আলোকিত প্রতিবেদক:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর দেখতে দর্শনার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। উদ্বোধনের পরপরই জাদুঘরের টিকিটের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সাবেক গণভবনে স্থাপিত এই জাদুঘর উদ্বোধনের পর থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।
জাদুঘরে প্রতিদিন তিনটি নির্ধারিত সময়ে প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সময়গুলো হলো—সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা, দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে জাদুঘরের অনলাইন টিকিটিং প্ল্যাটফর্মে দেখা যায়, ৭ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত তিনটি সেশনের সব টিকিট বিক্রি শেষ। একই সঙ্গে ১৪ ও ১৫ আগস্টের টিকিটও শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া ১১, ১২ ও ১৩ আগস্টের বিকেলের সেশনের টিকিটও আর পাওয়া যাচ্ছে না।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বুধবার (৫ আগস্ট) সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। প্রথম দিনেই ব্যাপক দর্শনার্থীর উপস্থিতি দেখা যায়। নির্ধারিত ৯০০টি টিকিট অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারেননি।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও সুশৃঙ্খল প্রবেশ নিশ্চিত করতে অনলাইনভিত্তিক সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। আগ্রহীদের ‘জুলাই ৩৬’ ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে নির্ধারিত সময়ের টিকিট সংগ্রহ করতে হবে।
এর আগে ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দিনটি বিশেষ অতিথি ও জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত ছিল।
জাদুঘরে প্রবেশের টিকিটের মূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২০ টাকা। সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা এবং অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জন্য দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

