আজ বুধবার, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রামে বে#পরোয়া কি*শোর গ্যাং নেতৃত্বে টোকাই মিজান

আরো খবর

মো: জহির উদ্দিন বাবর : চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাস-কারী সাধারণ মানুষের চোখের সামনেই ঘটে চলেছে নতুন নতুন আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ঘটনা -খুন আক্রমণ জমি দখল,ভাঙচুর ইত্যাদি যার নৈপথ্যে সক্রিয় রয়েছে কিশোর৷ গ্যাং। এমন একটি ভয়ংকর কিশোর গ্যাং অস্তিত্ব পাওয়া গেছে নগরীর বাদুরতলা এলাকায়। এই গ্যাং এর নেতৃত্বে উঠে আসছে এক ভয়ংকর গ্যাং এর নাম টোকাই মিজান।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় মানুষ জানান বাদুরতলা এলাকায় কনট্রাক নিয়ে একের পর এক আএক্ষরণের নেপথ্যে টোকাই মিজানের কিশোরগ্যাং সদস্যরা সে কিশোরগ্যাং সদস্য সহ প্রশাসনের বেশ কিছু অসাধু -কর্তা বাবুদের রেখেছেন নিয়ন্ত্রণে এবং বিবিধ অপরাধ কর্মকান্ড করেও প্রশাসনের কাছ থেকে ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় টোকাই মিজান।

এমনি একটি লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে মিজানের নেতৃত্বে বাদুরতলা জঙ্গি শাহ মাজারগেট এলাকায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন এর সাথে বিগত ১৫/৪/২০২৫ থানায় অভিযোগ করতে গেলে তদন্তের নামে শুরু হয় কাল ক্ষেপণ। ঘটনার সূত্রে জানা যায় বিগত ২৫/৩/২০২৫তারিখে রেজিস্ট্রি মূলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন জঙ্গিশাহ মাজার গেইটে সম্পত্তি ক্রয় করেন এবং নিজ বিএস নামজারি ২৫-৪৬০২ খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রচার করেন। ক্রেতা বিক্রেতা সুসম্পর্ক কোন ঝামেলা না থাকলেও জমি বিক্রেতা রোষানলে পড়ে যায় তারই ভাড়াটিয়া বাচায়া ও মুদির দোকানের টেক্সি ড্রাইভার ছেলে সুদি রিপন,বন্দরের দুর্নীতিবাজ লস্কর খোকন। ঐ সময় বিষয়টি নিয়ে মামলা ও একাধিক সংবাদ প্রচারিত হলেও এরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ওয়ারিশ না হয়েও সম্পত্তির লোভে পড়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনৈক কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বুনতে থাকে ষড়যন্ত্রের জাল। তার খরিদকৃত সম্পত্তির উপরে হোটেল ও মুদিরদোকান অবৈধভাবে চালাতে থাকে জায়গার মিথ্যা মামলা দায়ের ও কিশোর গ্যাং নেতৃত্বে টোকাই মিজানকে ব্যবহার করে। ব্যবসায়ি কামাল উদ্দিন সিডিএ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের নোটিশ সম্পত্তি মালিক হিসেবে ঘটনাস্থলে গেলে তার উপর হামলা করে বলেন। টেক্সি ড্রাইভার ছেলে সুদি রিপন ও কিশোর গ্যাং টোকাই মিজান,টোকাই মুনতাসীর তার বাহিনীর একাধিক সদস্য পুলিশ আসলেও নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা।বিষয়টি স্থানীয় জনসাধারণের চোখে দৃষ্টিকটু লেগেছে।

পরবর্তীতে হেনেস্তা ও সঙ্ঘবদ্ধভাবে হামলা শিকার হয়ে ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশের দায়িত্বহীন তার পরিচয় পাওয়া যায় অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন তারা মামলা না নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি নথিভুক্ত করেন। পাঁচলাইশ থানার ওসির নির্দেশে।আর এভাবে প্রশ্রয় পায় বাদুরতলা সহ একাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা। এ কথাগুলো বলেন স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ী ও কামাল উদ্দিনের পরিবারবর্গ।আইন বহিভূত তার সম্পত্তি ও সন্তানদের নিরাপত্তা চেয়ে অপরাধচক্রের মূল হোতা টোকাই মিজান,সুদি রিপন সহ সবাইকে আইনের আওতায় আনার জন্য সিএমপি পুলিশ কমিশনার ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। আলোকিত প্রতিদিনের প্রতিবেদক তাদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -