আজ , ।   

আগস্টেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষ করতে চায় ইসি

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংবিধান অনুযায়ী হাতে প্রায় তিন মাস সময় থাকলেও কমিশনের লক্ষ্য চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করা। এরপর সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতিতে পূর্ণমাত্রায় মনোযোগ দিতে চায় সংস্থাটি।

গত ২৪ জুলাই মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়। বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন রাজনৈতিক দলগুলোর, বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের, প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে কমিশন। প্রার্থী নির্ধারণের পর দ্রুত তফসিল ঘোষণা করে চলতি মাসের শেষ দিকে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

তিনি জানান, সেপ্টেম্বরের আগেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। কারণ এরপর স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কার্যক্রম শুরু হবে।

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়। সে হিসেবে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় থাকলেও কমিশন নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়।

ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার এবং ভোটগ্রহণের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। এ নির্বাচনে জাতীয় সংসদের সদস্যরাই ভোটার এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন পরিচালনাকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সাধারণত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াতেই সম্পন্ন হয়। ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী থাকায় সংসদে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। এরপর প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাই এবারও সরকারি দলের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্বাচন প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

- Advertisement -
- Advertisement -