বিশেষ প্রতিনিধি: মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা চায় পরীক্ষিত ও ত্যাগিদের, যারা কঠিন সময়ে সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারবে।
মিটফোর্ডের মত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সময় দেখা গেছে, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (AUST) এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহ কিছু গুপ্তরা দল থেকে পদত্যাগ করে পরিস্থিতি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চেয়েছিল। ভবিষ্যতে যেন কেন্দ্রীয় সংসদের বিভিন্ন পদে গুপ্তরা ঢুকে সুযোগ নিবে এরকম পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সেজন্য মাঠ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের কেন্দ্রীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ পদ সহ সব পর্যায়ের পদে দেখতে চায়। যেহেতু কেন্দ্রীয় সংসদ হচ্ছে , বিএনপি’র ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরীর পাইপলাইন তাই এখানে বিভিন্ন পদে তারাই আসুক যারা সৎ, মেধাবী, স্মার্ট, ত্যাগী এবং কর্মীবান্ধব হিসেবে সুপরিচিত।
শেষমুহুর্তে যারা আলোচনায় আছেন তাদের মধ্যে –
০৬-০৭ সেশনে : আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া।
০৭-০৮ সেশনে : নাসির উদ্দিন নাসির,শ্যামল মালুম,জহির রায়হান আহমেদ।
০৮-০৯ সেশনে: ইজাজুল কবির রুয়েল, সাফি ইসলাম,খোরশেদ আলম সোহেল, শফিকুল ইসলাম, এইচ এম আবু জাফর, মনজুরুল আলম রিয়াদ, রিয়াদ রহমান, সীরাতুল সাঈম।
০৯-১০ সেশনে: আমান উল্লাহ আমান,মোঃ হাসানুর রহমান , আরিফুল ইসলাম, সালেহ মোহাম্মদ আদনান, মমিনুল ইসলাম জিসান, শরিফ প্রধান শুভ, ফারুক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান।
১০-১১ :মাসুম বিল্লা, আমিনুল ইসলাম, মিয়া মো: রাসেল, গনেশ চন্দ্র রায় সাহস, মাসুম বিল্লা(কার্জন মাসুম), খন্দকার অনিক।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

