আজ বুধবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৭ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাজেটকে যারা গ#নবিরোধী বলে তারা জনগনের বন্ধু হতে পারে না শ্রীমঙ্গলে: প্রধানমন্ত্রী

আরো খবর

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি, মো: আমিনুল ইসলাম আল আমিন। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় (৩য় পর্যায়ে) ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন উপলক্ষে,আজ বুধবার দুপুর ১টার সময় (১৭ জুন২০২৬)প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান শ্রীমঙ্গল এসে পৌঁছান।

সমাজকল্যান মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন একদল লোক দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়। তারা যদি দেশে অশান্তি করার সুযোগ পায় তাহলে আমরা আজকে যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড বিতরণ করেছি, এই যে আমরা জনগনকে সহযোগীতা করছি তা কন্টিনিউ করতে পারো না। তাই তাদের ব্যাপারে জনগনকে সতর্ক থাকতে হবে। জনগন ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ ষড়যন্ত্র করে টিকতে পারবে না। কেউ গণতন্ত্রকে নষ্ট করতে পারবে না। স্বাধীনতার আগে ও পরে সব সময় গণতন্ত্র বিনষ্টকারীরা একসাথে ছিলো। কিন্তু বিএনপি সবসময় জনগনের পাশে ছিলো।

তিনি আরো বলেন আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে চাই, এটাই বিএনপির রাজনীতি। বাজেটে আমরা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের জন্য অর্থ বরাদ্ধ রেখেছি। লেখাপড়া ও খেলাধুলরি জন্য অর্থ বরাদ্ধ বাড়িয়েছি। সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীতের জন্য অর্থ বরাদ্ধ রেখেছি। ৬০ টি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উপর শুল্ক প্রতাহার করে নিয়েছি জনগনের কথা চিন্তা করেছি। অথচ অনেকে বলেছে, তারা এই বাজেট মানে না। যেই বাজেটে জনগনের নানা সুবিধা দেওয়া হয়, সেই বাজেটকে যারা চানাচুরের মতো বলে, গণবিরোধী বলে, তারা কী জনগনের বন্ধু হতে পারে। তারা কখনো জনগনের বন্ধু হতে পারে না।

যতবার এদেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে, ততবার মানুষ স্বাধীন ভাবে ভোট দেতে পেরেছে, ততবার বিএনপিকে ভোট দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগন যখন ফুঁসে উঠে গণতন্ত্রের জন্য তখন বিভিন্ন সময় বিভিন্নজনকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে দেখেছি। কিন্তু খালেদা জিয়া কখনোই জনগনকে ছেড়ে যাননি। আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক। এই দেশই আমাদের ঠিকানা। আমরা এই দেশের উন্নয়নে কাজ করছি। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের টাকার উৎস নিয়ে তিনি বলেন, কেউ কেউ বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়, তারা বলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা, কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। আমরা আপনাদের সাক্ষী রেখে বলতে চাই, এগুলো বাংলাদেশের জনগনের অর্থ।

নির্বাচনের আগে এই সিলেটে এসে আমি আপনাদের কথা দিয়েছিলাম, চা শ্রমিকদের ফ্যামিলি কার্ড দেবো। আজকে তা শুরু হলো। আজ আমার আনন্দের দিন। আল্লাহর রহমতে আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। যদিও আজকে সবাইকে কার্ড দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী একবছরের মধ্যে চা বাগানের সকল নারী শ্রমিকরে কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের একমাসেরও কম সময়ের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতণের পাশপাশি আজ ৫০ জন চা শ্রমিককে ঘর নির্মাণের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে প্রদান করেছি। চা শ্রমিকদের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য বিশেষ বৃত্তি দিয়েছি। প্রায় ১৫০ জনকে আজকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ স্লোগান দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্য শেষ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -