আজ , ।   

সভ্যতার চিহ্ন/ দুলাল আলম

আরো খবর

দুলাল আলম: অবকাঠামোগত উন্নয়ন মাত্রা যা জাতীয় জীবনে প্রতিনিয়ত প্রভাব বিস্তার করে যুগ মাত্রিক ধারাকে বিনির্মিত রুপে জ্ঞান দক্ষতা ও যোগ্যতাকে বিশেষায়িত নগর, সমাজ, রাষ্ট্রকে পরিপূর্ণতা দেয়, তাকে সভ্যতা বলে । চিন্তার প্রতিফলনে কৃষিভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তি জীবনে, নগরায়ন, শিল্পকলার উৎকর্ষ সাধন, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে প্রতিফলিত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে সভ্যতার বিকাশ ঘটে ।

সমন্বিত শ্রমের বিভিন্ন মাপকাঠি কৃষিজীবী, কারিগরি, প্রশাসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার হিসেবে নিকেশে লিপির ব্যবহার, শেখন পদ্ধতির উন্নয়ন, সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার উন্নয়ন সভ্যতার মূল বৈশিষ্ট্য ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে সভ্যতার চরম বিকাশ উৎকর্ষতায় নবরূপ দেয় । সভ্যতা হলো শহরায়ন, রাষ্ট্র ব্যবস্থার উন্নত কাঠামো, সামাজিক উন্নয়নের উচ্চহার এবং সংস্কৃতি হল শিল্পকলা সাহিত্য, নাট্যচর্চা ও ধর্মীয় প্রভাব বলয় ইত্যাদির সংমিশ্রণ ।

সুমেরীয়, হরপ্পা, মহেঞ্জোদাঁড়ো, পেরুর উপকূলীয় কারাল সঁপে, মিশরীয়, চৈনিক সভ্যতা সম্মিলিতভাবে জেন বেটার স্মার্ট ভিত্তি মজবুত করেছে। সুদৃঢ়ভাবে যৌবন ধারণ করেছে এক দুর্দান্ত চির উন্নত প্রযুক্তির রোবট ও জিন প্রযুক্তির সংমিশ্রণে এক বিশ্ব কাঁপানো ভয়-ভীতিহীন অনন্ত যৌবনের দুরন্ত শক্তি ।

প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতা, চীন, গ্রীক, পেরুর উপকূলীয় অঞ্চলের সভ্যতা ও মেক্সিকান ওলমেক সভ্যতা মানব সভ্যতাবলীকে সুসংগঠিত করে । খ্রিস্টপূর্ব ৫৫০ শব্দে মহান সাইরাসের পারস্য বিজয়ের মাধ্যমে পারস্য সভ্যতা মিশর থেকে এশিয়া ও চীন পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ার দ্বার উমুক্ত হয় । পারস্য সাম্রাজ্য

ক্যামেলিয় সম্রাজ্য নামে প্রবর্তিত ও প্রাচীন মেসোপটোনিয়া সভ্যতার শিক্ষা, সংস্কৃতি প্রভাবলয়ে আরো বেশি শক্তিশালী সুসংগঠকের শিল্পবৃত্তি প্রতিফলিত হয়ে ওঠে ।

জেরক্সিস ও দারিউস সভ্যতাকে প্রাচীন ভারত হতে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করতে সক্ষম হন । সাইরাসের কলাকৌশল, শক্তিমত্তা ও প্রতিপত্তির কাছে পরাজিত হলে পারস্য সভ্যতার সূচনা করেন সেই মহানজন । লিখন পদ্ধতির উন্নয়ন, নগরকেন্দ্রিক জীবন ব্যবস্থা, পরিকল্পিত প্রশাসন, পাথর কেটে দেয়াল তৈরি, লোহার ব্যবহার ও বিভিন্ন চিত্র শিল্পের খোদাই পারস্য সাম্রাজ্যকে বিশ্বের কাছে উন্নয়নের নতুন মাত্রা যোগান দেয়।

প্রাচীন সভ্যতাকে ধারণ করে দেশের গন্ডি পেরিয়ে হোমো স্যাপিয়েন্সের গরিমার উদ্দেশ্যে অতীতকে মূল ভিত্তি হিসেবে নতুনদের জীবন ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করার প্রয়াসী নিরন্তর পথ পরিক্রমায় আমরা চলছি এক বিশ্বজনীন সার্বজনীন সভ্যতার ক্রমবিকাশে বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতার ভেতর দিয়ে জাতিসত্তার জিনগত বৈশিষ্ট্যে কে ধারণ করে । আগামীকাল হবে আজকের চাইতে অনেক অনেক সুন্দর ও আশাতীত ভালো ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -