নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।’
আজ শনিবার বিকালে নয়া পল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে র্যালৗপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনিএসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘অতীতের মতো এখনও তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আবারও তারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে দাবিয়ে রাখতে চায়…. আবার তারা আমি-ডামি নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু করতে চায়। একাত্তরের মতো, নব্বইয়ের মতো, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো আবারও জবাব আমরা দিতে চাই। আজকে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব র্যালী হোক আমাদের সেই প্রত্যাশা পুরনের দিন, আজকের এই র্যালী হোক বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার দিন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে গণতন্ত্রকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছে, সেই গণতন্ত্রকে হোক রক্ষার দিন আজকের এই ৭ নভেম্বর।‘ আপনাকে কী আমাদের সাথে আছেন। এই সময়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা মুহুর্র মুহুর্র করতালি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন জানায়।
এ সময়ে মঞ্চে ছিলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমূখ।
হাফহাতা শার্ট ও প্যান্ট পরহিত প্রধানমন্ত্রী নেতা-কর্মী-সমর্থকসহ দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আসুন বাংলাদেশের সকল গণতন্ত্রকারী মানুষকে নিয়ে আমরা যে কোন ষড়যন্ত্র দেশের ভিতরেই হোক, দেশের বাইরেই হোক, এক করে দিব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ নভেম্বর হচ্ছে, জাতীয় ঐক্যের দিন, ৭ নভেম্বর হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে রক্ষা দিন, ৭ নভেম্বর হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের বাক স্বাধীনতার দিন।’
প্রধানমন্ত্রী নিজে শ্লোগান ধরে বলেন. ‘আবারও আমি বলতে চাই, দিল্লী নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কেনো দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

