মোঃহারুনুর রশিদ
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ২নং পাথৈর ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত বারৈয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুনঃনির্মাণ ১৯৯৫/৯৬ ইং এল জি ই ডি কতৃক নির্মাণীত অত্র বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটিসহ বিদ্যালয়ের মাঠে অবস্হিত ১টি কড়ই গাছের এবং মাঠের পূর্ব ও উত্তরপাশে টিনসেট ঘরটি দূ্র্ঘটনার ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। নির্মাণাধীন ভবনটি রয়েছে ৩টি প্রধান শ্রেণি কক্ষ, ১টি ষ্টোররুমসহ ছাত্র/ছাত্রীদের দুটি পাঁকা টয়লেট।বর্তমানে এই ভবনটির দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত শ্রেণীকক্ষসহ দুটি পাঁকা টয়লেট ব্যবহার অনপোযোগী হয়ে পড়েছে। জানাযায় বিদ্যালয়ের সাবেক (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মোঃহোসেন মোল্লা দায়িত্ব থাকাকালীন বিদ্যালয়ের ভবনটি চাঁদপুর জেলা থেকে আসা একটি অডিট অফিসার ২০১৫ সালে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। ভবনটি বিদ্যালয়ের সীমানা দক্ষিণে এবং পূর্ব ও পশ্চিমে লম্বা ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনটি পূর্বপাশে দিগীরপাড় সংলগ্ন। দিগীরপাড়ের সাথেই নির্মাণ ছাত্র/ছাত্রীদের পাঁকা টয়লেট। বিদ্যালয়ের পুরাতন এই ভবনটির পূর্ব এবং মাঝামাঝি দুটি শ্রেণিকক্ষের কয়েকটি ফেঁটে গেছে। বর্তমান ভবনটি একেবারেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে বিদ্যালয়ের ভবনটি দিগীরপাড় সংলগ্ন হওয়ায়,বিদ্যালয়ের মাঠের সীমানা বৃষ্টির পানিতে এবং দিগীতে মাছ চাষ করার কারনে,ভবনটির একাংশ দিগীরপাড় ভেঁঙ্গে দিগীর ভিতরে চলে যায়। যার ফলে এদিক দিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী আসা যাওয়া ও সাধারণ লোকদের যাতায়াতে কঠোর থেকে কঠোরতা হয়ে দাড়িয়েছে। ফলে দক্ষিন দিকের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে সময় মতো উপস্হিত হতে বিঘ্ন ঘটছে। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের মাঠের পূর্বপাশে একটি প্রাকৃতিক কড়ইগাছ ও একটি পুরাতন টিনসেট ঘর অবস্হিত।টিনসেট ঘর,গাছটি অনেক পুরাতন গাছ,এই কড়ই গাছটি যদি ও উপকারি কিন্তু গাছটি গোঁড়া থেকে দিগীতে মাটি সড়িয়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে।প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে,কখনোও যদি বড় ধরনের ঝড় বা তোফাঁন হয়,তাহলে যেকোনো মুহূর্তে টিনসেট ঘর ও গাছটি পড়ে যেতে পারে।গাছটি পড়ে গেলে বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের নতুন নির্মাণাধীন ভবনের সাইড ওয়ালের উপর পড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে,ঘটতে পারে যে কোন ভয়াবহ দূর্ঘটনা। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুভী রাণী পাল জানান বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ও মানসম্মত গাইডওয়াল না থাকায় বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ ভেঁঙ্গে দিগীর পূর্বপাশের ভিতরে অনেকটাই চলে গেছে। আমি বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট,বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও দক্ষিণপাশের পুরাতন পরিত্যক্ত ভবনসহ মাঠে অবস্হিত কড়ই গাছটির বিষয়ে লিখিত আকারে উর্ধতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি,উর্ধতন কতৃপক্ষ বলছেন,আমরা আপনার সকল বিষয়ে জেনেছি এবং আমলে নিয়েছি,আমরা খুব শীগ্রই,আমাদের সকল কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্হা করবো।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২১ মার্চ, ২০২২/ মওম
- Advertisement -

