আজ , ।   

বড়লেখার নতুন ঝর্ণা ‘পরীকুন্ড’ 

আরো খবর

মৌলভীবাজার জুড়ি, আনোয়ার হোসেন মন্জু, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম আকর্ষণ এখন পরীকুন্ড ঝর্ণা। অনেকের কাছেই এটি এখনও অপরিচিত হলেও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দিন দিন পর্যটকদের আগ্রহ বাড়ছে এই অপরূপ জলপ্রপাতকে ঘিরে।

পরীকুন্ড ঝর্ণা অবস্থিত বিখ্যাত মাধবকুন্ড ঝর্ণা থেকে মাত্র ১০-১৫ মিনিটের হাঁটার দূরত্বে। গভীর সবুজ বনাঞ্চলের আড়ালে প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু খাড়া পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির ধারা সৃষ্টি করেছে এক মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য। বুনো প্রকৃতির মাঝে লুকিয়ে থাকা এই ঝর্ণার সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে।
চারপাশের ঘন সবুজ বৃক্ষরাজি, পাহাড়ি পরিবেশ এবং ছোট-বড় পাথরের ওপর দিয়ে বয়ে চলা ঝর্ণার জলের কলকল ধ্বনি দর্শনার্থীদের মনে এনে দেয় এক অপার্থিব প্রশান্তি। শীতল ও স্বচ্ছ পানির ধারা গায়ে মেখে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছু সময় কাটানোর জন্য পরীকুন্ড হতে পারে আদর্শ একটি গন্তব্য।

কীভাবে যাবেন?
পরীকুন্ড ঝর্ণায় যেতে হলে প্রথমে পৌঁছাতে হবে মাধবকুন্ড ইকোপার্ক ও পর্যটন কেন্দ্রে। পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ করে মাধবকুন্ড ঝর্ণার মূল রাস্তা ধরে কিছুদূর এগিয়ে গেলে বাম পাশে একটি শিব মন্দির চোখে পড়বে। মন্দিরের বিপরীত পাশে থাকা সিঁড়িপথ ধরে নিচে নামলেই দেখা মিলবে মাধবকুন্ড ঝর্ণার পানির ছড়া।
এরপর ছড়ার পাথর বিছানো পথ ধরে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেই পৌঁছে যাবেন স্বপ্নময় পরীকুন্ড ঝর্ণায়।

কখন যাবেন?
পরীকুন্ড ঝর্ণার প্রকৃত সৌন্দর্য উপভোগের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো বর্ষাকাল। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে ঝর্ণায় পানির প্রবাহ অনেক বেশি থাকে, যা ঝর্ণাটিকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তোলে। তাই প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে বর্ষাকালেই ঘুরে আসতে পারেন বড়লেখার এই নয়নাভিরাম জলপ্রপাত থেকে।
প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য পরীকুন্ড ঝর্ণা হতে পারে এক অনন্য অভিজ্ঞতার নাম।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -