈদের নামাজ পড়তে যেতে হয় তিন গ্রামের প্রায় দেড় হাজার লোকের। এ কারণে গ্রামের মানুষদের সুবিধার্থে নিজ জমির কাঁচা ধান কেটে ঈদগাহ মাঠ করার জন্য স্থায়ীভাবে জায়গা দেন আজাহার আলী নামে এক সহকারী অধ্যাপক। ঘটনাটি জয়পুরহাট জেলাধীন আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের। এতে খুশি ওই ইউনিয়নের চারদীঘি, ফুলবাড়ী ও রায়নগর গ্রামের লোকজন। রায়নগর গ্রামের আজাহার আলী নূরনগর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক। সরোজমিন দেখা যায়, সোমবার বিকেলে ফসলি জমি থেকে চলছে কাঁচা ধান কাটার কাজ। কাঁচা ধান কাটার কারণ জানতে চাইলে স্থানীয়রা জানান, তিন গ্রামে কোনো ঈদগাহ মাঠ নেই। ঈদের নামাজ পড়তে তাদের যেতে হয় ফসলিণ জমি পাড়ি দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা দূরের কোনো ঈদগাহ মাঠে। এ কারণে তাদের কষ্টের কথা চিন্তা করে স্থানীয় আজাহার আলী নামে এক সহকারী অধ্যাপক তাদের ১৭ শতাংশ ধান রোপণকৃত জমি ঈদগাহ মাঠ করার জন্য দিয়ে দেন। ঈদ আসন্ন হওয়ায় মাঠ প্রস্তুতের জন্য তারা ৮ শতাংশ জমির কাঁচা ধান কেটে ফেলেছেন। আপাতত এই ৮ শতাংশ জমির ওপর তারা ঈদের নামাজ পড়বেন। পরবর্তীতে তারা পুরো জায়গার উপরে ঈদগাহ মাঠের ব্যবস্থা করবেন। ঈদগাহ মাঠের জায়গা পেয়ে খুশি তিন গ্রামের লোকজন। চারদীঘি গ্রামের রমজান আলী বলেন, আমাদের অনেক দিনের আশা ছিল আমাদের নিজ গ্রামে ইদগাহ মাঠ হবে। আশপাশের তিন গ্রামে কোনো ঈদগাহ মাঠ না থাকায় কষ্ট করে ঈদের নামাজ পড়তে অনেক দূরে যেতে হয়। আমাদের কষ্ট লাঘবের জন্য অধ্যাপক আমাদের জমি দিয়েছেন। আমরা গ্রামবাসীরা মিলে ঈদের নামাজ পড়ার জন্য মাঠ প্রস্তুত করছি। আমরা খুব খুশি, কারণ এখন আমাদের নিজেদের গ্রামে ঈদগাহ মাঠ হচ্ছে। সহকারী অধ্যাপক আজাহার আলী জনান, আশপাশের তিন গ্রামে কোনো ঈদগাহ মাঠ না থাকায় গ্রামবাসীরা আমার কাছে এসে ঈদগাহ মাঠ করার বিষয়ে জানালে আমি আমার নিজের জমি দিয়ে দেই। এতে গ্রামের মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ এপ্রিল ,২০২২/ মওম

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান