জোবায়দুর রহমান জুয়েল: নবেম্বর-ডিসেম্বর থেকে সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধায়ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। বিভিন্ন মাদ্রাসা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তাদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থার মধ্যেই সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলা শুরু হচ্ছে। এর প্রতিবাদে গাইবান্ধার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় সচেতন মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাণিজ্য মেলার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিও এই কথিত বাণিজ্য মেলা বন্ধে প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দিয়েছে। গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে গানাসাস মার্কেটের সামনে বুধবার এনসিপি- পৌর কমিটি আয়োজিত মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের প্রতি এই আল্টিমেটাম দেয়া হয়।
বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ফেলে, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতায় রেখে এবং লোডশেডিংয়ের ফাঁদ তৈরি করে বাণিজ্য মেলা চলতে পারে না। বক্তারা আরও বলেন, গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির আড়ালে একটি অসাধু চক্র অধিক মুনাফা লাভের জন্য তথাকথিত এই বাণিজ্য মেলার আয়োজন করছে। বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এই বাণিজ্য মেলার সব আয়োজন বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় এনসিপি বৃহত্তর আন্দোলন শুরু করবে বলে প্রশাসনকে হুশিয়ারি দেন।
এনসিপি পৌর কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবির তনুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফিহাদুর রহমান দিবস, জেলা কমিটির আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খুদি, সদস্য সচিব রাহাত ইবনে শহীদ, এনসিপি নেতা শফিউল আযম, আব্দুর রহমান প্রমুখ।
গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্টির সভাপতি মো. সামিউল হুদা সুমেল জানান, সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাণিজ্য মেলা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

