আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরান বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের খরচ গত প্রাথমিক হিসেবের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পেন্টাগন যখন “অপারেশন এপিক ফিউরি” শুরু করার পরিকল্পনা করছিল, তখন তারা জানায় যে এই অভিযানে মোট খরচ হবে প্রায় ২৫০ কোটি ডলার। তবে বাস্তবে গত দু’মাসে এই অভিযানের জন্য ব্যয় ইতোমধ্যেই ৫০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
পেন্টাগনের কর্মকর্তা জুলস হার্স্ট সিবিএসকে জানান, যেহেতু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে, তাই অতিরিক্ত কোনো খরচ এখন না হলেও যুদ্ধ আবার শুরু হলে ব্যয় আরও বাড়তে পারে।
হার্স্ট বলেন, “যুদ্ধ থেমে যাওয়ার পরও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ ইরান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সেনা-ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে। এসব ঘাঁটি পুনরায় চালু করতে হলে অনেক টাকা ব্যয় হবে।”
এছাড়া, যুদ্ধাস্ত্রের ক্ষয়ক্ষতিও খরচ বৃদ্ধির আরেকটি বড় কারণ। “এখন পর্যন্ত আমরা ২৪টি এমকিউ-৯ ড্রোন হারিয়েছি, যার প্রতিটির মূল্য প্রায় ৩ কোটি ডলার। এছাড়া বিমান, হেলিকপ্টার ও অন্যান্য সামরিক যানগুলোর ক্ষয়ক্ষতিও খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে,” বলেন হার্স্ট।
গত ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, এবং এখনও পর্যন্ত দুই দেশ সেই বিরতি মেনে চললেও যেকোনো সময় তা ভেঙে যেতে পারে।
সূত্র: সিবিএস, আনাদোলু এজেন্সি
আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

