আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী কয়েকজন সদস্য, গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান এবং সেনাবাহিনীর প্রধান হঠাৎ করে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। প্রেসিডেন্টের অবকাশযাপনের প্রাসাদ ক্যাম্প ডেভিডে গতকাল ২ অক্টোবর শুক্রবার তাদের বৈঠকটি হয়েছে।
এতে ইরান যুদ্ধ ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।
এক্সিওস জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা বৈঠক করলেও এটির কোনো ঘোষণা দেয়নি ট্রাম্প সরকার। সর্বশেষ ২০২৫ সালের জুনে এমন একটি বৈঠক হয়েছিল। এর কয়েকদিন পরই দখলদার ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছিল।
এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তারসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ, হোয়াইট হাউজের দূত স্টিভ উইটকোফ, সিআইএ-এর পরিচালক জন রেটক্লিফ এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ডেন কেইন।
এক কর্মকর্তা বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে ওই বৈঠকে ‘কিছু একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে অথবা এ নিয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজ বৈঠকটি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা থমকে থাকায় দেশটির বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের হামলা শুরুর পরিকল্পনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, “এখন আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে : হয় ইরান চুক্তি স্বাক্ষর করবে নয়তবা তাদের কোনো অস্তিত্ব আর থাকবে না।”
একই সময় ট্রাম্পকে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব। যদিও তিনি এখন পর্যন্ত এ চাপে নতি স্বীকার করেননি। ট্রাম্পের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা শুক্রবার যখন ক্যাম্প ডেভিডে গোপন বৈঠক করছিলেন ওই সময় এক সাংবাদিক তাকে ইরান নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে তিনি বলেন, “যদি আমি আপনাকে এ ব্যাপারে বলি তাহলে এটি বিশাল বিষয় হবে। কিন্তু আপনারা দেখবেন, ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে বেশ ভালো কাজ চলছে। কিন্তু ইরান ভালো করছে না।”
সূত্র: এক্সিওস
আলোকিত প্রতিদিন /০৩অক্টোবর /২০২৬/মওম

