বিশেষ প্রতিনিধি:
জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং এশীয় অঞ্চলে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত ‘এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি প্লাস অনলাইন সামিট’-এ দূরদর্শী বক্তব্য পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে তার কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মূলত তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর জোর দিয়েছেন: কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই। তিনি একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক গড়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে এই গতি সচল রাখতে উন্নত দেশগুলো থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্রযুক্তি স্থানান্তরের দাবি জানান তিনি। স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের চ্যালেঞ্জ: ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ যে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো তৈরি করছে, প্রধানমন্ত্রী তা বিশ্বনেতাদের সামনে সগৌরবে উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উক্তি- “পরিবেশ রক্ষা কোনো একক দেশের দায়িত্ব নয়, বরং এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ পৃথিবীর নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য একটি সম্মিলিত মিশন।” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ রোডম্যাপের প্রস্তাব সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এশীয় অঞ্চলের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ‘রোডম্যাপ’ তৈরির প্রস্তাব দেন। এই প্রস্তাবনার মূল লক্ষ্য হলো:
- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অক্ষুণ্ণ রাখা।
- পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- শিল্পক্ষেত্রে সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা।
প্রধানমন্ত্রীর এই বলিষ্ঠ অংশগ্রহণ এবং প্রস্তাবনা আন্তর্জাতিক জলবায়ু কূটনীতিতে বাংলাদেশের নেতৃত্বদানকারী ভূমিকাকে আরও সুসংহত করল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে এশীয় অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে।
আলোকিত প্রতিদিন /১৫ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

