8:28 am |আজ বুধবার, ৫ই কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২১শে অক্টোবর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সংবাদ শিরোনাম:
ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের আলোকে আস্তিক্যবাদ: পর্ব- ৬/ সৈয়দ রনো মুজিববর্ষ উপলক্ষে গাইবান্ধা পৌরসভার ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন  ফুলবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে প্রতিপক্ষের দেওয়া আগুনে ফার্নিচার দোকান পুড়ে ছাই  টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ সাভারে মাদক ও কিশোর গ্যাং বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  আস্তিক ও নাস্তিক্যবাদের দর্শন: পর্ব – ৪/ সৈয়দ রনো পটুয়াখালীতে ৬৬০০ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ফেনীর লংমার্চে হামলা, বরিশালে ছাত্রফ্রন্টের প্রতিবাদ সুন্দরবন থেকে ২ চোরাকারবারীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড
পাপুলের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে কুয়েত

পাপুলের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে কুয়েত

কাজী শহীদুল ইসলাম পাপুল এমপি (ফাইল ফটো)

::ডেস্ক প্রতিদিন::
বাংলাদেশি সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল সংগঠিত মানবপাচারকে ‘সবচেয়ে বড়’ ঘটনা হিসাবে বর্ণনা করেছেন কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ। অর্থপাচার ও মানবপাচারের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে টানা আট দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন বিভাগ। পাপুলের ‘অর্থপাচার ও মানবপাচারের’ সঙ্গে কুয়েত সরকারের কারও বিরুদ্ধেও যদি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। কুয়েতের রাজনীতিতেও পাপুলের বিষয়টি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা আল-সালেহ এক টুইটে বলেছেন, ‘বিগত কয়েক সপ্তাহে অভিবাদন পাওয়ার মতো কাজ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা। যেটা একজন এশীয় অভিবাসীর মাধ্যমে সবচেয়ে বড় মানব পাচারের ঘটনা প্রকাশ করেছে। তদন্তে সন্দেহভাজন আর্থিক লেনদেনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। কর্মকর্তা ও কোম্পানিগুলোর একটি নেটওয়ার্ক এ কাজে সহযোগিতা করেছে।’ তিনি বলেন, ‘তদন্তে যাদের নাম আসবে, হয়ত তারা সরকারি কর্মকর্তা কিংবা বিশিষ্ট কেউ, তাদেরকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে হবে। যদি কারও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করতে তাদের পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠানো হবে।’

পাপুলের অর্থপাচার ও মানবপাচারের সঙ্গে মন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারি কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন পার্লামেন্ট সদস্য আবদুল করিম আল-কানদারি। এক টুইটে তিনি বলেছেন, ‘কেবল বাংলাদেশি এমপির নাম প্রকাশ করলে হবে না, যারা তাকে সহযোগিতা করেছে কুয়েতের প্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তা সবার নাম প্রকাশ করতে হবে। কারণ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির কারণে এটা মানুষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

গত ৬ জুন রাতে কুয়েতের মুশরিফ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পাপুলকে। দেশটির পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট এই ব্যবসায়ী মারাফি কুয়েতিয়া কোম্পানির মালিকদের একজন। তাকে গ্রেফতারের পর কুয়েতি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, পাঁচ বাংলাদেশির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অর্থপাচার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শোষণের অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। ওই ব্যক্তিরা প্রসিকিউশনকে জানিয়েছিল, তিন হাজার কুয়েতি দিনার খরচ করে পাপুলের মাধ্যমে সেদেশে গিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, ভিসা নবায়নের জন্য ফি বছর টাকা দিতে হয় তাদেরকে।

আটকের পরদিন থেকে পাপুলকে জামিন না দিয়ে রিমান্ডে দেয় কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন বিভাগ। এরই মধ্যে অভিযোগ সম্পর্কে ১১ জন ব্যক্তির সাক্ষ্য নিয়েছেন নিয়েছেন তদন্তকারীরা। আটক করা হয়েছে পাপুলের প্রতিষ্ঠান মারাফি কুয়েতিয়া গ্রুপের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মুর্তজা মামুনকে। তদন্ত চলার মধ্যে পাপুলের কুয়েতের বাসায় অভিযান চালিয়ে চেক জব্দ করার পাশাপাশি অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়ার খবর দিয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম।

তাকে আটকের পরদিন বিষয়টি নিয়ে কুয়েত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চেয়েছিল সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস; এখনো সেটির উত্তর আসেনি বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত এসএম আবুল কালাম।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান