নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জ্বালানি নিয়ে ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপন করা হবে। বিরোধী দলকে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ‘গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। জনগণের সমর্থন থাকলে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে আমরা মনে করি। বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না, সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং নিজেদের ভাগ্যের পাশাপাশি দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করবে।
দেশকে আর পিছিয়ে রাখা যাবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর বহু দেশ একসময় বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে ছিল। কিন্তু কাজ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা নিজেদের দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। বাংলাদেশকেও সেই পথে এগিয়ে যেতে হবে। এখন একটি লক্ষ্য, একটি উদ্দেশ্য—জনগণের জীবনমান উন্নত করা, দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা।
চীনা বিনিয়োগের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন সফরে তিনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সেখানে কয়েকশ মিল-কারখানা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এই মিল-কারখানাগুলোর মাধ্যমে সমগ্র চট্টগ্রামের মানুষ কাজ করার সুযোগ পাবে। এর ফলে বেকারত্ব কমার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন হবে। কর্মসংস্থানই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য
সরকারের দায়িত্বের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় বিএনপি জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সরকার গঠনের পর সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। তরুণ ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
দেশের উন্নয়নে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু অপেক্ষা করে বসে থাকলে চলবে না। কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি শিল্প-কারখানা স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের কাজ করতে হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

