আজ শনিবার, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ২৮ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ই*রা*নের ক্ষে*পণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আহত ১২ মার্কিন সেনা

আরো খবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় মোট ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) এ হামলা ঘটেছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়।

নিউইয়র্ক টাইমস এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। হামলাটিতে অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ইরান মূলত তাদের ওপর হওয়া মার্কিন হামলার জবাবে এই প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানের দাবি, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীর আক্রমণের ‘লঞ্চপ্যাড’ বা ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলার সময় মার্কিন সেনারা ঘাঁটির ভেতর একটি ভবনে অবস্থান করছিলেন। সরাসরি আঘাতের ফলে সেখানে ক্ষতির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি এরিয়াল রিফুয়েলিং বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, এর আগেও এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছিল সৌদি আরব।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য রয়েছে। তারা সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা এবং মার্কিন সামরিক বিমানের কার্যক্রমে সহায়তা দেয়। রিয়াদের প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে কিছু সৈন্য মোতায়েন রয়েছে, যারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি এবং থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মতো সরঞ্জাম পরিচালনা করে।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

সূত্র : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও নিউইয়র্ক টাইমস।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

- Advertisement -
- Advertisement -