ক্রাইম রির্পোটার, শহিদুল্লাহ সরকার:
সারাদেশে গত ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টে বিভিন্ন থানায় হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হওয়ার মত ঘটনা ঘটে। এর আগে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে রাজপথে ছাত্র-জনতার উপর অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি বৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হয়। যার কারণে সরকার থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশি অভিযান এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট পর্যন্ত ১৫ বছরের সকল বৈধ অস্ত্র নিকটস্থ থানায় জমা দেওয়ার জন্য প্রত্যেক লাইসেন্সধারী ব্যাক্তিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে সরকারের এই নির্দেশনা মেনে অনেকেই তাদের ব্যবহারকৃত বৈধ অস্ত্র নিকটস্থ থানায় জমা দেন। উল্লেখ্য ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানা ভাংচুর অস্ত্র লুটপাট হওয়ায় সাভার মডেল থানা পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন যাহার নং-২৯, তাং ১০/০৯/২৪ইং এর বিবরনীতে ১০৫টি জমাকৃত বেসামরিক অস্ত্র লুট হওয়ার তথ্য রয়েছে। সরকারি অস্ত্রের পাশাপাশি বেসামরিক ব্যক্তিদের জমাকৃত অনেক আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হওয়া যেগুলোর বেশিরভাগই এখনও উদ্ধার হয়নি। থানা পুলিশের অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ থাকলেও বৈধ লাইসেন্সধারী ব্যক্তিদের লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে নেই তেমন কোন পদক্ষেপ। যার ফলে বৈধ লাইসেন্সধারী ব্যক্তিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাভারের বৈধ অস্ত্র লাইসেন্সধারী একব্যক্তি জানান, গত ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের পুর্বে সাভার মডেল থানায় তার বৈধ অস্ত্র বক্তিগত কারণে জমা দেন তার সেই অস্ত্রটিও লুট হয় ।পুলিশের মামলার বিবরণীতে তার লুট হওয়া অস্ত্রের বিবরণ রয়েছে। তিনি আরো জানান, এখনো পর্যন্ত সরকার থেকে তাদের অস্ত্র উদ্ধারে কোন কার্যকরী কোন পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমানে তিনি ব্যক্তিগত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তার মত বৈধ লাইসেন্সধারীদের অধিকাংশই চায় ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় নতুন অস্ত্র ক্রয় করতে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় তাদেরকে অস্ত্র ক্রয়ের অনুমতি দিয়ে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করবে এটাই তাদের প্রত্যাশা।
আলোকিত প্রতিদিন /১৮ এপ্রিল ২০২৬ /মওম
- Advertisement -

