আবু সায়েম
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে বনবিভাগের প্রচেষ্টায় হাতি চলাচলের পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন ঈদগাঁও রেঞ্জের অভিযানে পূর্ণগ্রাম বিটের কালাপাড়া নামক এলাকায় ভূমিদস্যুরা বন্যহাতি চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরির লক্ষ্যে এবং ধানক্ষেত রক্ষার জন্য সংরক্ষিত বনের খুঁটি ও বাঁশ কেটে অবৈধভাবে স্থাপিত ১২০০ ফুট ঘেরাবেড়া এবং ১ টি টংঘর কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন সরকারের নির্দেশে সহকারী বনসংরক্ষক মেহেরঘোনার সার্বিক তত্বাবধানে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন খাঁনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৬ ফেব্রুয়ারী শনিবার ঈদগাঁও রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন খাঁনের নেতৃত্বে পূর্ণগ্রাম বিট কর্মকর্তা, স্টাফ ও ভিলেজারদের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে হাতি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা দূর করা হয়।এসময় অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়।
ঈদগাঁও রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন খাঁন বলেন, হাতির করিডোরে ঘেরাবেড়া তৈরি করে ভূমিদস্যুরা সংরক্ষিত বনাঞ্চল জবরদখল করে আসছিলো। এমনকি ভূমিদস্যুরা ধানক্ষেত রক্ষায় বাঁশ এবং খুঁটি কেটে ১২০০ ফুট লম্বা ঘরবেড়া ও টংঘর তৈরি করে। অবশেষে ডিএফও’র’ নির্দেশে এসব অবৈধভাবে তৈরীকৃত ঘেরাবেড়া ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এরফলে হাতি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর হয়েছে এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চল জবরদখল মুক্ত হলো।কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, বনবিভাগ বন্যহাতি এবং বন্যপ্রাণী রক্ষায় সজাগ ও সতর্ক রয়েছেন। বন্যহাতির চলাচলে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আমরা তা কঠোর হাতে প্রতিরোধ করবো। ঈদগাঁও রেঞ্জের পূর্ণগ্রামে ভূমিদস্যুরা সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হাতি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ধানক্ষেত রক্ষায় বাঁশ ও খুঁটি কেটে ভূমি জবরদখল কালে অবৈধভাবে স্থাপিত ১২০০ ফুট লম্বা ঘরবেড়া ও ১টি টংঘর ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়েছে।সরকারি জমিতে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলে উচ্ছেদ করা হবে এবং জবরদখল কারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বনভূমি রক্ষার্থে যথাযথ ভূমিকা পালন করবো। অভিযান চালিয়ে ভূমি জবরদখল এবং পাহাড়খেকোদের আইনের আওতায় আনা হবে। বন অপরাধ দমনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২/মওম
- Advertisement -

