আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ইরানের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমেই কেবল যুদ্ধ বন্ধ হওয়া সম্ভব।
গত সোমবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘যুদ্ধের শুরু থেকে আমাদের সামরিক বাহিনী যে প্রতিরোধ ও সাধারণ ইরানি জনগণ যে ঐক্য দেখিয়েছে- তা আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। আমার বিশ্বাস, সামরিক বাহিনী এবং জনগণের দেশপ্রেমিক অবস্থান অদূর ভবিষ্যতে যেকোন কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের জন্য সহায়ক হবে।’
ইরান কখনোই যুদ্ধ চায় না। আমরা এ যুদ্ধ শুরু করিনি। এখন যদি এই যুদ্ধ থামাতে হয়- তাহলে অবশ্যই ইরানের জাতীয় স্বার্থের সুরক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দু’যুগ ধরে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে। কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই সংলাপ শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি ।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে ওপর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। অপরদিকে একই সময়ে ইসরায়েল ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।
যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান । সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিতে একটুও কৃপণতা করে নি ইরান যা এখনও চলছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

