বিশেষ প্রতিনিধি: ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহতদের পরিবারের ১০ জন সদস্যের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এই নিয়োগপত্র হস্তান্তর করা হয়।
নিয়োগপত্রপ্রাপ্তরা হলেন শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আবদুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি ও শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রানী। এ ছাড়া গুরুতর আহত মো. আবদুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারের হাতেও নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র দিয়েছেন তিনি।
তারেক রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেছেন, এসব আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা; যেখানে দেশের মানুষ আরো ভালোভাবে বসবাস করতে পারবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের আমরা হারিয়েছি, যারা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি হলো বাংলাদেশকে আরো ভালো করা। রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে এগিয়ে নিতে হবে। আমরা কী পেলাম, সেটি বড় কথা নয় বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা এবং আহত জুলাইযোদ্ধা সোহেলি তামান্না উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। চাকরি পাওয়ার পর শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

