3:13 pm |আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৬শে মে ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম:
আবার ঢাবিতে ছাত্রদল-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন দিতে সরকারকে ৬ দিনের সময় দিলেন ইমরান খান না ফেরার দেশে চলে গেলেন সত্যাশ্রয়ী মুক্তবুদ্ধি চর্চার অগ্রপথিক সেলিম বাগেরহাটে ট্রলির ধাক্কায় ২ জন নিহত লক্ষ্মীপুরে চাঁদাবাজির মামলা করায় প্রবাসীর বাড়ির  প্রাচীর ও ঘর ভাঙচুর, হুমকির অভিযোগ ক্রেতার অভাবে বিপুল পরিমাণ তেল নিয়ে সাগরে ভাসছে রাশিয়ার জাহাজ ফটিকছড়িতে ৭৮টি চোরাই মোবাইল ও কার সহ দুই যুবক গ্রেপ্তার  কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মা ও শিশুকে হত্যার ঘটনায় ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব সাভারে জন্মদিনের কথা বলে বন্ধুদের নিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ ঘিওরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড




চীনের ঋণের ফাঁদ এটা কল্পনা মাত্র : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনের ঋণের ফাঁদ এটা কল্পনা মাত্র : পররাষ্ট্রমন্ত্রী




নিজস্ব প্রতিবেদক

ভূ-রাজনৈতিক কারণে চীনের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের বিষয়ে অনেকের বিরূপ মন্তব্য থাকলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ একদম বিচলিত নয়। চীনের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ নিয়ে কোনও ধরনের দুশ্চিন্তা নেই বাংলাদেশের বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের আসন্ন ঢাকা সফর উপলক্ষে  ২৬ এপ্রিল মঙ্গলবার নিজ দফতরে অনানুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝে আমরা দেখি আপনাদের লেখায় যে বাংলাদেশ চীনের ঋণের ফাঁদে পড়ে গেছে এবং এটি একটি সম্পূর্ণ অলীক কল্পনা মাত্র।’বাংলাদেশ ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে খুব সতর্ক এবং যাচাই-বাছাই করে দেখে লাভ হবে কিনা, জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সর্বমোট ঋণ অত্যন্ত অল্প এবং এর বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া। বাকি যে দেশ সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে, সেটি হচ্ছে জাপান। চীন থেকে যে পরিমাণ ঋণ নেওয়া হয়েছে তা পাঁচ থেকে ছয় শতাংশ। সেটি নিয়ে সবার মাথা ব্যথা। কিন্তু জাপানের কথা কেউ বলে না।’চীনের ঋণ নিয়ে অর্থনীতিবিদদের নেতিবাচক মন্তব্যের বিষয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘হয়তো বিশেষ কারণ আছে। হয়তো তারা যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতে চায়।’ ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যখন ঢাকা সফর করেন, তখন আমরা অনেক অর্থের চুক্তি করেছিলাম। কিন্তু কয়টা হয়েছে, কারণ যখন আসলে হয়, তখন আমরা খুবই হিসাব-নিকাশ করে তারপর ঋণ নিয়ে থাকি, বলেন মন্ত্রী। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানে অস্থিরতা বিরাজ করছে এবং বৈশ্বিকভাবে পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভূ-রাজনীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে বলে জানান আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘ভূ-রাজনীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ হয়তো আছে। বাংলাদেশ এবং ভারতের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি রয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় চারপাশে কী হচ্ছে, সেটি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকি।  যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেশনাল কমিশনের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে বৈশ্বিক রিপোর্টে বলা হয়েছে—বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছে। এর সমালোচনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমার দেশে ধর্ম নিয়ে কোনও ঝামেলা নেই। এখানে আমাদের সম্প্রীতি আছে। ব্রিটিশরা আমাদের ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষতি করেছে। আমাদের দেশে ধর্ম নিয়ে কোনও সমস্যা ছিল না। এটি আপনারা তৈরি করেছেন।’মন্ত্রী বলেন, ‘অনেক দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা যথেষ্ট বাধাগ্রস্ত। আমাদের দেশে বাধাগ্রস্ত নয়। তবে দুর্ঘটনা যদি হয়, সরকার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।’

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ এপ্রিল ,২০২২/ মওম

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান