ইরানে বড় ধরনের হামলার হুমকির পর সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ট্রাম্পের এ ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। এ হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরও সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের যেকোনো সময় দেশ ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব ‘সুনির্দিষ্ট ও যথাযথভাবে’ দেওয়া হবে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদি আরব উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা চেয়েছে।
অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবরাজ ট্রাম্পকে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এবং হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস ও ওয়াশিংটনে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এদিকে বাহরাইন, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো অনলাইনে সতর্কবার্তা জারি করেছে। অঞ্চলজুড়ে থাকা দূতাবাসগুলো সম্ভাব্য অপ্রত্যাশিত উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করেছে।
তেহরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর চলমান প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে ইরানকে ‘খুব কঠোরভাবে’ আঘাত হানার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। তার এ হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত হানব। একপর্যায়ে তারা বলবে, আমরা আর এটা সহ্য করতে পারছি না।’
তিনি আরও বলেন, ইরানের ওপর তিনি আস্থা হারাচ্ছেন, কারণ দেশটি ‘কথা ভঙ্গ করে’ এবং ‘মিথ্যাচার ও ভুল ব্যাখ্যা দেয়’।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
আলোকিত প্রতিদিন /০২ আগস্ট ২০২৬/মওম

