বিনোদন ডেস্ক: চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক দিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে কৌতূহল। ফেসবুকে নায়িকা লিখেছেন ছোট্ট একটি বাক্য। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ফেসবুকে পরীমণি লিখেছেন, ‘যে মধুতে মরে, তারে বিষ দিতে নেই।’
তবে কাকে উদ্দেশ করে কিংবা কী প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছেন, তা স্পষ্ট করেননি অভিনেত্রী। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে আগের দিনের আদালতের আদেশের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি-না, সেটিও জানা যায়নি।
এদিকে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় গতকাল বুধবার পরীর জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
ওদিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ থাকলেও অ্যালার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি পরী। তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। তবে আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
মামলাটিতে পরীমণির পাশাপাশি তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধেও একই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, একই মামলায় গত বছরের ২৬ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। সেসময়ও পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।
জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির একদিন পরই মানে, আজ বৃহস্পতিবার আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমণি। ঢাকার ১ নম্বর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাহফুজুর রাহমান এই জামিনের আদেশ দেন। পরীমণির পক্ষে অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী শুনানি করেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকা বোট ক্লাবের সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন পরীর সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি এবং কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

