আজ , ।   

লাগামহীন নি#ত্যপণ্যের বাজার, হাঁপিয়ে উঠছেন ক্রেতারা!

আরো খবর

বিশেষ প্রতিবেদক: লাগাতার বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার অজুহাতে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে বড় ধরনের আগুন লেগেছে। সবজি, মাছ, ডিম থেকে শুরু করে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ—সবকিছুর দামই এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যের ভেদে কেজিতে ২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বাজারে এসে বাজেট মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ।

আজ শুক্রবার রাজধানীর খিলগাঁও, রামপুরা, তালতলা ও মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে বাজার পরিস্থিতির এমন উত্তপ্ত চিত্র দেখা গেছে।

তালতলা বাজারে ক্রেতা তহিদুল ইসলাম তিনি বলেন, ১০০ গ্রাম মরিচ ৩০ টাকা। কি খাব আর কি করবো। কিছুদিন আগেই ২৫০ গ্রাম মরিচ ছিল ৩০ টাকা। এখন সেটা ১০০ গ্রামে নেমে গেলো। এ দেশে রাতারাতি সব হয়ে যায়।

আজকের বাজারে প্রতি কেজি কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৮০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১৩০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ১৪০ টাকা এবং পটল প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁপে ৪০ টাকা ও পটল ৬০ টাকা, এ দুই সবজি ছাড়া অন্য কোনো সবজি ৮০ টাকা কেজির নিচে নেই। বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ টাকার আশপাশে। বেগুন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, করলা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। পাড়া-মহল্লার ভ্যানে তিন কেজি পাওয়া গেছে ১০০ টাকায়। এখন বৃষ্টি ও বন্যার জেরে দাম বেড়েছে এক লাফে ২৫ টাকা পর্যন্ত।

বাজারে ঘুরে দেখা যায়, খুচরাতে প্রতি কেজি ভালো মানের বাছাই করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। একটু মাঝারি মানের বা তুলনায় ছোট আকারের পেঁয়াজের জন্য গুনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

পাইকারি পর্যায়ে প্রতি পাল্লা (পাঁচ কেজি) ভালো মানের পেঁয়াজ ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহেও ২০০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে ছিল তখন।

বিক্রেতা আরমান হাবীব জানান, পাবনা, ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া থেকে মূলত ঢাকায় পেঁয়াজ আসে। কিন্তু গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টির কারণে মোকামেই এখন পেঁয়াজের দাম চড়া।

বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম ১৪০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগে ১৩০ টাকা ছিল। আর দেড় থেকে দুই সপ্তাহ আগে ১২০ টাকাতে পাওয়া যেত। এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে ১৯০ থেকে ২১০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা।

বাজারে দুই থেকে আড়াই কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হতো কিছুদিন আগেও। সেগুলো এখন ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত কেজি হাঁকছেন বিক্রেতারা। তাদের দাবি, টানা কয়েক দিনের অতিবৃষ্টি ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাছের সরবরাহে।

শুধু রুই নয়, একই অবস্থা তেলাপিয়া-পাঙ্গাস থেকে শুরু করে প্রায় সব মাছেরই। সরবরাহ কমে যাওয়ায় মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এসব মাছের দাম কমপক্ষে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে মাছের বাজারে এসে চরম অস্বস্তিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা হিসেবে পরিচিত তেলাপিয়া ও পাঙাশের দামও বেড়েছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাষের চিংড়ির কেজি ৯০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা, যা গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বেশি। পাবদা মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। অন্যদিকে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় এক কেজির ইলিশের জন্য গুনতে হচ্ছে এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা।

আজকের বাজারে প্রতি কেজি কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৮০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১৩০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ১৪০ টাকা এবং পটল প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁপে ৪০ টাকা ও পটল ৬০ টাকা, এ দুই সবজি ছাড়া অন্য কোনো সবজি ৮০ টাকা কেজির নিচে নেই। বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ টাকার আশপাশে। বেগুন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, করলা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। পাড়া-মহল্লার ভ্যানে তিন কেজি পাওয়া গেছে ১০০ টাকায়। এখন বৃষ্টি ও বন্যার জেরে দাম বেড়েছে এক লাফে ২৫ টাকা পর্যন্ত।

বাজারে ঘুরে দেখা যায়, খুচরাতে প্রতি কেজি ভালো মানের বাছাই করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। একটু মাঝারি মানের বা তুলনায় ছোট আকারের পেঁয়াজের জন্য গুনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

পাইকারি পর্যায়ে প্রতি পাল্লা (পাঁচ কেজি) ভালো মানের পেঁয়াজ ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহেও ২০০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে ছিল।

বিক্রেতা আরমান হাবীব জানান, পাবনা, ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া থেকে মূলত ঢাকায় পেঁয়াজ আসে। কিন্তু গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টির কারণে মোকামেই এখন পেঁয়াজের দাম চড়া।

বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম ১৪০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগে ১৩০ টাকা ছিল। আর দেড় থেকে দুই সপ্তাহ আগে ১২০ টাকাতে পাওয়া যেত। এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে ১৯০ থেকে ২১০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা।

বাজারে দুই থেকে আড়াই কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হতো কিছুদিন আগেও। সেগুলো এখন ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত কেজি হাঁকছেন বিক্রেতারা। তাদের দাবি, টানা কয়েক দিনের অতিবৃষ্টি ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাছের সরবরাহে।

শুধু রুই নয়, একই অবস্থা তেলাপিয়া-পাঙ্গাস থেকে শুরু করে প্রায় সব মাছেরই। সরবরাহ কমে যাওয়ায় মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এসব মাছের দাম কমপক্ষে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে মাছের বাজারে এসে চরম অস্বস্তিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা হিসেবে পরিচিত তেলাপিয়া ও পাঙাশের দামও বেড়েছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বেশি। পাবদা মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। অন্যদিকে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় এক কেজির ইলিশের জন্য গুনতে হচ্ছে এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -