ক্রীড়া ডেস্ক:
এক দশক দায়িত্ব পালনের পর মৌসুম শেষেই গত জুনে ম্যানচেস্টার সিটি কোচের পদ ছেড়েছেন পেপ গার্দিওলা। বর্তমানে তিনি কোনো দলের ডাগআউটে নেই, এমনকি বিশ্বকাপেও সমর্থন করছেন না নির্দিষ্ট কোনো দলকে। তবে বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে কথা বলেছেন। যেখানে মুখোমুখি গার্দিওলার দেশ স্পেন এবং প্রিয় শিষ্য লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।
আগামী ১৯ জুলাই রবিবার দিবাগত রাতে নিউজার্সিতে বিশ্বকাপের মহারণী ফাইনালে লড়বে আর্জেন্টিনা এবং স্পেন। পুরো বিশ্বকাপেই কোনো দলের পক্ষে ছিলেন না জানিয়ে স্প্যানিশ গণমাধ্যমকে গার্দিওলা বলেন, ‘বিশ্বকাপে আমি সুনির্দিষ্ট কোনো দলকে সমর্থন দিইনি। তবে পছন্দের খেলোয়াড়দের প্রতি ঝোঁক ছিল। সেসব খেলোয়াড়ের দলের প্রশংসা করেছি এবং তাদের উৎসাহ দিতে পেরে আমি খুশি।’
৫৫ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কিংবদন্তি কোচ বলেন, ‘যদি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতে, সেখানে এমন খেলোয়াড় আছে যাদের আমি চিনি। একইভাবে ফ্রান্স, পর্তুগালের ক্ষেত্রেও একই ভাষ্য, সেখানে এমন সব খেলোয়াড় আছে যারা আমাকে মুগ্ধ করেছে।’
ফাইনালে কারা জিতবে সেই ভবিষ্যদ্বাণী কিংবা পছন্দ বেছে না নিলেও, গার্দিওলার সমর্থন যে স্পেন পাবে তার ইঙ্গিত মিলেছে। বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ এবং ম্যানসিটির সাবেক এই কোচ বলেন, ‘যদি মাঝমাঠে পেদ্রির সঙ্গে রদ্রি তার মানের যথাযথ প্রদর্শন করতে পারে, লামিনে ইয়ামাল নিজের সেরা দিতে পারলে স্পেন পার্থক্য গড়ে দিতে পারবে। সাম্প্রতিক ইনজুরির কারণে ইয়ামাল শারিরীকভাবে কিছুটা পিছিয়ে আছে। তবে তার বয়স, অবিশ্বাস্য দক্ষতা এবং প্রতিপক্ষের ওপর দাপুটে মনোভাব চাপ সামলে নিজেই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারবে।’
আবার মেসির আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে তার মত, ‘আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং মেসি তার সেরা ফর্মে আছে। যা তাদের বিবেচনায় নেওয়ার মতো সুবিধা দেবে, কারণ এবং এমন একজন যে যেকোনো পরিস্থিতি বদলে দেয়।’
নিজের কোচিং ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে গার্দিওলার ভাষ্য, ‘বার্সেলোনায় আমার শুরুটা হয়েছিল ৩৭ বছর বয়সে, এখন আমার বয়স ৫৬। আমার নতুন কিছু করতে হবে। এই মুহূর্তে আমি খুশি। একদিন অবশ্যই আমি ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ফিরে যাব। যেখানে আপনার আমাকে দরকার হবে, সেখানেই আমাকে পাবেন।’
আলোকিত প্রতিদিন/১৭জুলাই ২০২৬/মওম

