আজ , ।   

শিক্ষামন্ত্রীর প#দত্যাগ দাবি যৌক্তিক পর্যায়ে পড়ে না!

আরো খবর

বিশেষ প্রতিনিধি: চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত এবং শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিকে যৌক্তিক নয় বলে মনে করেন অনেক শিক্ষার্থীই। অনেকে আবার পরীক্ষা স্থগিত করে অটোপাস দেওয়ার বিপক্ষেও নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। আজ বুধবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীরা এমন কথা জানিয়েছেন তারা।

রাজধানীর ফার্মগেটে এক ছাত্র বলেন, ‘আন্দোলনের দাবির মধ্যে ফিজিক্স পরীক্ষা পেছানো উচিত ছিল এক দিন বা দুই দিন। এই দাবিই শুধু ঠিক, এর বাইরে আর কোনো দাবি যৌক্তিক না। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করতে হবে, এগুলো যৌক্তিক দাবির পর্যায়ে পড়ে না বলে আমার মনে হয়। শিক্ষামন্ত্রী নতুন এসেছেন, তাকে তো সময় দিতে হবে কাজ করার জন্য। তখন না হয় উনাকে বলা যাবে, এখন তো নতুন করে উনাকে নামানো (পদত্যাগ করানো) ঠিক হবে না আর কি, এটা যৌক্তিক দাবি না।

চট্টগ্রামে এক সাধারণ শিক্ষার্থী আন্দোলনরতদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি ওদের এক বছর আগে পরীক্ষা দিছি। সাতটা সৃজনশীল প্রশ্নে আমাদের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। তাই আমি বলব, তোমরা পরীক্ষা স্থগিত করেছ চট্টগ্রামে। অন্য জেলায় কি হচ্ছে, অন্য জেলায় কি হচ্ছে সেটা অন্য জেলায়। তোমরা এই জিনিসটাকে মোড় দিয়ে অন্যদিকে নিয়ে যাইও না। আমরা ২৪-এ কী হয়েছে দেখছি, এর আগে ১৮ সালে কী হয়েছে দেখছি। আল্লাহর ওয়াস্তে দেশটাকে দাঁড়াইতে দাও। দেশের অবস্থা ভালো না। তোমরা এখন ইয়াং, রক্ত গরম, তোমরা বোঝ না রাজনীতি কী, অর্থনীতি কী, গোপনীয়তা কী, তোমরা শুধু উনিশ-বিশ হলেই আন্দোলন কর।’

ঢাকা সিটি কলেজের এক ছাত্রী বলেন, ‘বাস ভাঙা কোনো সলিউশন (সমাধান) না। আমি এটা সমর্থন করব না অবশ্যই। এখানে সাধারণ মানুষ ছিল, যাত্রী ছিল, এই বাস ভাঙা কোনো সলিউশন না। হয়তো উত্তেজনা থাকে কিছু স্টুডেন্টের যারা হলো এই বাস ভাঙার সঙ্গে উত্তেজনা ছিল। তো এর মানে এই নয় যে সব স্টুডেন্ট এর সঙ্গে আছে যে আমরা গিয়ে বাস ভাঙব। যেখানে সেখানে বাস দেখলে ভাঙব, এমন কিছু না।’

চাঁদপুরের এক ছাত্রী বলেন, ‘অটোপাস হলে অবশ্যই খারাপ হবে। আমরা অটোপাস চাই না, আমরা চাই যেভাবে পরীক্ষা হচ্ছে, পরীক্ষাগুলো এভাবেই কন্টিনিউ হোক।

 এক ছাত্রী বলেন, ‘আলহামদুল্লিলাহ পরীক্ষা অনেক ভালো হয়েছে। প্রথম পার্টের তুলনায় সেকেন্ড পার্ট অনেক ভালো হয়েছে। এমন পরীক্ষা হলে আলহামদুল্লিলাহ ভালো একটা রেজাল্ট আশা করা যায়। পরীক্ষা যদি স্থগিত করে দেয়, তাহলে তো আমাদের জন্যই ক্ষতি। বর্তমানে আমাদের পড়ালেখার গতি, সেটা স্থগিত হলে আমাদের নতুন করে পড়ালেখায় মন বসাতে কষ্ট হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -