আজ , ।   

নোয়াখালীতে পূজায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক পুলিশের “ডাবল ডিউটি” ফর্মুলা

আরো খবর

প্রতিনিধি,নোয়াখালী:

নোয়াখালীতে শারদীয় দূর্গা পুজা উদযাপনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। তাদের উৎসব নির্বিঘ্নে করতে জেলা পুলিশ একগুচ্ছ উদ্যেগ নিয়েছে।

জানা যায়,এবারের পূজায় জেলায় মোট ১৯১টি পূজা মণ্ডপ তৈরি হয়। প্রতিটি পূজা মণ্ডপের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তার পাশাপাশি ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে দেবি দর্শন করে যেতে পারেন তার ব্যবস্হা করেছে প্রশাসন।

একজন টিআই জানালেন, পূজা উপলক্ষে নোয়াখালী জেলার যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দিন-রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।
সদর,বেগমগঞ্জ, সেনবাগসহ বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের গভীর রাত পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

দায়িত্বরত কয়েকজন সার্জেন্ট এবং কনস্টেবলের সাথে আলাপে জানা যায়,পূজা উপলক্ষে সকাল থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে।অপর এক প্রশ্নে জানালেন সময় পেলে দুপুরের খাবারের জন্য বাসায় যাওয়া হয়,নচেৎ রাস্তার পাশে দোকানগুলোতে খাবার খেতে হয়।রাস্তায় নিরবিচ্ছিন্ন ডিইউটির ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সমর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন তাঁরা। ডাবল ডিইউটি করলেও সরকারি তেমন প্রনোদনা বা সুবিধা নাই।

এদিকে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে স্হানীয় সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সরকার দলীয় বিএনপি শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা ঢাকা /চট্টগ্রাম থেকে গাড়ির বহর নিয়ে জেলায় আসছেন।তাদের সাথে আসা বিভিন্ন গাড়িিও নির্বিঘ্নে চলাচল করছেন।
একদিকে সাধারণ যান অন্যদিকে ভিআইপি প্রটোকলে ঘর্মাক্ত ট্রাফিক পুলিশ। তবুও যেন তাদের চোখে ক্লান্তি নেই আছে তৃপ্তি।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ট্রাফিক পুলিশে কর্মরত ৬৮ জন সদস্যের মধ্যে পূজা উপলক্ষে ৮জন ছুটিতে আছেন।

নোয়াখালীর যানজট হিসাবে পরিচিত সোনাপুর,চৌমুহনী, সোনাইমুড়ী, জমিদারহাট,সেনবাগ রাস্তার মাথা যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। চৌমুহনী থেকে মাইজদী দেবালয় দেবীদূর্গা দেখতে আসা পুস্পিতা রায় বলেন,অন্যান্যবার চৌমুহনী থেকে আসতে প্রায় ঘন্টা খানেক সময় লাগত এবার অল্প সময়ে চলে আসাতে খুশি তিনি।নিরাপত্তা নিয়ে তার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানান।

আলোকিত প্রতিদিন /২০ অক্টোবর /২০২৬/মওম

- Advertisement -
- Advertisement -