আজ , ।   

ফাইনালের পর মা*রামা*রি,শা*স্তির মুখে পারেদেস!

আরো খবর

ক্রীড়া ডেস্ক:

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল মাঠে। শেষ বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস এবং স্পেনের এরিক গার্সিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরে দুই দলের খেলোয়াড়, বদলি বেঞ্চ এবং কোচিং স্টাফদের মাঝেও সেই উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।

নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় তারা। ম্যাচজুড়েই ছিল উত্তেজনা। নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিটে স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবারসির ওপর ট্যাকলের জন্য লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেস। ফলে শেষ মুহূর্তে ১০ জনের দলে পরিণত হয় মেসির দল। পাশাপাশি পুরো ম্যাচে লিওনেল স্ক্যালোনির দলের খেলোয়াড়রা দেখেন ছয়টি হলুদ কার্ড।

ঘন ঘন ফাউল এবং কঠিন ট্যাকলে ভরা ম্যাচের উত্তেজনা শেষ বাঁশির পর চরমে পৌঁছে যায়। পারেদেস দৌড়ে গিয়ে এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে স্পেনের এই ডিফেন্ডারের গলায় হাত দেন। ধাক্কার তীব্রতায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন গার্সিয়া। দুই দলের খেলোয়াড়, বদলি সদস্য এবং কোচিং স্টাফদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। এই ঘটনায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর সরাসরি লাল কার্ড দেখেন পারেদেস। ফলে একই ম্যাচে লাল কার্ড দেখা দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলার হন তিনি।

ফাইনাল-পরবর্তী এই ঘটনার তদন্তে নামতে যাচ্ছে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি। নিয়ম অনুযায়ী লাল কার্ডের কারণে অন্তত এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ার কথা পারেদেসের। তবে ম্যাচ শেষে সংঘর্ষে জড়ানোর ঘটনাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হলে তার শাস্তি স্বয়ংক্রিয় এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার চেয়েও বাড়তে পারে।

- Advertisement -
- Advertisement -